Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

উদ্ভাবনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ: মোস্তাফা জব্বার

উদ্ভাবনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ: মোস্তাফা জব্বার
‘আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ছবি:বার্তা২৪
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
সাভার (ঢাকা)


  • Font increase
  • Font Decrease

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আমরা কখনো ভাবিনি আমরা উদ্ভাবন করব। আমরা উদ্ভাবন অন্যের কাছে দেব। সে তার দেশে বাজারজাত করবে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ এই প্রথে যাত্রা করেছে। পথটি হলো আমাদের উদ্ভাবন অন্য দেশে বাজারজাত করব এবং আমরাই পৃথিবীতে নেতৃত্ব দেব।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় সাভারের শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন কেন্দ্র স্টুডেন্ট স্টার্টআপ ‘আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, আমাদের মত দেশ প্রথম শিল্প বিপ্লবে অংশ নিতে পারেনি, দ্বিতীয়টাতে পারেনি, তৃতীয়টাতেও পারে নাই। সেই দেশ পৃথিবীতে প্রথম নিজেকে ডিজিটাল করার ঘোষণা দিয়েছে। এখন যদি কেউ আমাদের বলে আমরা ডিজিটাল বিপ্লব করতে যাচ্ছি। তাহলে আমাদের তাদের স্বরণ করিয়ে দিতে হবে যে আমাদের কাছ থেকে শব্দ ধার করে চলতে হয়েছে। কারণ আমরা ২০০৮ এ ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করেছি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০০৯ এ বিট্রেনকে ডিজিটাল বিট্রেন ঘোষণা করা হয়েছে। আর জার্মানির মত দেশ ২০০৯ সাল থেকে চেষ্টা করে ২০১২ সাল পর্যন্ত কাটিয়েছে শুধুমাত্র ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন কি জিনিস এটা খুজে বের করার জন্য। ভারত বের করেছে ২০১৪ সালে।

অতএব সামগ্রিকভাবে যদি নেতৃত্ব খুঁজতে হয় তাহলে ছোট দেশ হই আর গরিব দেশ হই বাংলদেশ তো ডিজিটাল বিপ্লবের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এটা আরও জোরদার হচ্ছে। তার মানে হচ্ছে ভারসাম্যটা এখন আর ইউরোপ-আমেরিকার দিকে নেই।

তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সালে আমরা শুধু পারব বলছি না। মনে হয় এমন কোনো সুযোগ নেই যে সে সুযোগে আমরা পাকিস্তানকে পরাজিত করিনি। ১৯৭১ এর পরাজয়ের পরে পকিস্তান এখন প্রতিদিন বাংলাদেশের কাছে গ্লানিময় পরাজয় বরণ করছে।

এক সময় বলা হত পাকিস্তান তো বটেই ভারতের সঙ্গে তুলনা করার কোনো প্রশ্নই আসে না। আজ না কাল দেখলাম একটি ইন্টারন্যশনাল ব্যাংক জরিপ করেছে ২০৩০ সালে নাকি আমরা ভারতকেও ছাড়িয়ে যাব।

আপনার মতামত লিখুন :

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো
মিয়া সেপ্পো, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন।

জাতিসংঘের আবাসিক কার্যালয়ের (ইউএনআরসি) এক কর্মকর্তা জানান, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো কয়েকদিন ধরে অসুস্থ। তার জ্বর হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে তার ডেঙ্গু হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, চিকিৎসকের পরামর্শে মিয়া সেপ্পো এখন পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন। তিনি অফিস করছেন না। তার সুস্থ হতে কতদিন লাগবে তা জানাতে পারেননি চিকিৎসক।

নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পেলেই আইনগত ব্যবস্থা

নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পেলেই আইনগত ব্যবস্থা
ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মেয়র সাঈদ খোকন।

ঢাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, 'নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে এডিস মশার প্রজনন স্থল অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেক বেশি। তাই যেসব নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে থাকার ফলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাবে সেসব ভবনের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে'।

সোমবার( ২২ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নিতে এসে এসব কথা বলেন ডিএসসিসি মেয়র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563782288014.jpg

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, 'নির্মাণাধীন ভবন মালিক এবং কর্তৃপক্ষকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে, যাতে কাজ চলার সময় কোনভাবেই ভবনে পানি না জমে এবং এডিস মশার লার্ভা বংশ বিস্তার করতে না পারে। আমরা চিহ্নিত করছি যেসব ভবন মালিকরা নগর কর্তৃপক্ষের এ কার্যক্রমে সাড়া দিচ্ছেন না। এমন অবস্থায় নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে প্রয়োজনীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে নগর কর্তৃপক্ষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। আজ থেকে এসব মোবাইল কোর্ট চলবে যতদিন পর্যন্ত ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়'।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563782302675.jpg

মেয়র আরও বলেন, 'আমাদের ৫৭ টি ওয়ার্ডের প্রতিটি বাসায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা যাচ্ছেন।যে বাসায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে তা ধ্বংস করে পরিষ্কার করে দিয়ে আসছেন এবং ভবিষ্যতের এডিস মশার লার্ভা যেন জন্মাতে না পারে সে জন্য বাসিন্দাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে'।

মেয়র বলেন, ’আমাদের টার্গেট আছে ১৫ দিনের মধ্যে ২৫ হাজার বাসা এডিস মশার লার্ভা মুক্ত করব। আমাদের ৬৮ টি মেডিকেল টিম পাড়া-মহল্লায় কাজ করছে। ইতিমধ্যে ২৫ হাজারের ঊর্ধ্বে ডেঙ্গু রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। যাদের অবস্থা বেশি খারাপ তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে'।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র