Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কঠোর অবস্থানে র‍্যাব, ২৩ মে’র আগে পাকা আমে ‘না’

কঠোর অবস্থানে র‍্যাব, ২৩ মে’র আগে পাকা আমে ‘না’
রাজশাহীর আম/ ছবি: বার্তা২৪.কম
মনি আচার্য্য
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা জৈষ্ঠ্য মাস ‘মধুমাস’ হিসেবে পরিচিত। কারণ এ মাসেই পাকে আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস, লিচুসহ নানা জাতের রসালো, শাঁসালো মিষ্টি ফল। কিন্তু জৈষ্ঠ্য মাসের মধু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে ক্রেতাদের কাছে বিষে পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে আমের ক্ষেত্রে মধুর স্বাদের জায়গায় বিষের স্বাদ নিতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

কেননা এক শ্রেণির অসাধু ফল ব্যবসায়ী ও বাগান মালিক বেশি দামে বিক্রি করার আশায় অপরিপক্ব আম বাজারে আনছে কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে। যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই আম খাওয়ার কারণে নানা রকম রোগেরও সৃষ্টি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/16/1558025023152.jpg

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, বিগত বছরগুলোতে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো ও সংরক্ষণের অভিযোগে টনের টন আম নষ্ট করতে হয়েছে। তবে এসব অভিযানে বিষাক্ত আম থেকে বাজার সম্পূর্ণ রূপে মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তবে এবার আম বাজারে আসার অপেক্ষা করছে না র‍্যাব। বাজারের যেন কোনো ধরণের কেমিক্যাল যুক্ত আম না আসে সেই লক্ষ্যে সংস্থাটি নড়েচড়ে বসেছে। র‍্যাবের পাশাপাশি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরও মাঠে কাজ করছে এ ব্যাপারে। কাওরানবাজারের আম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সচেতনতামূলক আলোচনায়ও বসেছে র‍্যাব।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর এসেছে হিমসাগরসহ বেশ কয়েকটি প্রজাতির পাকা আম বাজারে এসেছে। কিন্তু এই মৌসুমে দেশের কোনো অঞ্চলের আমই পাকার কথা না কৃষি অফিসের হিসেব অনুযায়ী। তবে বৃষ্টি আগে পিছনে হওয়া সাতক্ষীরা অঞ্চলের কিছু প্রজাতির আম পাকলেও সেগুলোর রং বাজারে আসা আমগুলোর মতো হওয়ার কথা না। এছাড়া বাজারে যে রংয়ের আম এসেছে দেশের কোনো অঞ্চলের আমই এমনভাবে পাকে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/16/1558025070463.jpg

আম পাকার সরকারি হিসেব অনুযায়ী, সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ ১২ মের দিকে, গোপালভোগ ১৫ মের দিকে, যা ঢাকায় আসার কথা ২২-২৩ মের দিকে। রাজশাহীর গুটি আম ১৫ মের দিকে, যা আসার কথা ২৩ মের দিকে, সাতক্ষীরার হিমসাগর পাকার কথা ২২ মে, রাজশাহীর হিমসাগর ২৮ মে, সাতক্ষীরার ল্যাংড়া আম ২০ মের দিকে পাকার কথা, রাজশাহীর ল্যাংড়া পাকার কথা ৫ জুন, লক্ষণ ভোগ ২৯ মে ও আম রুপালী ৮ জুন থেকে ১৬ জুনের মধ্যে পাকার কথা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মতে, যেহেতু কৃষি অফিস ও সরকারি হিসেবে এখনো ঢাকায় হলুদ রংয়ের আম আসার কথা নয়। এখন যে পাকা আম পাওয়া যাচ্ছে, বুঝতে হবে এগুলো অপরিপক্ব, কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হয়েছে।

এদিকে র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, বাজারে ভেজাল আম আসার খবর পাওয়া মাত্রই সংস্থাটির পক্ষ হতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) কাওরানবাজারের আম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে র‌্যাব। এই সভায় সিদ্ধান্ত হয় ২৩ মের আগে রাজধানী ঢাকায় কোনো ধরণের পাকা আম ঢুকবে না এবং বেচাকেনাও করা যাবে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/16/1558024873486.jpg
আম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম/ ছবি: বার্তা২৪.কম

তবে সাতক্ষীরার গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ও রাজশাহীর গুটি আম ১৬ মে থেকে আনা যাবে। তবে তা গাছে থেকে পারার পর যে অবস্থায় থাকে সেই অবস্থায় বিক্রি করতে হবে। এ সিদ্ধান্ত অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে র‍্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘২৩ তারিখের আগে ঢাকায় কোনো পাকা আম ঢুকবেও না কেনাবেচাও করা যাবে না। সাতক্ষিরার গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ও রাজশাহীর গুটি আম বিক্রি করা যাবে ২৩ তারিখের আগে, তবে তা কেমিক্যালমুক্ত হতে হবে। আর এসব আমের ট্রাকে করে যদি অন্য প্রজাতির একটি আমও ঢাকায় ঢোকানোর চেষ্টা কর হয়, তাহলে ট্রাকের সকল আম জব্দ করা হবে। এছাড়া এর সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীও বাগান মালিককে জেলে যেতে হবে।‘

কারওয়ান বাজারের ফল ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি সুরুজ আলম সুরুজ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘ভেজাল আম বিক্রি করে নিজেদের মান সম্মান নষ্ট করতে চাই না। কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী আছেন, যারা কেমিক্যালযুক্ত আম বিক্রি করেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস
ছবি: বার্তা২৪.কম

বেনাপোল-ঢাকা রেল রুটে বিরতিহীন বেনাপোল এক্সপ্রেস উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেনাপোল এক্সপ্রেসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। একইদিন প্রধানমন্ত্রী বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সেবা চাপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিতকরণের উদ্বোধনও করবেন বলে জানা গেছে।

বেনাপোলে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো: সামসুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এদিকে রাতে বেনাপোল স্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত উৎসুক মানুষের ভিড় সেখানে। ইতিমধ্যে বিক্রি শুরু হয়েছে এ রুটের টিকিট। যাত্রীদের নিরাপত্তায় স্টেশন এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করতে দেখা গেছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, উদ্বোধনের পর ট্রেনটি দুপুর দেড়টায় বেনাপোল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। আবার রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। ট্রেনটি প্রতিদিন বেনাপোল স্টেশন থেকে ছেড়ে যশোর, ঈশ্বরদী জংশন ও ঢাকা বিমানবন্দরে যাত্রী ওঠানো-নামানোর জন্য সাময়িক বিরতি দিয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শেষ গন্তব্যে গিয়ে থামবে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563299477336.jpgট্রেনটিতে বগি রয়েছে ১২টি। আসন সংখ্যা ৮৯৬। ট্রেনের ভেতর এসি চেয়ারের জন্য রয়েছে একটি বগি এবং কেবিন একটি বগিতে। বেনাপোল এক্সপ্রেসের ননএসি শোভনের টিকিট ৫৩৪ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া ১০২৫ টাকা এবং কেবিনের ভাড়া হবে ১২২৮ টাকা। ট্রেনে ৪ ও ৮ সিটের কেবিন রয়েছে। সপ্তাহে ৬ দিন বিরতিহীনভাবে চলবে বেনাপোল এক্সপ্রেস।

বেনাপোল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার সাঈদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। বেনাপোল থেকে ট্রেনটি ছেড়ে অপারেশনাল স্টেশন যশোর জংশনে পৌঁছে ১৫ মিনিটের বিরতি নেবে। এ সময়ের মধ্যে রেলের ইঞ্জিন ঢাকামুখী ঘোরানো হবে। এরপর ঈশ্বরদী গিয়ে ট্রেনের চালকসহ অপারেশনাল কর্মী বদলের জন্য আরও ১৫ মিনিটের বিরতি থাকবে। পরে ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে শেষ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। তবে এর আগে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে কিছুক্ষণের জন্য ট্রেনটি থামানো হবে।

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল
পুরনো ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশ হবে। এদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়া এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে।

এর আগে ফলাফলের অনুলিপি সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। উপস্থিত থাকবেন সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

মোবাইল এসএমএস-এ যেভাবে ফল জানা যাবে

এক্ষেত্রে যেকোনো অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে  তারপর HSC লেখে, আপনি যেই বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর, পরীক্ষার সাল লেখে Send করুন 16222 নম্বরে। প্রতি এসএমএস (SMS) এ ২ টাকা ৩০ পয়সা করে কাটা হবে।

উদাহরণ: HSC Dha XXXXXX 2019 send to 16222

বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের কোড নাম

Board First 3 letters
Dhaka Board DHA
Barisal Board BAR
Sylhet Board SYL
 Comilla Board COM
Chittagong Board CHI
Rajshahi Board RAJ
Jessore Board JES
Dinajpur Board DIN
 Madrasah Board MAD
Technical Board TEC

 

এসএমএস ছাড়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন (http://www.educationboard.gov.bd/)।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল জানতে এই ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) 'রেজাল্ট' কর্নারে ক্লিক করে ইআইআইএন নম্বর এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠনভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমেইলে কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাঠানো হবে। ডিসি অফিস ও ইউএনও কার্যালয় থেকে ফলের হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাবে।

আলিম পরীক্ষার্থীরা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.bmeb.gov.bd) প্রবেশ করে আলিম পরীক্ষার জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র