তাহিরপুরের ৩ শুল্ক বন্দর দিয়ে আবার আসছে কয়লা

ডিস্ট্রিক্টি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সুনামগঞ্জ
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তে বন্ধ থাকা ৩টি শুল্ক বন্দর (বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী) দিয়ে আবারও কয়লা আসতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুর থেকে কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত।

র্দীঘদিন বন্ধ থাকার পর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ৩টি বন্দর আবারও চালু হওয়ায় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মাঝে খুশির জোয়ার বইছে।

তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম হায়দার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভারতের মেঘালয়ের পরিবেশবাদী সংগঠন ডিমাহাসাও জেলা ছাত্র ইউনিয়নের মামলার ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল সে দেশের ন্যাশনাল গ্রি ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) আদালত মেঘালয় সরকারকে অপরিকল্পিতভাবে কয়লা খনন ও পরিবহন বন্ধের নির্দেশ দেয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/22/1558466868081.jpg

একই বছরের ৬ মে সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় মুখ্যসচিব মেঘালয় রাজ্যের প্রতিটি জেলার প্রশাসককে ওই নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়।

আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে ২০১৪ সালের ১৩ মে থেকে মেঘালয়ের সীমান্ত জেলাগুলোয় ১৪৪ ধারা জারি করে কয়লা পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এরপর থেকে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শুল্কবন্দর সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বড়ছড়া-চারাগাঁও, বাগলী, সিলেটের তামাবিল, ময়মনসিংহের গোবড়া এবং কড়ইতলীসহ ছয় শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের মেঘালয় থেকে নিয়মিত কয়লা আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।

পরে ভারতীয় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো আইনি লড়াই করে প্রথমে ২০১৫ সালে উত্তোলিত কয়লা ৩ মাস এবং ওই সময়সীমা ৫ দফা বাড়িয়ে গত ৫ বছরে প্রায় ২১ মাস উত্তোলিত কয়লা রফতানি করার সুযোগ পায়।

একইভাবে ২০১৮ সালে ৫ ডিসেম্বর আবারও ভারতের সুপ্রিমকোর্ট ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতে উত্তোলিত কয়লা বাংলাদেশে ফের রফতানির সুযোগ দেয়। তবে ১৫ জানুয়ারি কোনো প্রকার নোটিশ বা চিঠি ছাড়াই ফের ভারত থেকে কয়লা রফতানি বন্ধ করে দেয়া হয়।

দীর্ঘ বিরতির পর আগামী ৩১ মে পর্যন্ত কয়লা আমদানি-রফতানির নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল বলেন, তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বন্দর থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পায়। হাজার হাজার শ্রমিক ও শত শত ব্যবসায়ী এবং সরকারের রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে এই ৩টি বন্দর চালু রাখার বিষয়ে গুরুত্বসহকারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া খুবই প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন :