Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

বরিশাল-গোপালগঞ্জ-ফরিদপুর ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ চুক্তি

বরিশাল-গোপালগঞ্জ-ফরিদপুর ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ চুক্তি
বরিশাল-গোপালগঞ্জ-ফরিদপুর ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ চুক্তি অনুষ্ঠান
স্পেশাল  করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ সঞ্চালনে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে বরিশাল (উত্তর) হতে গোপালগঞ্জ (উত্তর) হয়ে ফরিদপুর পর্যন্ত নতুন ২৩০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে।  ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিঃ (পিজিসিবি)।

বুধবার (২২ মে) পিজিসিবি প্রধান কার্যালয়ে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কল্পতরু পাওয়ার ট্রান্সমিশন লিঃ-কে টার্নকী ঠিকাদার নিযুক্ত করেছে পিজিসিবি। পিজিসিবি’র পক্ষে কোম্পানি সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কল্পতুরুর পক্ষে মহাব্যবস্থাপক জয়ন্ত বসু চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

আগামী দুই বছরের মধ্যে সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করে পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে কল্পতরু। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৬০৫ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা এডিবি, বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে।

বর্তমানে বরিশাল (উত্তর)-গোপালগঞ্জ (উত্তর)-ফরিদপুর পর্যন্ত ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। উচ্চতর ভোল্টেজের নতুন লাইন চালু হলে ওই অঞ্চলে বিদ্যুৎ সঞ্চালন মান আরও উন্নত হবে। স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক মোঃ এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন, মোঃ ইয়াকুব ইলাহী চৌধুরী ও খোন্দকার মোঃ আবদুল হাই, প্রকল্প পরিচালক প্রকৌঃ মোঃ জসিম উদ্দিন, কল্পতরুর সিনিয়র ম্যানেজার জয় সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন সোমবার

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন সোমবার
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সোমবার (১৯ আগস্ট) তিন দিনের  সফরে ঢাকা আসছেন। এর আগে পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে বাংলাদেশ এলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর  এটাই হবে তার প্রথম ঢাকা সফর।

জয়শঙ্করের এই সফরে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হবে। তবে কোনো চুক্তি হবে না বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন।

সূত্র জানায়, জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। আগামী অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরে যাবেন। জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হতে পারে।

২১ আগস্ট নয়া দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

ভারতের বিজেপি সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এটাই হবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম ঢাকা সফর।

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, ছবি:; বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পবিত্র ঈদুল আজহা পালন শেষে রাজধানী শহর ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ছাড়ছেন কয়েক লাখ মানুষ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বরিশাল নৌবন্দরে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দুপুর থেকেই বরিশালের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা লঞ্চ যাত্রীরা ভিড় করছে নোঙর করা লঞ্চগুলোতে।

বিকেল শেষ না হতেই লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে প্রথম শ্রেণীর কেবিনের বারান্দার কানায় কানায়ও পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যার কারণে, বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশে নৌ দুর্ঘটনা ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই অপরাধ এড়াতে অন্যান্য দিনের চাইতে ২/১ ঘণ্টা আগেই বরিশাল লঞ্চঘাট ছাড়ে কয়েকটি বিলাসবহুল লঞ্চ।

গত শুক্রবারও ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ওই দিনেও নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগেই বরিশাল নদীবন্দর ছেড়েছিল ঢাকাগামী বিলাশ বহুল কয়েকটি লঞ্চ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566075739275.JPG

বিআইডব্লিউটিএ’র বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কোরবানির ছুটি শেষে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগ দিতে বরিশাল ছাড়ছে কয়েক লাখ মানুষ। কোরবানির দ্বিতীয় দিন থেকে ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চযোগে বরিশাল নৌ বন্দর থেকে যাচ্ছে লঞ্চযাত্রীরা। তবে কয়েকদিনের চেয়ে শুক্রবার ও শনিবার যাত্রী চাপ অনেকটা বেশি ছিল।

তিনি আরেও জানান, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নিয়ে বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে কোনো লঞ্চই ছাড়তে দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে লোড লাইন দেখে নির্ধারিত সময়ের আগেই লঞ্চগুলোকে ঘাট ত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করতে নিষেধ করা হচ্ছে। একই সাথে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে সরকারি জাহাজগুলোতেও। লঞ্চযাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য গত ৮ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে স্পেশাল লঞ্চ সার্ভিস। থাকছে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। এর আওতায় পাঁচটি সরকারি জাহাজসহ ব্যক্তি মালিকানা ২০টি বিলাসবহুল লঞ্চ যাতায়াত করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র