Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ব্যস্ত সময় পার করছেন স্যান্ডেল তৈরির কারিগররা

ব্যস্ত সময় পার করছেন স্যান্ডেল তৈরির কারিগররা
ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্যান্ডেল তৈরির কারিগররা, ছবি: বার্তা২৪.কম
ফরহাদুজ্জামান ফারুক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ উপলক্ষে সারাদেশে চাহিদা বাড়ে স্যান্ডেলের। ঈদের বাকি আর ২২ দিন। এরই মধ্যে কাজের অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন রংপুরের স্যান্ডেল তৈরির কারিগররা। এ পর্যন্ত যেসব অর্ডার নিয়েছে সেগুলোই ডেলিভারি দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। রাতদিন নিরলস পরিশ্রম করছেন।

চাহিদা অনুযায়ী এসব কারিগররা তৈরি করছেন জোড়ায় জোড়ায় নানান মাপের স্যান্ডেল। সমাজের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ তাদের মূল ক্রেতা। ফলে এটা মাথায় রেখেই দাম নির্ধারণ করা হয়।

জানা গেছে, গতানুগতিক জুতা বা স্যান্ডেল তৈরির কারখানার চেয়ে একটু ভিন্ন এসব কারিগররা। রাবার কার্টিজ থেকে শুরু করে আঠা বসান, ফিনিশিং, প্রিন্টিং সবই হচ্ছে তাদের হাতের নিখুঁত ছোঁয়ায়। শুধু সাইড ফিনিশিংয়ের কাজটা করা হয় মেশিন দিয়ে। রংপুর নগরীর আট থেকে দশটি কারখানায় স্যান্ডেল তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।

ব্যস্ত সময় পার করছেন স্যান্ডেল তৈরির কারিগররা

ঈদকে ঘিরে কারখানা মালিকদের দেড় থেকে চার লাখ টাকার ব্যবসা হবে বলেও জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ মে) রংপুর মহানগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড়ের রিপোর্টার্স ক্লাব লেনের দুটি ছোট কারখানায় কারিগরদের অত্যন্ত ব্যস্ত দেখা গেছে।

আরএস সুজ-এর সত্ত্বাধিকারী তাপস দাস বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'এখন অর্ডার নেয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। ঈদকে ঘিরে বিভিন্ন সাইজের স্যান্ডেল তৈরি করা হচ্ছে। আমার এ খাতে এখন প্রতিদিন চারজন কারিগর কাজ করছে। তাদের প্রতিজনকে দৈনিক ৪০০-৫০০ টাকা করে মজুরি দেয়া হচ্ছে।'

ব্যস্ত সময় পার করছেন স্যান্ডেল তৈরির কারিগররা

তিনি আরও জানান, ঈদকে সামনে রেখে কয়েকশ ডজন স্যান্ডেল বিক্রির টার্গেট করেছে আরএস সুজ। প্রচণ্ড গরমে কারিগরদের শরীর থেকে ঘাম ঝরলে কাজ থেমে নেই। তবে মাথার ওপর ছোট ফ্যানই এ গরমের একমাত্র ভরসা।

কাজ করতে করতে জীবন দাস নামের এক কারিগর বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'কাজের চাপ অনেক, তাছাড়া টার্গেট আছে। আগামী ১৫ রমজানের মধ্যে আমরা ৬০০ জোড়া স্যান্ডেল তৈরির কাজ শেষ করব। এসব স্যান্ডেল আমাদের নিজস্ব দোকানে খুচরা বিক্রি করা ছাড়াও আশপাশের ছোট ছোট দোকানেও দেয়া হবে। একারণে একটু ব্যস্ততা বেড়েছে।'

ব্যস্ত সময় পার করছেন স্যান্ডেল তৈরির কারিগররা

প্রত্যেক জোড়া স্যান্ডেল সাইজ ও মান অনুযায়ী ২৫০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হবে। এসব স্যান্ডেলের দাম কম হলেও বেশি দিন ব্যবহার করা যায় বলে জানালেন আরেক কারিগর।

হাবিব বুট হাউস-এর খাইরুল ইসলাম শুভ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, '১৫ রমজানের পর থেকে স্যান্ডেলের চাহিদা বেড়ে যাবে। তবে ঈদের আগের রাতে আমাদের বানানো স্যান্ডেল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।'

আপনার মতামত লিখুন :

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস
ছবি: বার্তা২৪.কম

বেনাপোল-ঢাকা রেল রুটে বিরতিহীন বেনাপোল এক্সপ্রেস উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেনাপোল এক্সপ্রেসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। একইদিন প্রধানমন্ত্রী বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সেবা চাপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিতকরণের উদ্বোধনও করবেন বলে জানা গেছে।

বেনাপোলে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো: সামসুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এদিকে রাতে বেনাপোল স্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত উৎসুক মানুষের ভিড় সেখানে। ইতিমধ্যে বিক্রি শুরু হয়েছে এ রুটের টিকিট। যাত্রীদের নিরাপত্তায় স্টেশন এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করতে দেখা গেছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, উদ্বোধনের পর ট্রেনটি দুপুর দেড়টায় বেনাপোল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। আবার রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। ট্রেনটি প্রতিদিন বেনাপোল স্টেশন থেকে ছেড়ে যশোর, ঈশ্বরদী জংশন ও ঢাকা বিমানবন্দরে যাত্রী ওঠানো-নামানোর জন্য সাময়িক বিরতি দিয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শেষ গন্তব্যে গিয়ে থামবে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563299477336.jpgট্রেনটিতে বগি রয়েছে ১২টি। আসন সংখ্যা ৮৯৬। ট্রেনের ভেতর এসি চেয়ারের জন্য রয়েছে একটি বগি এবং কেবিন একটি বগিতে। বেনাপোল এক্সপ্রেসের ননএসি শোভনের টিকিট ৫৩৪ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া ১০২৫ টাকা এবং কেবিনের ভাড়া হবে ১২২৮ টাকা। ট্রেনে ৪ ও ৮ সিটের কেবিন রয়েছে। সপ্তাহে ৬ দিন বিরতিহীনভাবে চলবে বেনাপোল এক্সপ্রেস।

বেনাপোল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার সাঈদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। বেনাপোল থেকে ট্রেনটি ছেড়ে অপারেশনাল স্টেশন যশোর জংশনে পৌঁছে ১৫ মিনিটের বিরতি নেবে। এ সময়ের মধ্যে রেলের ইঞ্জিন ঢাকামুখী ঘোরানো হবে। এরপর ঈশ্বরদী গিয়ে ট্রেনের চালকসহ অপারেশনাল কর্মী বদলের জন্য আরও ১৫ মিনিটের বিরতি থাকবে। পরে ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে শেষ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। তবে এর আগে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে কিছুক্ষণের জন্য ট্রেনটি থামানো হবে।

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল
পুরনো ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশ হবে। এদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়া এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে।

এর আগে ফলাফলের অনুলিপি সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। উপস্থিত থাকবেন সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

মোবাইল এসএমএস-এ যেভাবে ফল জানা যাবে

এক্ষেত্রে যেকোনো অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে  তারপর HSC লেখে, আপনি যেই বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর, পরীক্ষার সাল লেখে Send করুন 16222 নম্বরে। প্রতি এসএমএস (SMS) এ ২ টাকা ৩০ পয়সা করে কাটা হবে।

উদাহরণ: HSC Dha XXXXXX 2019 send to 16222

বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের কোড নাম

Board First 3 letters
Dhaka Board DHA
Barisal Board BAR
Sylhet Board SYL
 Comilla Board COM
Chittagong Board CHI
Rajshahi Board RAJ
Jessore Board JES
Dinajpur Board DIN
 Madrasah Board MAD
Technical Board TEC

 

এসএমএস ছাড়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন (http://www.educationboard.gov.bd/)।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল জানতে এই ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) 'রেজাল্ট' কর্নারে ক্লিক করে ইআইআইএন নম্বর এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠনভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমেইলে কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাঠানো হবে। ডিসি অফিস ও ইউএনও কার্যালয় থেকে ফলের হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাবে।

আলিম পরীক্ষার্থীরা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.bmeb.gov.bd) প্রবেশ করে আলিম পরীক্ষার জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র