Alexa

ট্রেনের টিকিট বিক্রির পদ্ধতি পরিবর্তনে স্বস্তিতে যাত্রীরা

ট্রেনের টিকিট বিক্রির পদ্ধতি পরিবর্তনে স্বস্তিতে যাত্রীরা

কমলাপুর রেলস্টেশন / ছবি: বার্তা২৪

ঈদের ছুটি উপলক্ষে কিছুদিন পরই শুরু হবে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। প্রতি বছর নাড়ির টানে বাস, লঞ্চ বা ট্রেনে করে বাড়ি ফেরেন রাজধানীর মানুষ। যার মধ্যে যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করেন ট্রেনে। এ জন্য অগ্রিম টিকিট বিক্রি সংগ্রহের জন্য কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

কিন্তু এবার টিকিট বিক্রির পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আর তাতেই স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে। তাদের আশা, এবার অন্তত টিকিট নিতে এসে দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করতে হবে না।

সাধারণ যাত্রীদের প্রত্যাশা, প্রতি বছরের ন্যায় এবার টিকিট কালোবাজারি হবে না। সহজেই পাওয়া যাবে বাড়ি ফেরার টিকিট। মঙ্গলবার রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে যাত্রীরা বার্তা২৪.কম-এর কাছে এমন প্রত্যাশার কথা শোনান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/16/1557976075694.jpg

এবার ঈদের অগ্রিম টিকিট আগামী ২২ মে থেকে বিক্রি শুরু করবে রেল কর্তৃপক্ষ। ৫০ শতাংশ টিকিট রাজধানীর মোট পাঁচটি জায়গায় বিক্রি করা হবে। সেগুলো হলো- কমলাপুর, বিমানবন্দর, বনানী, তেজগাঁও স্টেশন ও ফুলবাড়িয়ার পুরাতন রেলভবনে। আর বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট ও অ্যাপসের মাধ্যমে বাকি ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হবে। ফলে যাত্রীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তাদের প্রত্যাশা এবার বেশি সময় লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হবে না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্বর্নালী আক্তার স্বর্ণা ঢাকার একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। তিনি গত বছর টিকিট কাটার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ভোর ৬টায় টিকিট নিতে গেলেও সেটা পেয়েছিলাম সন্ধ্যায়। লাইনটা কত বড় ছিল তাহলে চিন্তা করুন। কিন্তু টিকিট পেয়েছিলাম। লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা খুবই বিরক্তিকর। আর নারীদের জন্য সেটা আরও বেশি কষ্টকর।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাহলে সেটা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু এর বেশি হয়ে গেলে সেটা হতাশাজনক। আশা করি এবার টিকিট বিক্রির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হবে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/16/1557976097048.jpg

টিকিট বিক্রির পদ্ধতিগত পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে হাসানুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এবার পাঁচটি স্থান থেকে টিকিট বিক্রি করা হবে। ফলে আগের মতো লাইন দীর্ঘ হবে না। উদ্যোগটা অনেক ভালো।’

ঢাকায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে কাজ করেন টাঙ্গাইলের নাজমুল ইসলাম। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমাদের দেশে চাহিদা অনুযায়ী ট্রেনের সংখ্যা কম। ট্রেনে যাতায়ত অনেক নিরাপদ। কিন্তু ট্রেন কম থাকায় ঈদের আগে টিকিট সংকট দেখা দেয়। ট্রেন যদি আরও বাড়ানো হয় এবং ট্রেনের গতি বাড়ানো হয় তাহলে আমরা সহজেই বাড়ি যেতে পারব। এছাড়া যাতে সিন্ডিকেট সক্রিয় হতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :