Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

উদ্বোধনের অপেক্ষায় রংপুর সিটি বাস সার্ভিস

উদ্বোধনের অপেক্ষায় রংপুর সিটি বাস সার্ভিস
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) প্রতিষ্ঠার সাড়ে ছয় বছর পর চালু হতে যাচ্ছে সিটি সার্ভিস বাস। এজন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) অত্যাধুনিক দু’টি দ্বিতল বাস আনা হয়েছে। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা।

বুধবার (১৫ মে) বিআরটিসির রংপুর ডিপোর ম্যানেজার (অপারেশন) ওমর ফারুক মেহেদী বার্তা২৪.কমকে জানান, 'ভারত থেকে এনে ঢাকার জয়দেবপুরে রাখা বাস দু’টি গত ৬ ও ৭ মে সড়ক পথে রংপুর ডিপোতে আনা হয়েছে। এ দু’টি বাস নগরীর চারলেন সড়কের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করবে।'

রংপুর মহানগরসহ দু’টি রুটে এই বাসগুলো চলাচল করবে। এজন্য রুটও নির্ধারণ করা হয়েছে।

একটি বাস পাগলাপীর থেকে হাজিরহাট, সিও বাজার, মেডিকেল মোড়, বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়, কাচারী বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, শাপলা চত্বর, কারমাইকেল কলেজ রোড, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় মোড়, তাজহাট, মাহিগঞ্জ সাতমাথ ও কাউনিয়া তিস্তা ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত চলাচল করবে।

অপর বাসটি পাগলাপীর থেকে হাজিরহাট, সিও বাজার, মেডিকেল মোড়, বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়, কাচারী বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, শাপলা চত্তর, কারমাইকেল কলেজ রোড, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় মোড়, মর্ডাণ মোড়, পায়রাবন্দ ও পীরগঞ্জ পর্যন্ত চলাচল করবে।

এদিকে দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবারো সিটি সার্ভিস চালুর উদ্যোগে খুশি নগরবাসী। বাস দুটি চালু করতে খুব শিগগিরই রসিকের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানান বিআরটিসির রংপুর ডিপো কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রংপুর-সৈয়দপুর রুটে দ্বিতল বাস চলাচল করতো। কিন্তু তিন মাস পর স্থানীয় মোটর মালিক ও শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে তা বন্ধ হয়ে যায়। এর দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবারো রংপুরে চালু হতে যাচ্ছে সিটি বাস সার্ভিস।

আপনার মতামত লিখুন :

‘এমন কাজ করব যাতে ত্রাণের প্রয়োজন না থাকে’

‘এমন কাজ করব যাতে ত্রাণের প্রয়োজন না থাকে’
বন্যা দর্গত এক ব্যক্তিকে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

“ত্রাণ ব্যবস্থাপনার চাইতে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি দুর্যোগ সহনশীলতার ওপর। আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যেখানে দুর্যোগ এলে মানুষ সহজেই মোকাবেলা করতে পারবে। ত্রাণের জন্যে কাউকে যাতে হাত পাততে না হয়। এমন কাজ করব যাতে ত্রাণের প্রয়োজন না থাকে।”

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটিই বলছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

দেশে বন্যা শুরুর পর থেকেই বন্যা কবলিত এলাকায় সময় দিচ্ছেন ডা. এনাম। বলতে গেলে মন্ত্রণালয় আর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন তিনি। চষে বেড়াচ্ছেন একের পর এক বন্যা কবলিত জেলায়। সঙ্গী করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামালকেও।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563809825850.jpg
দিন কাটে কিভাবে এমন প্রশ্নের সূত্র ধরে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলে চলেন—
খুব ভোরে; ফজরের নামাজ পড়েই বেড়িয়ে পড়ি। এই ধরুন আজকের কথা—ভোর ৬টায় সাভারের বাসা থেকে বের হয়েছি। টাঙ্গাইলে যমুনার পাড়ে কালিহাতীতে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ দিয়ে কথা বলেছি এলাকাবাসীর সঙ্গে।

তারপর ছুটে গেলাম সিরাজগঞ্জের কাজিবাড়িতে। সেটা শেষ করে ছুটলাম বগুড়ার ধুনটে। তারপর বগুড়া সার্কিট হাউজে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে ছুটলাম সারিয়াকান্দিতে।

এর মধ্যে আবার সরকারি রীতিনীতি পালনের আনুষ্ঠানিকতাতেও অংশ নিতে হয়। কিন্তু ঝোঁক থাকে দেশের দুর্গত মানুষদের কাছে কতটা দ্রুত সময়ের মধ্যে ত্রাণ পৌঁছানো যায় সে বিষয়ে।

রাত ৮টায় ফিরছি সারিয়াকান্দি থেকে। ঢাকায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে মধ্যরাত হবে। পরদিন ভোরে আবার একই নিয়মে দুর্গত কোন অঞ্চলের উদ্দেশে বের হব। বন্যার পর এভাবেই চলছে আমার দিনলিপি।

বন্যা কবলিত মানুষের কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন—
এই যে দুর্গত এলাকায় ছুটে যাচ্ছি—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আমরা অসহায় দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছি, তাদের হাতে জননেত্রীর উপহার হিসেবে মানবিক ত্রাণ সহায়তা তুলে দিচ্ছি। এটা পেয়ে তারা আশ্বস্ত হচ্ছে, ভরসা পাচ্ছে। ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছে।

অন্যদিকে মাঠের প্রশাসনও গতি পাচ্ছে। আরেকটি বিষয় হলো—জেলায় জেলায় গিয়ে যখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে বৈঠক করছি, তখন আমরাও স্পষ্ট ধারণা পাই যে, দুর্যোগ প্রশমন বা মোকাবেলায় ঠিক কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। এই যে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকা। এর কারণে ত্রাণ বিতরণে মনিটরিং বেড়েছে। স্বচ্ছতা এসেছে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে মাঠ পর্যায়ে কোন ধরনের সহায়তা প্রয়োজন সেটাও জানা যাচ্ছে। আমরাও জানতে পারছি ঠিক এই মুহূর্তে জনগণের প্রয়োজনটা কী।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563809859133.jpg
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মন্ত্রণালয়কে দুর্গত মানুষদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন জানিয়ে ডা. এনাম বলেন, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও দক্ষ। তিনি সঙ্গে থাকায় মাঠের সিদ্ধান্ত মাঠেই বাস্তবায়িত হচ্ছে। বলতে পারেন, মন্ত্রণালয়কে আমরা পৌঁছে দিয়েছি দুর্গত মানুষদের দোরগোড়ায়।

এখন তো আমাদের অফিসই হচ্ছে—নৌকা, ট্রলার বা গাড়ি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন ভিশন নিয়ে মিশনে নেমেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকার অত্যন্ত শক্তিশালী সরকার। পূর্ণ সমর্থন ও সামর্থ্য নিয়ে আমরা বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আছি, থাকব।

আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে, দেশে দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনা। দুর্যোগ সহনশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, যাতে ভবিষ্যতে আর কারও ত্রাণ প্রয়োজন না হয়।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহা বহিষ্কার

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহা বহিষ্কার
প্রিয়া সাহা, ছবি: সংগৃহীত

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুলাই) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পরিষদের শৃঙ্খলা বিরোধী কাজের জন্য প্রিয়া সাহাকে সাময়িকভাবে সব সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। এটি অনতিবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

গত ১৮ জুলাই ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে অনুষ্ঠিত ধর্মীয় স্বাধীনতা অগ্রগতির দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় প্রিয়া সাহা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিযোগ করে বলেন, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি এবং সেখানে ৩৭ মিলিয়ন (৩ কোটি ৭০ লাখ) হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এরইমধ্যে উধাও হয়ে গেছে হয়েছে। এখনও এক কোটি ৮০ লাখ আছে। যার মধ্যে ১৭ লাখ শিশু এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষ বসবাস করে। আমাদেরকে সাহায্য করুন। আমি আমার ঘর হারিয়েছি, জমি হারিয়েছি। ইতোমধ্যেই আমার বাড়ি-ঘর দখল করেছে। জ্বালিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমরা সরকার থেকে এর কোনো বিচার পাই নাই। আমরা বাংলাদেশেই থাকতে চাই। আমরা বাংলাদেশ ছাড়তে চাই না। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র