Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মাদক বিরোধী অভিযান

ছোট চালান বন্ধ, বেড়েছে ইয়াবার বড় চালান!

ছোট চালান বন্ধ, বেড়েছে ইয়াবার বড় চালান!
ছবি: সংগৃহীত
শাহরিয়ার হাসান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বন্দুকযুদ্ধ দিয়ে শুরু হওয়া মাদক নির্মূল অভিযানের এক বছর পূর্ণ হয়েছে তিনদিন আগে। এ অভিযানে র‍্যাব- পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি বন্দুকযুদ্ধে ৩৬০ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। উদ্ধার হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি পিস ইয়াবা। আত্মসমর্পণ করেছেন ১০২ জন প্রথম সারির মাদক ব্যবসায়ী।

এত কিছুর পরে, রাজধানীসহ সারা দেশে ইয়াবার ছোট ছোট চালানগুলোর হাত বদল বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। মাদক বেচাকেনার পয়েন্টগুলোতে আর মিলছে না মাদক।

তবে উদ্বিগ্নের বিষয়, ছোট চালানগুলো বা ব্যবসায়ীদের বন্ধ করা গেলেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ছে ইয়াবার বড় চালান। উদ্ধার হচ্ছে লাখ লাখ পিস ইয়াবা।

রোববার (১৯ মে) একদিনেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে প্রায় তিন লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাছাড়া গত এপ্রিল মাসেই কক্সবাজারে ১২ লাখ পিস ইয়াবাসহ সারাদেশে ২৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‍্যাব-পুলিশ-বিজিবি-কোস্টগার্ড ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

চলতি এ বছরেই একাধিক বার ৮ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়। এর ২-১ দিন পর পর লাখ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার হচ্ছে। যেখানে ১০-১৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা নেই বললেই চলে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/20/1558327028513.jpg

সরেজমিনে রাজধানীর একাধিক মাদক স্পট ঘুরে দেখা যায়, সেখানে আর মাদক বিক্রি চলছে না। নিয়মিত যে মাদক বিরোধী অভিযান করছে পুলিশ, সেখানেও বেশি সংখ্যক মাদক কারবারি গ্রেফতার হচ্ছে না।

তবে এর মধ্যে স্থল, জল ও আকাশ পথ দিয়ে আসছে মাদক। সাম্প্রতিক সময়ে তিন দিক দিয়ে আসছে ইয়াবার বড় চালান। বড় এই চালানগুলো ধরা পড়লেও, ধরা পড়ছে না জড়িত মাদক ব্যবসায়ীরা। ফলে লাখ লাখ ইয়াবা চালানের নেপথ্যে জড়িতরা এখনোও অধরা থেকে যাচ্ছে।

এদিকে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের হিসাব বলছে, অভিযান এর শুরুর পর থেকে গত এক বছরে একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার অভিযানে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি পিস ইয়াবা ও ১০-১২ মণ হেরোইন উদ্ধার হয়েছে।

মাদকের ভয়াবহতা রোধে গত বছরের ১৫ মে থেকে অভিযান শুরু হয়ে, রোববার (১৯ মে) পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ৩৬০ জন মাদক ব্যবসায়ী।

তাদের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ১৭০ জন। র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন ১০৭ জন। বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ১২ জন। বাকি ৭১ জন মাদক ব্যবসায়ী নিজেদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। 

এ পর্যন্ত ইয়াবার প্রবেশদ্বার খ্যাত টেকনাফ কক্সবাজার এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে ৯৭ জন।

বন্দুকযুদ্ধে নিহত আর গডফাদারদের আত্মসমর্পণের পরেও কেন টেকনাফ-কক্সবাজার দিয়ে ইয়াবার বড় বড় চালান আসছে জানতে চাইলে কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, যারা আত্মসমর্পণ করেছেন তারা বড় মাপের ব্যবসায়ী। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আরও এমন কারবারি রয়েছেন। যাদের আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি বলেন, ‘এখনও ইয়াবা কারবারিরা আছে। যারা ইয়াবার চোরাচালান টিকিয়ে রেখেছে। তবে এটা সত্য মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আসা এখন অনেক কমে গেছে।’

একই বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মাদক এখন আর সহজলভ্য নয়। সব ব্যবসায়ী যে আইনের আওতায় এসেছে বিষয়টা এমন না। তবে এখন যারা মাদক বেচাকেনা করছে, তারা খুবই গোপনে কাজটি করছে।’

তিনি বলেন, এখনো কিছু বড় ব্যবসায়ীরা রয়েছে। যারা এই বড় চালানগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। তবে মাদক নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর তৎপরতায় তারাও আইনের আওতায় আসবে। তখন মাদক নির্মূল হবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

প্রিয়া সাহার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ বাংলাদেশের

প্রিয়া সাহার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ বাংলাদেশের
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য জানিয়ে ১৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা যে অভিযোগ করেছেন তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। তার এ অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

শনিবার (২০ জুলাই) সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৮ জুলাই  বাংলাদেশ সরকারের একটি ভিডিও-র বিষয়  মনোযোগ আকর্ষণ হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশি নাগরিক প্রিয়া সাহা, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি এবং সেখানে ৩৭ মিলিয়ন (৩ কোটি ৭০ লাখ) হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এরইমধ্যে উধাও হয়ে গেছে হয়েছে। এখনও এক কোটি ৮০ লাখ আছে। যার মধ্যে ১৭ লাখ শিশু এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষ বসবাস করে। আমাদেরকে সাহায্য করুন। আমি আমার ঘর হারিয়েছি, জমি হারিয়েছি। ইতোমধ্যেই আমার বাড়ি-ঘর দখল করেছে। জ্বালিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমরা সরকার থেকে এর কোনো বিচার পাই নাই। আমরা বাংলাদেশেই থাকতে চাই। আমরা বাংলাদেশ ছাড়তে চাই না। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।

প্রিয়া সাহা ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে অনুষ্ঠিত ধর্মীয় স্বাধীনতা অগ্রগতির দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ সরকার প্রিয়া সাহা রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে যেসব মিথ্যা অভিযোগ করেছেন তার বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে প্রতিবাদ এবং মন্তব্যকে কঠিন ভাষায় নিন্দা জানাচ্ছে। মনে হচ্ছে  প্রিয়া সাহার  মিথ্যা ও কল্পিত গল্পের পিছনে একটি অস্পষ্ট উদ্দেশ্য ছিল যা বাংলাদেশকে ক্ষতি করার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।

বাংলাদেশ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি নজির, যেখানে সকল ধর্মের লোকেরা যুগ যুগ ধরে শান্তিতে বসবাস করে আসছে। শুধু তাই নয় জোর করে বাস্তুচ্যুত   ১১ লাখ মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গাদের)  অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে মানবিক মনোভাব ও উদারতা দেখিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকার আশা করে এ ধরনের বড় আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানের আয়োজকরা দায়বদ্ধ ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানাবেন যারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করবেন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার মূল্য রাখতে অবদান রাখবেন।

গতকাল শুক্রবার (২০ জুলাই) প্রিয়া সাহার দেশবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে মন্ত্রী বলেন, “আমি জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থায় একাধিকবার ভরা হাউসে পৃথিবীর সব দেশের এবং বাংলাদেশ ও বাইরের দেশের মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। যেখানে শ্রদ্ধেয় রানা দাশ গুপ্তার মতো মানুষেরাও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দেয়া প্রিয়া সাহার অভিযোগের মতো কোন অভিযোগ বা প্রশ্ন কাউকে করতে দেখিনি।”

 প্রিয়া সাহার উদ্ভট অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়ে শাহরিয়ার আলম আরো বলেন, “তীব্র নিন্দা জানাই। তিনি কেন এটা করলেন তা খতিয়ে দেখা হবে। তার অভিযোগুলোও সরকার শুনবে এবং খতিয়ে দেখবে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পও জানেন যে তার কাছেও মিথ্যা অভিযোগ করা হয়। মার্কিন প্রশাসন তাদের এখানকার দূতাবাসের মাধ্যমেই প্রতিনিয়ত তথ্য পেয়ে থাকে এবং আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগে থাকি।”

আরও পড়ুন: 

ট্রাম্পের কাছে উদ্ভট অভিযোগ, শাহরিয়ার আলমের নিন্দা

বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার ওপরে যমুনার পানি

বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার ওপরে যমুনার পানি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা পয়েন্টের যমুনা নদীর পানি। যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে তার প্রভাব পড়েছে পদ্মা নদীতেও। পানির বৃদ্ধির সঙ্গে পদ্মায় বেড়েছে প্রচণ্ড স্রোত। 

এতে করে উত্তাল পদ্মায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল। নৌরুটের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পারের অপেক্ষায় রয়েছে চার শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও দুই শতাধিক বাস। তিন থেকে চার ঘণ্টার অপেক্ষায় বাসগুলো নৌরুট পারাপারের সুযোগ পেলেও দীর্ঘ ভোগান্তিতে পড়েছে ট্রাক চালকেরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563595500778.jpg
পানি বৃদ্ধির সঙ্গে শুরু হয়েছে নদীতে ভাঙন 

 

এদিকে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙন শুরু হয়েছে জেলার দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। ভাঙনের কবলে পড়েছে এসব এলাকার কমপক্ষে তিন শতাধিক পরিবার। এছাড়াও এরই মধ্যে যমুনার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে বিভিন্ন শাখা নদ নদীগুলোতে। যার ফলে বন্যার সম্ভাবনা আছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563595588011.jpg
  দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে 

 

শনিবার ( ২০ জুলাই) ভোর ৬ টা পর্যন্ত যমুনা নদীর আরিচা পয়েন্টের পানি বিদপসীমার ৪১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির স্তর পরিমাপক ফারুক হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এই তথ্য দেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563595680490.jpg
নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামবাসীরা  

 

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের এজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৫ টি ফেরি রয়েছে। তবে নদীতে প্রবল স্রোতের কারণে সবগুলো ফেরি নিয়মিতভাবে চলাচল করতে পারছে না। অপরদিকে নৌরুট পারাপারে সময় লাগছে আগের চেয়ে দ্বিগুণ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563595982345.jpg
পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মালবাহী ট্রাক পারাপার হতে পারছে না 

 

যে কারণে নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি শুরু হয়েছ। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে নৌরুটের বহরে বড় আরও কয়েকটি ফেরি যোগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে করে কিছুটা হলেও নৌরুট পারাপারের ভোগান্তি লাঘব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563596100240.jpg

 

মানিকগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বাবুল মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে ৮ মেট্রিক টন চাউল দেওয়া হয়েছে।' এছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও কয়েক টন চাল ও শুকনা খাবার বিতরণের ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র