Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ধানের দাম কম হওয়ায় দুশ্চিন্তায় সরকার: কৃষিমন্ত্রী

ধানের দাম কম হওয়ায় দুশ্চিন্তায় সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, পুরনো ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ধানের দাম কম হওয়ায় সরকার দুশ্চিন্তায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি জানিয়েছেন, ধানের দাম কম, এই সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিকভাবে চাল রফতানির চিন্তা করা হচ্ছে। প্রথম অবস্থায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মেট্রিক টন চাল রফতানির চিন্তা করছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষে চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জুয়ার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ‍তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা বলি মায়ের মুখে সোনালি ধানের শীষের হাসি। কিন্তু সেই ধানই যে আমাদের জন্য এতোটা বিড়ম্বনার কারণ হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমরা কৃষকদের বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়েছি। সারের দাম কমানো, উপকরণের দাম কমানো, ঋণ ও বীজ দিয়ে সহযোগিতা করেছি। ফলে ভালো ফলন এসেছে। ভালো ফলন আমাদের সফলতা। এখন এটাকে কীভাবে বাণিজ্যিকীকরণ করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে। প্রক্রিয়াজাতকরণ করে আমাদের এসব অতিরিক্ত উৎপাদনকে কাজে লাগাতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, এখন সমস্যা হচ্ছে শ্রমিকের খরচ বেড়ে গেছে। এটা ভালো যে, শ্রমিকের আজ ঘাটতি। শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু এটা চাষির জন্য দুঃসংবাদও বটে। কারণ তারা লোক পাচ্ছেন না। কৃষক রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ধান উৎপাদন করেছে, কিন্তু সেই ধান লেবারের অভাবে ঘড়ে নিতে পারছে না। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলাপ করেছি, আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছি। এটা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করছি, কী কী পদক্ষেপ নিলে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারি এবং চাষির মুখে হাসি ফোটাতে পারি।

কৃষিমন্ত্রী
চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী

 

রোহিঙ্গাদের অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমনিতেই ঘনবসতির দেশ। আমরা আমাদের নানা সমস্যা এখনও মোকাবেলা করছি। সেখানে ১০ লাখ রোহিঙ্গাদের অবস্থান করার আমাদের জন্য একটি বিরাট বোঝা। এই সমস্যা সমাধানের আপনাদের আমরা সহযোগিতা চাই। আমরা আন্তরিকভাবে চাই রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরে যাক; তবে নিরাপদ এবং সম্মানের সঙ্গে যাক। এ বিষয়ে তারা আমাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে চেয়েছে। 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার বর্তমানে কৃষকদের সমস্যা সমাধানকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ৫০০ টাকা ধানের মণ, আর প্রতি মণ ধান ফলাতে সারে ৭০০ টাকা খরচ; এটা নিয়েই আমরা কাজ করেছি। এখন সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ মেট্রিক টন চাল রফতানির চিন্তা করছে। এতে ধানের দাম একটু বেশি হবে এবং কৃষকেরা লাভের মুখ দেখবেন।

রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা যাচ্ছে না বলেও জানান মন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন :

জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়ায় অবরুদ্ধ একটি পরিবার

জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়ায় অবরুদ্ধ একটি পরিবার
জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়া অবরুদ্ধ পরিবার

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ী গ্রামে জামির তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি থানার ওসিকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। শনিবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে নিজের বসতভিটায় বসবাস করছেন তিনি। তার বসতভিটায় প্রায় ৩০ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ শতক নিজের কেনা জমি এবং পাঁচ শতক মায়ের পাওয়া জমি। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার কামারগ্রামে পৈত্রিক ভিটায় বসবাস করার জন্য তিনি লোহাগড়ার জমি তিন ভাইয়ের কাছে বিক্রি করেছেন। ভূমি অফিসে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাচাই শেষে গত ৩১ জুলাই ওই জমি লোহাগড়ায় রেজিস্ট্রি হয়। এছাড়া গত ৮ আগস্ট বিলের প্রায় ২১ শতক জমি তরিকুলের প্রতিবেশী শিমুল মোল্যার কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু জমি বেচাকেনার বিষয়টি তরিকুলের মামা পাশের ঝিকড়া গ্রামের হাফিজার রহমান জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566090538315.jpg

এ ঘটনায় হাফিজার শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে হঠাৎ তরিকুলের ঘরের তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেন। এতে জমির ক্রেতাদের জমিতে আসতে দিবেন না বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘মায়ের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর ধরে কুচিয়াবাড়ির জমিতে বসবাস করছি। আর বাবা আছেন ফরিদপুরের বাড়িতে। তিনি মাঝে-মধ্যে আমাদের খোঁজখবর নেন। এখন নিজের বাড়ি ফরিদপুরের কামারগ্রামে বসবাস করার উদ্দেশ্যে এখানকার (কুচিয়াবাড়ী) জমি বিক্রি করেছি। অথচ আমার মামা ঝিকড়া গ্রামের হাফিজুর রহমান আমাদের পরিবারকে বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছে না। ঘরের তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। এ কারণে ঘরের মালামাল নিয়ে ফরিদপুরে যেতে পারছি না, যেন বন্দিশালার মধ্যে আছি।’

তরিকুলের মা স্বরুপজান বলেন, ‘আমি এবং আমার ছেলে, বেটার বউ ও দুই পুতনি (ছেলের মেয়ে) ঘর থেকে বের হতে পারছি না। বৈধ জমি বিক্রির পরও আমরা হুমকির মধ্যে আছি।’

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান বলেন, ‘পৈতৃকসূত্রে ওই জমিতে আমার অংশ রয়েছে। তাই আমি বেড়া দিয়েছি।’

এদিকে, বিষয়টি জানার পরও শনিবার বিকেল পর্যন্ত পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী তরিকুলের পরিবার।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকাররম হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।’

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, ছবি:; বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পবিত্র ঈদুল আজহা পালন শেষে রাজধানী শহর ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ছাড়ছেন কয়েক লাখ মানুষ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বরিশাল নৌবন্দরে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দুপুর থেকেই বরিশালের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা লঞ্চ যাত্রীরা ভিড় করছে নোঙর করা লঞ্চগুলোতে।

বিকেল শেষ না হতেই লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে প্রথম শ্রেণীর কেবিনের বারান্দার কানায় কানায়ও পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যার কারণে, বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশে নৌ দুর্ঘটনা ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই অপরাধ এড়াতে অন্যান্য দিনের চাইতে ২/১ ঘণ্টা আগেই বরিশাল লঞ্চঘাট ছাড়ে কয়েকটি বিলাসবহুল লঞ্চ।

গত শুক্রবারও ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ওই দিনেও নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগেই বরিশাল নদীবন্দর ছেড়েছিল ঢাকাগামী বিলাশ বহুল কয়েকটি লঞ্চ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566075739275.JPG

বিআইডব্লিউটিএ’র বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কোরবানির ছুটি শেষে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগ দিতে বরিশাল ছাড়ছে কয়েক লাখ মানুষ। কোরবানির দ্বিতীয় দিন থেকে ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চযোগে বরিশাল নৌ বন্দর থেকে যাচ্ছে লঞ্চযাত্রীরা। তবে কয়েকদিনের চেয়ে শুক্রবার ও শনিবার যাত্রী চাপ অনেকটা বেশি ছিল।

তিনি আরেও জানান, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নিয়ে বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে কোনো লঞ্চই ছাড়তে দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে লোড লাইন দেখে নির্ধারিত সময়ের আগেই লঞ্চগুলোকে ঘাট ত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করতে নিষেধ করা হচ্ছে। একই সাথে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে সরকারি জাহাজগুলোতেও। লঞ্চযাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য গত ৮ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে স্পেশাল লঞ্চ সার্ভিস। থাকছে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। এর আওতায় পাঁচটি সরকারি জাহাজসহ ব্যক্তি মালিকানা ২০টি বিলাসবহুল লঞ্চ যাতায়াত করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র