Alexa

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার চেয়ে ভয়ংকর জিকা জ্বর

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার চেয়ে ভয়ংকর জিকা জ্বর

স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিষয়ক অবহিতকরণ সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার মত এডিশ মশার কামড়ে নতুন জিকা জ্বরের আর্বিভাব নিয়ে চিন্তিত স্বাস্থ্য অধিদফতর। পাশ্ববর্তী দেশে এই জ্বরের প্রকোপ বাড়ায় বাংলাদেশ শঙ্কিত বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা ডা. খাদিজা সুলতানা।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজধানীর পশ্চিম তেজকুনী পাড়ার আব্দুল হালিম কমিউটিনি সেন্টারে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিষয়ক অবহিতকরণ সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জিকা জ্বর ডেঙ্গুর চেয়েও ভয়ংকর। কিন্তু এ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জ্বর হলে আতঙ্কিত না হয়ে পরীক্ষা করে নিন। আমাদের সবগুলো সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু শনাক্তের কীট সরবরাহ করা হয়েছে, পরীক্ষা করে চিকিৎসা নিলে ঝুঁকি কম হবে। তবে সবার আগে প্রয়োজন অফিস, বাসাসহ সর্বস্থলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। এডিশ মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করতে পারলেই এই রোগ থেকে মুক্তি মিলবে।’

এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ বিস্তার লাভ করছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ডেঙ্গু জ্বরে ২৬ জনের মৃত্যু হয়। চলতি বছর এখনো পর্যন্ত এক জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558614889716.jpg

সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী গত ১৩ মে পর্যন্ত দেশে ১২৮ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সাধারণত মে-জুন ও সেপ্টম্বর-অক্টোবর সময়কে ডেঙ্গুর মৌসুম হিসেবে ধরলেও এ বছর আগে থেকেই প্রকোপটা বাড়ছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৮ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে ৩৬ জন ও মে’র ১৩ তারিখ পর্যন্ত ২৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত বছর সারাদেশে ১০ হাজার ১৪৮ জন মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক জরিপে দেখো গেছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় এডিশ মশার লার্ভার ঘনত্ব সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ। অন্য দিকে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এই লার্ভার ঘনত্ব ৮০ শতাংশ। অর্থাৎ ডিএনসিসি’র চাইতে ডিএসসিসি’র বাসিন্দারা বেশি ঝুঁকিতে।

ডিএনসিসি’র অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে অবহিতকরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসি’র সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমদাদুল হক, ডিএনসিসি’র জোন-৫ এর সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফিরোজ আলম প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :