Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

নকল প্রসাধনী: ৮ দোকান সিলগালা, আটক ৯

নকল প্রসাধনী: ৮ দোকান সিলগালা, আটক ৯
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর পুরান ঢাকার খাতুন মার্কেটে ৩৩ ধরনের নকল প্রসাধনী সংরক্ষণ ও পাইকারি বিক্রির অভিযোগে আটটি দোকান সিলগালাসহ ৯ জনকে আটক করেছে র‍্যাব সদরদফতরের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (২৫ মে) দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানেরর নেতৃত্ব দেন র‍্যাব সদরদফতরের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558774851129.jpg

অভিযান শেষে সারোয়ার আলম বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাতুন মার্কেটে অভিযান চালানো হয়। এখানে প্রসাধনীর প্রায় প্রত্যেকটি দোকান নকল কসমেটিক বিক্রি করে আসছে। এমন দোকানগুলোর গোডাউন মার্কেটের তৃতীয় তলায় অবস্থিত। সেখানে মোট ৩৩ ধরনের নকল পণ্যের সন্ধান পেয়েছি।’

নকল পণ্যের মধ্যে ফেয়ার এন্ড লাভলী স্নো, ডাভ সাবান, সানসিল্ক শ্যাম্পু, ভার্টিকা, মুভ থেকে শুরু করে জনসন লোশন পর্যন্ত পাওয়া গেছে।
ম্যাজিস্ট্রেট জানান, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আটটি দোকান সিলগালা করা হয়েছে এবং ঐ দোকানগুলোর ৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আদালত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558774874093.jpg

ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানান, কসমেটিকস ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদেরকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, তাদের ছত্রচ্ছায়ায় যেন কেউ আর নকল পণ্য বিক্রি না করতে পারে। পরবর্তীতে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

রাজধানীতে অপহরণ, দুর্গম চর থেকে উদ্ধার

রাজধানীতে অপহরণ, দুর্গম চর থেকে উদ্ধার
অপহৃতকে উদ্ধার করে র‍্যাব, ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর হতে প্রাইভেটকারসহ অপহরণের চারদিন পর দুর্গম চর এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব। এছাড়া অপহরণের সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) র‍্যাব সদর দফতরের সিনিয়র এএসপি মিজানুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মিজানুর রহমান বলেন, 'রাজধানী থেকে অপহরণের চারদিন পর, মাদারীপুরের শিবচর থানা এলাকার পদ্মার দুর্গম চরের কাশবন থেকে অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাছাড়া এ ঘটনার সংঘবদ্ধ অপহরণকারীচক্রের চার সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।'

এ বিষয়ে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

সেফহোম থেকে নতুন জীবন পেল মায়া তারা লতারা

সেফহোম থেকে নতুন জীবন পেল মায়া তারা লতারা
চাকরিপ্রাপ্ত সেফহোমের বাকপ্রতিবন্ধীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মায়া, তারা, লতা, আসমা, সকলেই বাকপ্রতিবন্ধী। কেউ কথা বলতে পারেন না। এমনকি কেউ কেউ আবার কানেও শুনতে পান না। কথা বলেন ইশারায়। রাজশাহী সেফহোমে থাকা মায়া ও আসমার মত আরও ১০ জন মেয়েকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সেফহোমের ব্যবস্থাপক লাইজু রাজ্জাক।

ফলে সেফহোমের বন্দী জীবন ছেড়ে নতুন পৃথিবীতে পা রাখছেন তারা। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ওদের বিদায় উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেফহোম কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠান শুরুর পর আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অতিথিদের অনেকের চোখই ভিজে ওঠে।

বেসরকারি সংস্থা ‘ইউসেফ বাংলাদেশে’র পক্ষ থেকে এই মেয়েদের সেলাইয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আর তাদের মাধ্যমেই স্কয়ার গ্রুপের টেক্সটাইল ডিভিশনে এদের চাকরির বন্দোবস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে অবস্থিত।

অনুষ্ঠানে ইউসেফ’র প্রশিক্ষক রউফুল ইসলাম বলেন, তারা এই ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবেন। প্রশিক্ষণ নেওয়া ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। এরা হলেন- মায়া সুলতানা (১৮), আসমা খাতুন (২০), নাসরিন খাতুন (২৪), তারা (২৫), সালমা (২১), তানিয়া (২৫), আলোকি (২৪), লতা (২৬), জাহানারা (৩০) ও হাজেরা (১৮)।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566518368316.jpg

তাদের বিদায় অনুষ্ঠানে সেফহোমের উপ-তত্ত্বাবধায়ক লাইজু রাজ্জাক শোনালেন কীভাবে তাদের চাকরির জোগাড় হলো। তিনি একদিন ইউসেফ বাংলাদেশের রাজশাহী কার্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখেন ‘চাকরির মেলা’ শিরোনামে একটি নোটিশ ঝুলছে। সেখানে গিয়ে তিনি বিস্তারিতভাবে সব তথ্য জানতে পারেন।

পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানার পর তারা মেয়েদের সেলাই প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করেন। উল্লেখ্য যে, এই চাকরির মেলায় প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ কোটা ছিল। পরবর্তিতে সেফহোমের ১৫ জন মেয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর নির্ধারিত সময়ে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান ‘স্কয়ার গ্রুপ’র কর্মকর্তারা আসেন পরীক্ষা নিতে। সেফহোমেই পরীক্ষা নেওয়া হয় তাদের কাজের। সে পরীক্ষায় পাস করেন ১০ জন এবং পাস করার সাথে সাথেই তাদের দেওয়া হয় নিয়োগপত্র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566518405236.jpg

প্রথম অবস্থায় তারা মাসে ছয় হাজার টাকা করে বেতন পাবেন। কাজে ভালো করলে পরের বছরই বেতন বেড়ে হবে ১২ হাজার। থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা তারাই করবে। এজন্য মাসে বেতন থেকে ২ হাজার টাকা কাটা যাবে।

সেফহোমের উপ-তত্ত্বাবধায়ক জানান, আগামী শনিবার তিনি এই মেয়েদের নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যাবেন। নিজ হাতে তাদের ব্যাংক হিসাব নম্বর খুলে দিয়ে আসবেন। যাওয়ার আগেই তাদের জন্য নতুন জমা বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যেকের জন্য একটা করে কম্বল, মশারি, এক জোড়া করে স্যান্ডেল ও একটি করে ব্যাগ কিনে দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের উদ্দেশ্যে সমাজসেবা অধিদফতরের রাজশাহী বিভাগীয় উপ-পরিচালক রাশেদুল কবীর বলেন, ‘তোমাদের হয়তো ঠিকমতো দেখাশোনা করতে পারিনি, তোমরা আমাকে ক্ষমা করে দিও’।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র