Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জুলাই থেকে ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট

জুলাই থেকে ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল সরকার। আসছে জুলাই থেকে ১০ বছর মেয়াদী ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট দেওয়া হবে। এজন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

জাতীয় সংসদ ভবনে বুধবার (১৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলোকে পাসপোর্ট ইস্যু ও নবায়ন কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া ২০২০ সালের ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গঠিত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কমিটির সিদ্ধান্তগুলো স্থায়ী কমিটিকে জানানো এবং গৃহীত কর্মসূচিগুলো চূড়ান্ত করে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য সাব-কমিটি গঠন এবং সম্ভাব্য বাজেট প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনকালে সব মিশনের সামনে দৃষ্টিনন্দন ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে সাজিয়ে বছরব্যাপী উৎসবের আবহ ধরে রাখার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটি সদস্য নাহিম রাজ্জাক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ই-পাসপোর্ট এই জুলাই থেকেই চালু হচ্ছে। তাতে মানুষের হয়রানি কমে যাবে। তাছাড়া বিদেশি মিশন নিয়ে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রচারিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে মন্ত্রণালয়কে সত্য ঘটনা জানাতে কথা বলা হয়েছে।

বৈঠকে তিউনেশিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অবৈধভাবে বিদেশে যাওয়ার সময় নিহত বাংলাদেশিদের জন্য শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়। সেই সঙ্গে যেসব দালাল চক্র মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে এবং সংশ্লিষ্ট মিশনগুলোকে আহত ও নিহতদের সহযোগিতা করতে সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া বিদেশে বাংলাদেশি মিশন ও মন্ত্রণালয় সম্পর্কে গণমাধ্যমে কোনো নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক জবাব দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মো. আব্দুল মজিদ খান, নাহিম রাজ্জাক এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহবুবুজ্জামান, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের কবরের পাশে জায়গা চাইলেন রওশন

এরশাদের কবরের পাশে জায়গা চাইলেন রওশন
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও রওশন এরশাদ

রংপুরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফনের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো- চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। একই সঙ্গে রংপুরের পল্লী নিবাসে স্বামী এরশাদের কবরের পাশে নিজের কবরের জন্য জায়গাও চেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে এক বিবৃতি এ ইচ্ছের কথা জানান সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ।

এরশাদের দাফন প্রশ্নে রংপুরবাসীর আবেগকে সম্মান জানিয়ে তিনি রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন। তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার সঙ্গে ফোনে কথা বলে তার সম্মতির কথা জানান।

বিবৃতিতে রওশন বলেন, তার মৃত্যুতে আপনারা যে অভাবনীয় শ্রদ্ধা সম্মান ও সহানুভুতি প্রকাশ করেছেন। তার জন্য আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। প্রিয় দেশবাসী, বিশেষত তার প্রাণপ্রিয় রংপুবাসীর আবেগ ও ভালোবাসায় সম্মানার্থে তাকে রংপুরের মাটিতে সমাধিস্থ করার বিষয়ে আমি,ও আমার পরিবার সম্মতি প্রদান করছি। সেই সঙ্গে পল্লী নিবাসে এরশাদের কবরের পাশে নিজের জন্য জায়গা চাইছি।

 

খুলনায় গণধর্ষণের পর বাবাসহ হত্যা, ৫ আসামির ফাঁসি

খুলনায় গণধর্ষণের পর বাবাসহ হত্যা, ৫ আসামির ফাঁসি
এক্সিম ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানা ও তার বৃদ্ধ বাবা, ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় এক্সিম ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানাকে গণধর্ষনের পর তার বাবা ইলিয়াছ আলীকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে খুলনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ৩নং ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মহিদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে এ মামলাটি পরিচালনা করছেন স্পেশাল পিপি এড. ফরিদ আহমেদ। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষকে সহায়তার জন্য ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার পক্ষে এড. কাজী সাব্বির আহমেদ, এড. মোমিনুল ইসলাম, এড. তসলিমা খাতুন, এড. কুদরত ই খুদা।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, খুলনা নগরীর লবণচরা থানাধীন বুড়ো মৌলভীর দরগা রোডের বাসিন্দা শেখ আব্দুল জলিলের ছেলে সাইফুল ইসলাম পিটিল (৩০), তার ভাই মো. শরিফুল (২৭), মো. আবুল কালামের ছেলে মো. লিটন (২৮), অহিদুল ইসলামের ছেলে আবু সাইদ (২৫) ও মৃত সেকেন্দারের ছেলে মো. আজিজুর রহমান পলাশ (২৬)। এদের মধ্যে শরিফুল ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563268750618.JPG
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টফোর.কম

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের মামলায় ২২ জন ও গণধর্ষনের মামলায় ২৮ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। আসামিদের মধ্যে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ২ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে লোমহর্ষক এ হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা রয়েছে। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ৩নং ট্রাইব্যুনালে মামলাটির যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) শুরু হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ৫ জনের মধ্যে ৪ জন গ্রেফতার হয়।

এছাড়াও গ্রেফতার করা হয় পিটিলের স্ত্রী আসমা খাতুন, নোয়াব আলি গাজী ও আসলাম মিস্ত্রি নামের একজন সন্দেহভাজনকে। তাদের মধ্যে লিটন ও সাঈদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উঠে আসে লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।

তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিতে বলে, ‘ব্যাংক কর্মকর্তা পারভীন অফিসে আসা-যাওয়ার পথে আসামিরা কু-প্রস্তাবসহ নানাভাবে যৌন হয়রানি করতেন। এর প্রতিবাদ করায় ঘটনার দিন রাতে বাড়ির দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে ৫ আসামি। এরপর অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পারভীনের বাবাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পাশের রুমে থাকা পারভীনকে ৫ জন মিলে গণধর্ষণের পর হত্যা করে সেফটি ট্যাংকির মধ্যে বাবা ও মেয়ের মরদেহ ফেলে দেয়। পরে ঘরে লুটতরাজ চালিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563268830192.JPG
আসামিদের কারাগারে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা যায়, কর্মস্থলে যাওয়া-আসার পথে এক্সিম ব্যাংক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানাকে উত্যক্ত করতেন এলাকার কয়েকজন বখাটে সন্ত্রাসী। তাদের উত্যক্তের প্রতিবাদের কারণে ব্যাংক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানাকে গণধর্ষনসহ হত্যা ও তার পিতা ইলিয়াস চৌধুরীকেসহ হত্যা করা হয়। নগরীর লবণচরা থানাধিন ব্যুরো মৌলভীর দরগা এলাকার ৩নং গলির ঢাকাইয়া হাউজ এ.পি ভিলা নামের বাড়িতে ২০১৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নৃশংস এ খুনের ঘটনা ঘটে। বাবা- ও মেয়েকে হত্যার পর বাড়ির ভেতরে সেফটি ট্যাংকির মধ্যে লাশ ফেলে দেয় খুনিরা। পরে তারা ওই ঘরের টাকা পয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় লবনচরা থানায় পারভীন সুলতানার ভাই রেজাউল আলম চৌধুরী বিপ্লব বাদী হয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা দায়ের করেন। পারভীন সুলতানাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে ২২ সেপ্টেম্বর আরও মামলা দায়ের হয়। ২০১৬ সালের ৯ মে হত্যাকাণ্ডের ও একই বছরের ২৪ মার্চ গনধর্ষণের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মোঃ কাজী বাবুল ওই ৫ জনকে অভিযুক্ত করে খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র