Alexa

অগ্রিম টিকিট বিক্রি

অভিযোগের শেষ নেই কমলাপুরের নারী কাউন্টারে

অভিযোগের শেষ নেই কমলাপুরের নারী কাউন্টারে

অভিযোগের শেষ নেই কমলাপুরের নারী কাউন্টারে

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে বিক্রি হচ্ছে ঈদের অগ্রিম টিকিট। এই স্টেশনে ছয়টি পুরুষ ও তিনটি মহিলা কাউন্টারে অগ্রিম টিকিট দেওয়ার কথা। কিন্তু নারী কাউন্টার দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। মাত্র একটি কাউন্টারে নারীদের টিকিট দেওয়া হচ্ছে। ফলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন টিকিট প্রত্যাশী নারীরা।

শুক্রবার (২৪ মে) কমলাপুর রেল স্টেশনে সকাল থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হলে নারীদের জন্য একটি কাউন্টার খোলা রাখা হয়। এছাড়া একটি টিকিট দিতে দীর্ঘ সময় নেওয়া, অনলাইনে টিকিট না পাওয়াসহ নানাবিধ অভিযোগ করেন নারী যাত্রীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/24/1558674865418.jpg

টিকিট নিতে আসা গৃহিনী সাবেরা সুলতানা বার্তা২৪.কমকে বলেন, `আমরা এত নারী যাত্রী এখানে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিটের জন্য অপেক্ষা করছি। আর কর্তৃপক্ষ আমাদের জন্য একটি কাউন্টারের ব্যবস্থা করবে। ফলে আমাদের ভোগান্তি বেড়েছে।’

এছাড়া রেল সেবা অ্যাপে এ ৫০ ভাগ টিকিট দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে টিকিট কাটতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

অগ্রিম টিকিট প্রত্যাশী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জেমি অভিযোগ করে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমাদের তুলনায় টিকিট কাউন্টার কম। ফলে রোজার মধ্যে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে অনলাইনে টিকিট কাটা যাচ্ছে কিন্তু আমি আজকেও অ্যাপে টিকিট কাটার চেষ্টা করেও পারিনি। টিকিট বিক্রির প্রথম দিনে রেলমন্ত্রী বলেছেন অ্যাপে টিকিট কাটা যাচ্ছে। আমার মতো সাধারণ যাত্রীরা তো শত চেষ্টা করেও কাটতে পারছে না। তাহলে আমার প্রশ্ন হচ্ছে এই অ্যাপের মাধ্যমে কাটা টিকিটগুলো যাচ্ছে কাদের হাতে?’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/24/1558674889422.jpg

বেসরকারি চাকরিজীবী সালমা আক্তার ছুটি নিয়ে এসেছেন টিকিট সংগ্রহ। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, `একজনের টিকিট দিতে দীর্ঘ সময় নিচ্ছে কাউন্টারগুলো। আরও দ্রুত দিলে টিকিট প্রত্যাশী যাত্রীদের লাইনের ভিড় দ্রুত কমে যেত। একই সঙ্গে সকাল ৯টার পরিবর্তে সকাল ৭টা থেকে টিকিট দেওয়া শুরু করলে আমাদের মত চাকরিজীবীদের জন্য ভালো হতো।’

নারী টিকিট প্রত্যাশীদের অভিযোগের বিষয়ে স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক বার্তা২৪.বলেন, ‘বিষয়টি আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। দরকার হলে কাউন্টার বাড়াবে। কিছু ট্রেনে এনআইডির মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে টিকিট দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য টিকিট দিতে একটু দেরি হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে পশ্চিমাঞ্চলগামী যমুনা সেতুর উপর দিয়ে যাওয়া ১২টি আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকেট প্রদান করা হচ্ছে। আগামী ২৫ মে দেওয়া হবে ৩ জুনের টিকিট এবং ২৬ মে দেওয়া হবে ৪ জুনের টিকিট।

আপনার মতামত লিখুন :