Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শেখ হাসিনা দেশের জন্য আশীর্বাদ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ হাসিনা দেশের জন্য আশীর্বাদ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু একাডেমীর আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ। তাকে রক্ষা করতে হবে। দুষ্ট লোকের অভাব নেই। তারা সব সময় শেখ হাসিনার ক্ষতির চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনাকে পাহারা দিয়ে তাকে রক্ষা করতে হবে।'

শেখ হাসিনার ৩৮তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। যারা জনতার বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের শাস্তির নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

আবদুল মোমেন বলেন, শেখ হাসিনা যদি টিকে থাকেন তাহলে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে। ২০২১ সালে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশ, ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়নের সব লক্ষ্যমাত্রা এবং ২০৪১ সালে সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ হাসিনা দীর্ঘ ছয় বছর প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন। তাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করার পর তিনি বাংলাদেশে ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রত্যাবর্তন করেন। তার প্রত্যাবর্তনে ভঙ্গুর আওয়ামী লীগ আবার শক্তিশালী হয়ে ওঠে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দলকে তিনি পরপর চারবার ক্ষমতায় আনেন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি আইনের মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচার করেন। এভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ দেশের মানুষ যাতে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে সেজন্য বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন।’

বঙ্গবন্ধু একাডেমীর সহ-সভাপতি শেখ ইকবাল খোকনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী, ড. সিদ্দিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, এম এ করিম প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস
ছবি: বার্তা২৪.কম

বেনাপোল-ঢাকা রেল রুটে বিরতিহীন বেনাপোল এক্সপ্রেস উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেনাপোল এক্সপ্রেসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। একইদিন প্রধানমন্ত্রী বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সেবা চাপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিতকরণের উদ্বোধনও করবেন বলে জানা গেছে।

বেনাপোলে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো: সামসুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এদিকে রাতে বেনাপোল স্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত উৎসুক মানুষের ভিড় সেখানে। ইতিমধ্যে বিক্রি শুরু হয়েছে এ রুটের টিকিট। যাত্রীদের নিরাপত্তায় স্টেশন এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করতে দেখা গেছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, উদ্বোধনের পর ট্রেনটি দুপুর দেড়টায় বেনাপোল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। আবার রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। ট্রেনটি প্রতিদিন বেনাপোল স্টেশন থেকে ছেড়ে যশোর, ঈশ্বরদী জংশন ও ঢাকা বিমানবন্দরে যাত্রী ওঠানো-নামানোর জন্য সাময়িক বিরতি দিয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শেষ গন্তব্যে গিয়ে থামবে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563299477336.jpgট্রেনটিতে বগি রয়েছে ১২টি। আসন সংখ্যা ৮৯৬। ট্রেনের ভেতর এসি চেয়ারের জন্য রয়েছে একটি বগি এবং কেবিন একটি বগিতে। বেনাপোল এক্সপ্রেসের ননএসি শোভনের টিকিট ৫৩৪ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া ১০২৫ টাকা এবং কেবিনের ভাড়া হবে ১২২৮ টাকা। ট্রেনে ৪ ও ৮ সিটের কেবিন রয়েছে। সপ্তাহে ৬ দিন বিরতিহীনভাবে চলবে বেনাপোল এক্সপ্রেস।

বেনাপোল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার সাঈদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। বেনাপোল থেকে ট্রেনটি ছেড়ে অপারেশনাল স্টেশন যশোর জংশনে পৌঁছে ১৫ মিনিটের বিরতি নেবে। এ সময়ের মধ্যে রেলের ইঞ্জিন ঢাকামুখী ঘোরানো হবে। এরপর ঈশ্বরদী গিয়ে ট্রেনের চালকসহ অপারেশনাল কর্মী বদলের জন্য আরও ১৫ মিনিটের বিরতি থাকবে। পরে ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে শেষ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। তবে এর আগে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে কিছুক্ষণের জন্য ট্রেনটি থামানো হবে।

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল
পুরনো ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশ হবে। এদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়া এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে।

এর আগে ফলাফলের অনুলিপি সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। উপস্থিত থাকবেন সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

মোবাইল এসএমএস-এ যেভাবে ফল জানা যাবে

এক্ষেত্রে যেকোনো অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে  তারপর HSC লেখে, আপনি যেই বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর, পরীক্ষার সাল লেখে Send করুন 16222 নম্বরে। প্রতি এসএমএস (SMS) এ ২ টাকা ৩০ পয়সা করে কাটা হবে।

উদাহরণ: HSC Dha XXXXXX 2019 send to 16222

বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের কোড নাম

Board First 3 letters
Dhaka Board DHA
Barisal Board BAR
Sylhet Board SYL
 Comilla Board COM
Chittagong Board CHI
Rajshahi Board RAJ
Jessore Board JES
Dinajpur Board DIN
 Madrasah Board MAD
Technical Board TEC

 

এসএমএস ছাড়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন (http://www.educationboard.gov.bd/)।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল জানতে এই ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) 'রেজাল্ট' কর্নারে ক্লিক করে ইআইআইএন নম্বর এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠনভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমেইলে কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাঠানো হবে। ডিসি অফিস ও ইউএনও কার্যালয় থেকে ফলের হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাবে।

আলিম পরীক্ষার্থীরা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.bmeb.gov.bd) প্রবেশ করে আলিম পরীক্ষার জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র