Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ধানের দাম কম

চাল রফতানিতেই সমাধান খুঁজছে সরকার

চাল রফতানিতেই সমাধান খুঁজছে সরকার
ধানের দাম বাড়াতে চাল রফতানির চিন্তা করছে সরকার/ ছবি: সংগৃহীত
ইসমাঈল হোসাইন রাসেল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার ৩৬ টাকা কেজি দরে চাল কিনলেও প্রভাবশালী, মিলার ও সরকারি কর্মকর্তাদের কারণে ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না কৃষকরা। খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ধান কেনা শুরু করলেও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌড়াত্ম্যে বাজারে সৃষ্টি হয়েছে নতুন সংকট। চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বোরো আবাদ বেশি হওয়ায় কিছুতেই বাড়ছে না ধানের দাম। এক্ষেত্রে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত চাল বিদেশে রফতানি করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

বোরা মৌসুমের ৫০ ভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে। কিন্তু ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে কৃষকদের। এবার প্রতি মণ ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ হয়েছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। কিন্তু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। ফলে প্রতি মণে কৃষকের লোকসান ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তবে ধানের দাম ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা হলেও বাজারে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১৬০০ থেকে দুই হাজার টাকায়। ফলে প্রতি মণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দখলে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৪৫০ টাকা।

অভিযোগ রয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে ধানের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার কারণে অনেক এলাকায় ধান পড়ে গেছে। সেই সঙ্কট শেষ হতে এখন মধ্যস্বত্বভোগীদের কবলে পড়ছেন কৃষকরা। বরাবরই কৃষকদের কাছ থেকে না কিনে মিল মালিকদের কাছ থেকে ধান কিনে সরকার। ফলে মধ্যস্বত্বভোগীরা সংকট সৃষ্টি করার সুযোগ পায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/15/1557934323946.png

তবে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তারা চাল রফতানির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (ডিএই) তথ্যমতে, চলতি বোরো মৌসুমে ৪৮ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে আট লাখ ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে হাইব্রিড, ৩৯ লাখ ৬০ হাজার হেক্টরে উফশী ও ৩২ হাজার হেক্টরে স্থানীয় জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে।

বোরো আবাদে শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী, ময়মনসিংহ, রংপুর, যশোর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল। আর ধান কাটায় এগিয়ে রয়েছে হাওড় অঞ্চলের জেলাগুলো। হাওড় অঞ্চলের সাত জেলায় প্রায় শতভাগ জমির ধান ঘরে তোলা হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। তবে পিছিয়ে রয়েছে উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা ও রাজধানীর আশপাশ, বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা অঞ্চল।

এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘সরকার ৩৬ টাকা দিয়ে চাল কিনলেও কৃষক সেটা পাচ্ছে না। খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে হাওড় এলাকা থেকে ধান কিনেছে। ধানের উৎপাদন বেশি হওয়ায় সরকারের ক্রয় অভিযান এবার কাজে আসবে না।’

চাল রফতানির পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত উৎপাদন, ঘোষণা দিয়েও যথাসময়ে সরকার ধান সংগ্রহ না করাসহ নানা কারণে উৎপাদন মূ্ল্যের চেয়েও বাজারে ধানের দাম কম। এখন চাল রফতানি করা ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।’ কৃষকদের স্বার্থে ধানের পরিবর্তে বিকল্প শস্য উৎপাদনেরও পরিকল্পনার কথা জানান কৃষিমন্ত্রী।

এদিকে সিরাজগঞ্জে ধান ও চাল ক্রয় উদ্বোধন শেষে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশে উৎপাদিত চাল বিদেশে রফতানি করার পরিকল্পনা করছে সরকার।’

তিনি বলেছেন, ‘সরকারিভাবে ধান ও চাল কেনার কারণে যেন বাজারে তার প্রভাব পড়ে। ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো রকম অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। মধ্যস্বত্বভোগীরা যেন ফায়দা লুটতে না পারে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।’

কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় ধান পেকে গেছে। অনেক জায়গায় রাত-দিন পরিশ্রম করে ধানকাটা হচ্ছে। আবার কোথাও শ্রমিক সঙ্কটের কারণে থেমে আছে। শ্রমিক সঙ্কটে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরিও। এক মণ ধান বিক্রি করেও একজন শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করা যাচ্ছে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/15/1557934354040.jpg

ধান কাটার যন্ত্র দিয়ে ১০০ শ্রমিকের কাজ করা যায়। এক্ষেত্রে সেই মেশিনটি কিনতে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে। তবে সেই ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ানো গেলে সমস্যা অনেকটাই সমাধান হবে। কৃষকদের ভর্তুকি যদি একটু বাড়ানো যায় অর্থাৎ সার, বীজ, সেচের ক্ষেত্রে ভর্তুকি বাড়াতে পারলে উৎপাদন খরচ কমে আসবে।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের কৃষক আবু কালাম বার্তা২৪.কমকে জানান, এ বছর প্রতি বিঘা বোরো ধান আবাদ করতে সেচ খরচ চার হাজার টাকা, সার খরচ চার হাজার, পরিচর্যা তিন হাজার, ধান কেটে ঘরে তুলতে শ্রমিক খরচ পাঁচ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে এক বিঘায় ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর ৩০ মণ ধান বাজারে বিক্রি করে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।

খাদ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, বোরো মৌসুমে ১২ লাখ ৫০ হাজার টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১০ লাখ টন সেদ্ধ ও দেড় লাখ টন আতপ চাল। এছাড়া ধান সংগ্রহ করা হবে দেড় লাখ টন (এক লাখ টন চালের সমপরিমাণ)। প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহমূল্য ধরা হয়েছে ২৬ টাকা। প্রতি কেজি সেদ্ধ চাল ৩৬ ও আতপ চালের সংগ্রহ মূল্য ৩৫ টাকা ধরা হয়েছে। গত ২৫ এপ্রিল শুরু হওয়া ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

আপনার মতামত লিখুন :

শাহজালালে পায়ুপথে ১ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২

শাহজালালে পায়ুপথে ১ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২
আটককৃত দুইজন, ছবি: সংগৃহীত

 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক নারীসসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. সাইফুল (২৮) ও মোছা. মুন্নি (২৭)।

রোববার (২১ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন্স অ্যান্ড মিডিয়া) আলমগীর হোসেন।

আলমগীর হোসেন বলেন, 'সাড়ে ৫ টার দিকে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বহিরাঙ্গন থেকে আটক করা হয় সাইফুলকে। সে সেখানে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিল। পরবর্তীতে সেখানে আসে মোছা. মুন্নি। তাদের সঙ্গে কথা বললে পুলিশ সদস্যদের বিভ্রান্তিকর ও সন্দেহজনক তথ্য দেয়।'

তিনি বলেন, 'পরবর্তীতে দুজনকে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের হেফাজতে নিয়ে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল তার কাছে ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে দেহ তল্লাশি করে সাইফুলের পায়ুপথ থেকে এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মুন্নির কাছ থেকে ৯৬ হাজার ৯০০ টাকা পাওয়া যায়।'

জিজ্ঞাসাবাদে মুন্নি মাদক কেনার জন্য এই টাকা এনেছিল বলে স্বীকার করে। আটককৃত ইয়াবার বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

তাদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

৪৫ হাজার প্লেনের টিকিট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পকেটে!

৪৫ হাজার প্লেনের টিকিট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পকেটে!
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ছবি: সংগৃহীত

সর্ষে ভেতর ভুত-এর মতো কাণ্ড ঘটিয়েছে বিমান বাংলাদেশ। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের পকেটে পুরেছে ৪৫ হাজার প্লেনের টিকিট। এই টিকিটের কোনটি শতভাগ কনসেশনে নেয়া আবার কোনটি ৯০ ভাগ কনসেশনে। গত ১০ বছরের এভাবে ৪৫ হাজার টিকিট নিজেদের পকেটে পুরেছেন বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এসব টিকিটের মধ্যে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটেও রয়েছে। যে কারণে বিমান প্রতি বছরই লোকসানের বিত্তের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে উপস্থাপিত কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। রোববার (২১ জুলাই) সংসদ ভবনে কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত কার্য বিবরণী উপস্থাপন করা হয়।

উত্থাপিত কার্যবিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা গেছে বিমানের অর্থ পরিদপ্তর, উচ্চ পদস্থ থেকে কনিষ্ঠ কর্মকর্তা সবাই এ সুবিধা নিয়েছেন। একই ভাবে প্রকিউরমেন্ট এন্ড লজিস্টিক সাপোর্ট পরিদপ্তরের পরিচালক মমিনুল ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ নামের পাশাপাশি স্ত্রী-পরিজনদের নামেও নিয়েছেন একাধিক টিকিট। তিনি এবং তার পরিবার মিলে একাই সুবিধা নিয়েছেন ১০ বছরে ৪৬ টিকিট। এর কোনটিতে শতভাগ কমিশন, কোনটিতে ৯০ ভাগ। একই ভাবে, প্রকিউরমেন্ট এবং লজিস্টিক শাখার উপ-ব্যবস্থাপকও কম যাননি। তিনি এবং তার পরিবারের নামে নিয়েছেন ১১ টি টিকিট।  আর ওই বিভাগের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো সরোয়ার হোসেন নিয়েছেন ১৩ টি টিকিট। এসব টিকিটের কোনটি শতভাগ কমিশন সুবিধা নিয়েছেন।

সিনিয়র সাইন রাইটার মোহাম্মদ মহসীন নিয়েছেন ২২টি টিকিট। নিজ, স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে এ তালিকায়। সব টিকিট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার। সহব্যবস্থাপক প্রকিউরমেন্ট স্বপন কুমার দে তিনি অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে নিজে এবং পরিবার-পরিজনের নামে কমিশনে টিকিট নিয়েছেন ৬৮ টি। তার প্রতিটি টিকিট কমিশনের পরিমাণ শতভাগ।

সহব্যবস্থাপক মোঃ নুরুজ্জামান ১২ টি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রোকসানা আক্তার ১৮ টি, প্রশাসনিক সহকারী দিলরুবা আফরোজা  নিজ, স্বামী, ছেলে-মেয়ে এবং পিতা-মাতার নামে নিয়েছেন ২৬ টি ওয়ানওয়ে টিকিট। আবুল হাসেম ১৭ টি, একেএম শাহফুজুর রহমান ১৪ টি, মানিকুর রহমান ২ টি, লামিয়া শারমিন একাই নিয়েছেন ৫০ টি। নিজাম উদ্দিন ৮ টি, ফকির আবদুল হালিম ৮ টি, আবদুল খালেক ১৪ টি, আলমগীর কবির ১৮ টি, আবু তালেব ১৭ টি, গোলাম রসুল ১ টি, ইষ্টার হালদার ২২ টি, সাইফ উদ্দিন ১৬ টি, আবদুর রশীফ ১৩ টি, ফরহাদুর রেজা ১৮ টি, মাছুদুল আলম খান ৬ টি, শরীফুল ইসলাম ১৩ টি, শরিফ হাসান ১৩ টি, হাবিবা মির্জা ২০ টি, নেছার আলী গাজী ৪৬ টি, জাহাঙ্গীর আলম তোকদার ২০ টি, রবিউল ইসলাম ২০ টি, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ৪ টি এবং মতিউর রহমান ৪ টি। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই প্রকিউরমেন্ট ও লজিস্টিক পরিদপ্তরের কর্মরত ছিলেন।

প্রশাসন পরিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কেউ নিয়েছেন একাই ২৯ টি টিকিট, কেউ ২০ টি,  কেউ ১৮ টি। এর মধ্যে মো আল মাসুদ খান ও কামাল হোসেন ১৮ টি করে টিকিটি নিয়েছেন। ফখরুল আলম চৌধুরী নিয়েছেন ২৯ টি। যার প্রত্যেকটি টিকিটে কমিশন ধরা হয়েছে ৯৫ শতাংশ।  এ শাখার ৪২ জন কর্মকর্তার সবাই ৯০ থেকে ১০০ ভাগ কমিশন নিয়েছেন টিকিট প্রতি। আন্তর্জাতিক পরিভ্রমণে এ জেড এম আরিফ সহকারি ব্যবস্থাপক ও সংগঠন ও পদ্ধতি এ কর্মকর্তা ভারত সফরে ২০১২ ও ১৪ সালেই ২টি টিকিট নিয়েছেন। প্রতিটিতে ৯০ শতাংশ কমিশন নেন।  আইটি ডিভিশনের উপ-ব্যবস্থাপক সৈয়দ মোস্তাক হোসেন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রুটে নিজ পরিবারের নামে ৩৩ টি টিকিট নিয়েছেন। প্রতিটি টিকিটে কমিশন ৮৫-৯০ শতাংশ।

আর আরিফুল হাসান সাধন  (সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট) নিয়েছেন ৮৭ টি টিকিট। সব নিজ ছেলে-মেয়ে এবং পিতা-মাতাসহ আত্মীয় পরিজনের নামে। তিনিও ৯০ থেকে ১০০ ভাগ কমিশন নিয়েছেন প্রতিটি টিকেটের জন্য। তার পুরো পরিবার গত ১০ বছরে দেশের ভিতরে বিমানে ছাড়া অন্যকোনো যানবাহন ব্যবহার করেনি। নার্গিস আক্তার নিয়েছেন ৪৩টি টিকিট। সব টিকিটে পরিবার পরিজনের সুবিধা নিয়েছেন। এখানেও কমিশন পেয়েছেন ৮৫-থেকে ১০০ ভাগ।

এভাবে গত ১০ বছরে বিমানে কর্মকর্তা সব বিভাগ কমিশনে টিকিট গ্রহণ করেছেন। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে কয়েকশ কোটি টাকা। আগামীতে এসব কমিশন বাণিজ্য বন্ধ করতে বিমান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি মন্ত্রণালয়য়ে সুপারিশ জানিয়েছে।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, কি হয়েছে সেটা আমরা বলতে পারব না। আমরা মন্ত্রণালয়কে বলেছি কি ব্যবস্থা নিয়েছেন। তাছাড়া কে কিভাবে নিয়েছে সেটা দেখার দায়িত্ব আমাদের না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র