Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: ডিএমপি কমিশনার

ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: ডিএমপি কমিশনার
পথ শিশুদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করলেন ডিএমপি কমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। কোনভাবেই যেন নিরাপত্তা বিঘ্ন না হয়, সেদিকে পুলিশের সর্বাত্মক আন্তরিক চেষ্টা থাকবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

শুক্রবার (২৪ মে) দুপুরে কমলাপুর রেলওয়ে থানার সামনে মজার স্কুলের আয়োজনে পথ শিশুদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, 'ঈদে ফাঁকা ঢাকাকে পাহারা দেয়ার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে বাসা বাড়ি, অফিস, আদালতে বিভিন্ন সিকিউরিটি গার্ড, বিভিন্ন বেসরকারি গার্ড যারা রয়েছে, তাদের জন্যও নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হবে।'

ফাঁকা ঢাকায় পুলিশের নিরাপত্তা

ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করা হচ্ছে, গণমাধ্যমের এমন সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, 'চাঁদাবাজির বিপক্ষে ঈদের আগে থেকেই আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। থানা ভিত্তিক বিভাগ ভিত্তিক পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারপরও আমরা অনুরোধ করব, সত্যিকার অর্থে কোথাও যদি কেউ চাঁদাবাজির শিকার হয়, তাহলে আপনারা লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করুন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব।'

ডিএমপি কমিশনার বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষ যেন চুরি ডাকাতির কবলে না পড়ে, সে জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। শপিং মল, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ ঘাট, ট্রেন স্টেশন, আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ করতে যেতে পারে ও আসতে পারে সেজন্য সড়কে বাস টার্মিনালগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।'

'কোনভাবেই যেন সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হয়। টিকিট কালোবাজারির না হয়, সেদিকেও আমাদের লক্ষ্য রয়েছে' বলেও উল্লেখ করেণ তিনি।

এর আগে ৪০০ শিশুর মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের এই কমিশনার।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন সোমবার

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন সোমবার
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সোমবার (১৯ আগস্ট) তিন দিনের  সফরে ঢাকা আসছেন। এর আগে পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে বাংলাদেশ এলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর  এটাই হবে তার প্রথম ঢাকা সফর।

জয়শঙ্করের এই সফরে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হবে। তবে কোনো চুক্তি হবে না বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন।

সূত্র জানায়, জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। আগামী অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরে যাবেন। জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হতে পারে।

২১ আগস্ট নয়া দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

ভারতের বিজেপি সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এটাই হবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম ঢাকা সফর।

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, ছবি:; বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পবিত্র ঈদুল আজহা পালন শেষে রাজধানী শহর ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ছাড়ছেন কয়েক লাখ মানুষ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বরিশাল নৌবন্দরে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দুপুর থেকেই বরিশালের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা লঞ্চ যাত্রীরা ভিড় করছে নোঙর করা লঞ্চগুলোতে।

বিকেল শেষ না হতেই লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে প্রথম শ্রেণীর কেবিনের বারান্দার কানায় কানায়ও পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যার কারণে, বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশে নৌ দুর্ঘটনা ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই অপরাধ এড়াতে অন্যান্য দিনের চাইতে ২/১ ঘণ্টা আগেই বরিশাল লঞ্চঘাট ছাড়ে কয়েকটি বিলাসবহুল লঞ্চ।

গত শুক্রবারও ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ওই দিনেও নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগেই বরিশাল নদীবন্দর ছেড়েছিল ঢাকাগামী বিলাশ বহুল কয়েকটি লঞ্চ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566075739275.JPG

বিআইডব্লিউটিএ’র বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কোরবানির ছুটি শেষে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগ দিতে বরিশাল ছাড়ছে কয়েক লাখ মানুষ। কোরবানির দ্বিতীয় দিন থেকে ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চযোগে বরিশাল নৌ বন্দর থেকে যাচ্ছে লঞ্চযাত্রীরা। তবে কয়েকদিনের চেয়ে শুক্রবার ও শনিবার যাত্রী চাপ অনেকটা বেশি ছিল।

তিনি আরেও জানান, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নিয়ে বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে কোনো লঞ্চই ছাড়তে দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে লোড লাইন দেখে নির্ধারিত সময়ের আগেই লঞ্চগুলোকে ঘাট ত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করতে নিষেধ করা হচ্ছে। একই সাথে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে সরকারি জাহাজগুলোতেও। লঞ্চযাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য গত ৮ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে স্পেশাল লঞ্চ সার্ভিস। থাকছে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। এর আওতায় পাঁচটি সরকারি জাহাজসহ ব্যক্তি মালিকানা ২০টি বিলাসবহুল লঞ্চ যাতায়াত করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র