Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

তাহিরপুরের ৩ শুল্ক বন্দর দিয়ে আবার আসছে কয়লা

তাহিরপুরের ৩ শুল্ক বন্দর দিয়ে আবার আসছে কয়লা
ছবিঃ বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্টি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
সুনামগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তে বন্ধ থাকা ৩টি শুল্ক বন্দর (বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী) দিয়ে আবারও কয়লা আসতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুর থেকে কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত।

র্দীঘদিন বন্ধ থাকার পর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ৩টি বন্দর আবারও চালু হওয়ায় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মাঝে খুশির জোয়ার বইছে।

তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম হায়দার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভারতের মেঘালয়ের পরিবেশবাদী সংগঠন ডিমাহাসাও জেলা ছাত্র ইউনিয়নের মামলার ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল সে দেশের ন্যাশনাল গ্রি ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) আদালত মেঘালয় সরকারকে অপরিকল্পিতভাবে কয়লা খনন ও পরিবহন বন্ধের নির্দেশ দেয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/22/1558466868081.jpg

একই বছরের ৬ মে সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় মুখ্যসচিব মেঘালয় রাজ্যের প্রতিটি জেলার প্রশাসককে ওই নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়।

আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে ২০১৪ সালের ১৩ মে থেকে মেঘালয়ের সীমান্ত জেলাগুলোয় ১৪৪ ধারা জারি করে কয়লা পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এরপর থেকে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শুল্কবন্দর সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বড়ছড়া-চারাগাঁও, বাগলী, সিলেটের তামাবিল, ময়মনসিংহের গোবড়া এবং কড়ইতলীসহ ছয় শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের মেঘালয় থেকে নিয়মিত কয়লা আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।

পরে ভারতীয় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো আইনি লড়াই করে প্রথমে ২০১৫ সালে উত্তোলিত কয়লা ৩ মাস এবং ওই সময়সীমা ৫ দফা বাড়িয়ে গত ৫ বছরে প্রায় ২১ মাস উত্তোলিত কয়লা রফতানি করার সুযোগ পায়।

একইভাবে ২০১৮ সালে ৫ ডিসেম্বর আবারও ভারতের সুপ্রিমকোর্ট ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতে উত্তোলিত কয়লা বাংলাদেশে ফের রফতানির সুযোগ দেয়। তবে ১৫ জানুয়ারি কোনো প্রকার নোটিশ বা চিঠি ছাড়াই ফের ভারত থেকে কয়লা রফতানি বন্ধ করে দেয়া হয়।

দীর্ঘ বিরতির পর আগামী ৩১ মে পর্যন্ত কয়লা আমদানি-রফতানির নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল বলেন, তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বন্দর থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পায়। হাজার হাজার শ্রমিক ও শত শত ব্যবসায়ী এবং সরকারের রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে এই ৩টি বন্দর চালু রাখার বিষয়ে গুরুত্বসহকারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া খুবই প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন :

বরিশালে কমছে ডেঙ্গু রোগী

বরিশালে কমছে ডেঙ্গু রোগী
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্তরা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরিশালে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সেই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও কমছে রোগী ভর্তির সংখ্যা। ঈদুল আজহা ঘিরে এ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তুলনামূলক বাড়েনি।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে ৩৭ জন ‍পুরুষ, ১৫ জন মহিলা ও ৯ জন শিশু। সব মিলিয়ে বর্তমানে শেবাচিমে ২৬০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যার মধ্যে ১৪৬ জন পুরুষ, ৫৬ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু রয়েছে।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম পরিচালক ডাক্তার মোঃ বাকির হোসেন।

এ সময় তিনি জানান, গত তিন থেকে চার দিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী শেবাচিম হাসপাতালে তুলনামূলক কম ভর্তি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও আশাবাদী ঐ পরিচালক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566039735609.gif

শেবাচিমে ডেঙ্গু রোগীর ভর্তি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, শুক্রবারের ৫০ জন, বৃহস্পতিবার ৬৭ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছিল। এর আগে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টায় গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ জন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হতো।

এদিকে শনিবার সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী। শুক্রবার সকালের হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ৯১ জন ও বৃহস্পতিবার ১১৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

ঈদের পরে ১৪ আগস্ট হাসপাতালে ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। ১৫ আগস্ট ছিল ২৯৯ এবং ১৬ আগস্ট তা কমে দাঁড়ায় ২৫৮ জনে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত এক মাসে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত এক হাজার ১৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯১২ জন। আর মৃত্যু হয়েছে শিশুসহ চার জন রোগীর।

ঝিলপাড়া বস্তির আহতদের চিকিৎসার ভার নেবে ডিএনসিসি

ঝিলপাড়া বস্তির আহতদের চিকিৎসার ভার নেবে ডিএনসিসি
অগ্নিকাণ্ডে আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ব্যয় বহন করার ঘোষণা দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সব হারিয়ে পথে বসেছে হাজার হাজার বস্তিবাসী। রাজধানীর মিরপুর-৭ নম্বর সেকশনের ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ব্যয় বহন করার ঘোষণা দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, যতদ্রুত সম্ভব তাদের ঘর করে দেবে স্থানীয়রা। এই মুহূর্তে যারা আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন বা যারা এখানে আছেন তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসার যত খরচ সিটি করপোরেশন বহন করবে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে মিরপুরের-৭ নম্বর সেকশনের ঝিলপাড় বস্তিতে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে মেয়র একথা বলেন।

মেয়র বলেন, ‘আগুন কীভাবে লাগল তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। আমার মনে হয় বস্তিতে যারা থাকেন তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটা জায়গা দিয়েছেন বাউনিয়াবাঁধে। ওখানে প্রায় ১০ হাজার পরিবারকে পর্যায়ক্রমে স্থানান্তর করা হবে। এটি একটি ভাল উদ্যোগ।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘যাদের স্থায়ী নিবাস বস্তিবাসী হিসেবে তারাই সেখানে পর্যায়ক্রমে চলে যেতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রীও বস্তিবাসীদের জন্য স্থায়ী বাসস্থান করে দিতে চান। বাউনিয়াবাঁধে কাজ শুরু হয়ে গেছে। ওখানে ১০ হাজার বস্তিবাসীর জায়গা হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566037408562.jpg

মেয়র বলেন, ‘এই মুহূর্তে যাদের খাদ্যের প্রয়োজন আমরা তার ব্যবস্থা করছি। এটা অব্যাহত থাকবে। এই বস্তিতে যারা থাকেন, তারা কিন্তু ভাড়ায় থাকেন। অর্থাৎ যারা স্থানীয় আছেন তারা ঘরবাড়ি উঠিয়ে ভাড়া দেন। আমরা কথা বলেছি শিগগিরি এখানে ঘর নির্মাণ করে দেবেন।

তিনি বলেন, ‘যদি কোনো ধরণের সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা অবশ্যই তা দেব। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছি। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করেছি। আহতদের চিকিৎসার সব খরচ সিটি করপোরেশন বহন করবে। এই মুহূর্তে কাজ হলো প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া।’

মেয়র আরও বলেন, ‘বস্তিতে যাদের ঘর পুড়েছে তারা যেন থাকতে পারে সেজন্য ৫-৬টি স্কুলে তাদের রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা বাসাবাড়িতে না যেতে পারেন ততক্ষণ স্কুলেই থাকবেন। অবশ্য স্কুল খোলার আগেই তাদের থাকার ব্যবস্থা করবে। এখানে যদি আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা অবশ্যই করব।’

বস্তিবাসীদের ৮ মাসের আল্টিমেটামে ওই এলাকা থেকে সরে যাবার কথা হয়েছিল এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন কোনো তথ্যও আমার কাছে নেই।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র