Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে ট্যাটু

দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে ট্যাটু
দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে ট্যাটু
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সৌন্দর্যবর্ধনে শরীরে ট্যাটু করার হার বাড়ছে দেশে। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু ট্যাটু স্টুডিও। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সেবা গ্রহণ করছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ। যা প্রতি বছর বাড়ছে ১০ শতাংশ হারে।

তুলির বদলে রোটারি মেশিন আর ক্যানভাসের বদলে শরীর। পার্থক্য শুধু এটুকুই। আর বাকি পুরোটাই শিল্প। যেখানে পদ্মফুল ফুটে উঠে ট্যাটু হয়ে। এই অঞ্চলে যার পরিচিতি উল্কি হিসেবে।

যদিও তা আকার প্রচলন একদমই ছিল না দশ বছর আগেও। তবে রাজধানী ঢাকা আর দেশের বড় শহরগুলোতে তরুণদেরকে কেন্দ্র করে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই পাল্টেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558775086866.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থী ও অলিন ট্যাটু স্টুডিওর সত্ত্বাধিকারী সাদমান তৌহিদ অলিন ২০০৮ সালে শখের বসে ট্যাটু আকা শুরু করেন।

তিনি জানালেন, আমি যখন শুরু করি, তখন ট্যাটু সর্ম্পকে মানুষের ধারণাটা খুব বেশি পরিস্কার ছিল না। অনেকেই মনে করতো এটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে করে, আবার অনেকেই মনে করতো এটি কেটে করে। কেউ কেউ ভাবতো অন্য কোন ভাবে শরীরে ট্যাটু আঁকা হয়।

আমার অধিকাংশ গ্রাহক ছিল সঙ্গীতাঙ্গনের মানুষরা। তখন মাসে একজন দুজন করে এসে ট্যাটু আঁকাত। সেখান থেকেই প্রবৃদ্ধি শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558775148488.jpg

অলিন আরও বলেন, এখন পরিস্থিতি অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে।

শিল্পীদের হিসাবে রাজধানীতে ছোট-বড় পাঁচটি ট্যাটু স্টুডিও গড়ে উঠেছে। বন্দরনগরী চট্টগ্রামে রয়েছে একটি। এসব স্টুডিওতে প্রতিমাসে প্রায় তিনশ গ্রাহক ট্যাটু আঁকছেন। এদের ৭০ শতাংশই নারী। অধিকাংশের বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ট্যাটু করাতে আসেন ৫০-৬০ বছরের মানুষও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় ট্যাটু করার খরচ খুব বেশি নয়। ট্যাটু আর্টিস ভালো সেবা দিচ্ছে। এসব কিছুর পর আমি কেন বিদেশে যাবো। গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে অনেক শিল্পী এখন প্রতিবেশি দেশ ভারত থেকে স্বল্প মেয়াদি প্রশিক্ষণও নিয়ে এসেছে। গড়ে তুলেছে নিজেদের স্টুডিও। যেখানে সবচেয়ে ছোট আকারের ট্যাটুর খরচ আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা।

যা কম বেশি হয়, ট্যাটুর ডিজাইন, আকার আর অবস্থান ভেদে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558775196498.jpg

ইঙ্কপার্ক ট্যাটু স্টুডিওর শিল্পী অভিজিৎ সাহা বলেন, বড় আকারের ট্যাটু এখনো খুব বেশি মানুষ করে না। ৫ থেকে ৭ আর ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার ট্যাটুই মানুষ বেশি করে।

তিনি আরও বলেন, আমি সারা মাসের কথা চিন্তা করলে লাখ খানেক টাকার ট্যাটু করা যায়। যদি সঠিক ভাবে কাজটি করি।

সাদমান তৌহিদ অলিন বলেন, আগে মানুষ একটি ট্যাটু করার জন্য দেশের বাইরে যেত। এখন দেখা যাচ্ছে, ট্যাটুটা আমাদের কাছ থেকে করছে। আমার কাছ থেকে না করলে অন্য কারো কাছ থেকে করছে। কিন্তু দেশেই ঘোরাফেরা করছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে বিশ্বমানের কিছু শিল্পী আনার চেষ্টা করবো। যাতে মানুষ বিদেশে না গিয়ে বলতে পারে তুমি ভালো ট্যাটু করার জন্য বাংলাদেশে যাও।

শিল্পীরা জানান, ব্যক্তির চাহিদার উপর নির্ভর করেই একেকটি ট্যাটুর নকশা চুড়ান্ত করা হয়। যা আঁকা হয় শতভাগ নিরাপদ পদ্ধতিতে।

আপনার মতামত লিখুন :

নখ কাটতে হবে সঠিক নিয়মে

নখ কাটতে হবে সঠিক নিয়মে
ছবি: সংগৃহীত

যে কাজটি সেই ছোটবেলা থেকেই করে আসছেন, সেটা সম্পর্কেও থেকে যেতে পারে সঠিক তথ্য ও নিয়ম জানার ভুল।

সঠিক নিয়ম ও তথ্য জানার জন্য বিশেষ ও নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। তাই আজকের এই ফিচারটি পড়লে আপনি জানতে পারবেন নিজেকে ও নিজের নখকে সুস্থ রাখা সঠিক পদ্ধতি।

নখ কাটার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো আগে একটা প্রশ্ন রাখা যাক। আপনি কী নখ খুব বেশি গভীর করে কাটেন, অর্থাৎ নখের নিচের নরম অংশ বা কিউটিকল পর্যন্ত বা সেটা ছাড়িয়ে? উত্তর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইতিবাচক হবে। কারণ ছোট থেকেই আমাদের শেখানো হয়, নখ কাটতে হয় একদম সম্পূর্ণ গোঁড়ার অংশ থেকে।

কিন্তু এভাবে নখ কাটা একেবারেই অনুচিত। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ ডার্মাটলোজি জানাচ্ছে, কিউটিকল পর্যন্ত গভীর করে নখ কাটার ফলে নখ ও নখের পাশেপাশের নমনীয় স্থান খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এতে করে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় তুলনামূলক অনেক বেশি।

সঠিকভাবে নখ কাটার জন্য মূলত চারটি নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। দেখে নিন নিয়ম চারটি।

নখ ভিজিয়ে রাখা

নখ কাটার পূর্বে অবশ্যই মিনিট পাঁচেকের জন্য কুসুম গরম পানিতে নখ ভিজিয়ে রাখতে হবে। পায়ের নখ হাতের নখের চাইতে তুলনামূলক বেশি মোটা হওয়ায় দশ মিনিটের মতো ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে নখ নরম যাবে এবং নখ কাটতে সুবিধা হবে।

নিয়মিত ট্রিম করা

নখের দুই পাশের অংশ হালকা কেটে অনেকেই নখ লম্বা করতে পছন্দ করেন। এ বিষয়ে ডার্মাটলোজিস্ট শারি লিপনার জানান, লম্বা নখ দেখতে সুন্দর লাগলেও সঠিক আকৃতিতে নখ ছোট রাখাই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। এতে করে নখ ভেঙে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

নখ পরিষ্কার থাকা চাই

শুধু নখ কেটে সঠিক আকৃতিতে রাখাই যথেষ্ট নয়, নখের ভেতরের ও চারপাশের অংশ পরিষ্কার থাকা চাই। নখের ভেতর জমে থাকা ময়লা থেকেই নখে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ও ইনফেকশন হতে পারে।

ফাইলিং করা জরুরী

আমাদের দেশে সাধারণত নিয়মিত নখ কাটা হলেও নখ ফাইলিং করা হয় না একেবারেই। কিন্তু নখকে মসৃণ ও দৃঢ় রাখতে চাইলে নখ কাটার পর ফাইলিং করার কোন বিকল্প নেই। এতে করে নখ দেখতেও সুন্দর লাগে।

আরও পড়ুন: ডিম ভাঙার সঠিক নিয়মটি জানেন তো?

আরও পড়ুন: বেশি খেয়ে ফেললে কী করবেন?

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে হেডফোনের ব্যবহারে

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে হেডফোনের ব্যবহারে
ছবি: সংগৃহীত

রাতে ঘুমাতে যাওয়া থেকে শুরু করে সকালে ক্লাসে কিংবা অফিসে যাওয়ার পথেও কানে বাজতে থাকে পছন্দের গান।

কাজের ফাঁকে, মন খারাপ কাটাতে কিংবা একা সময়ে এই গানই যেন সবচেয়ে ভালো সঙ্গী। গান শোনায় কোন সমস্যা নেই, নেই কোন বাধাও। সমস্যাটা অন্যখানে। সেটা হলো গান শোনার মাধ্যম। সাধারণত হেডফোন কিংবা ইয়ারফোনের সাহায্যেই গান শোনা হয়ে থাকে এখনকার সময়ে। অথচ এই যন্ত্রটি ব্যবহারের ফলে প্রতিনিয়ত আমাদের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেটা কি আমরা জানি!

ইয়ারফোন বা হেডফোনে অতিরিক্ত শব্দে গান শোনা বর্তমান সময়ের তরুণদের এক ধরনের নিত্যদিনের অভ্যাসের মতো সাধারণ বিষয়। এতে করে মন যতই শান্ত হোক না কেন, অপূরণীয় ক্ষতি হয় কানের। সবচেয়ে ভয়ানক বিষয়টি হলো, কানের ক্ষতি হলে সহসাই বিষয়টি বোঝা সম্ভব হয় না। যতক্ষণ না পর্যন্ত চূড়ান্ত সমস্যা দেখা দেয়। জেনে অবাক হবেন, পুরো বিশ্বে ১.১ বিলিয়নের অধিক ১২-৩৫ বছর বয়সী মানুষ ইয়ারফোন ব্যবহারের ফলে শ্রবণশক্তি সংক্রান্ত ঝুঁকিতে রয়েছে।

হেডফোনের ব্যবহারে কীভাবে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?

ইয়ারফোন কিংবা হেডফোনের উচ্চশব্দে গানের বাজনা থেকে নয়েজ ইনডিউসড হিয়ারিং লস (NIHL), যা থেকে কানের অপরিবর্তনীয় (Irreversible) ক্ষতি হয় এবং চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে শ্রবণশক্তি হারিয়ে যায় বা বধির হয়ে যেতে হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566289831945.jpg

কানের ক্ষতি হলে কী ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পাবে?

নিয়মিত উচ্চ শব্দে ইয়ারফোনে গান শোনা হলে তার নেতিবাচক প্রভাবের দরুন বেশ কিছু লক্ষণ অবধারিতভাবে দেখা দেবে। এখানে তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো।

১. হুট করে অকারণে কানের ভেতর রিং বাজতে থাকার মতো শব্দ হতে থাকা এবং কিছুক্ষণ পর নিজ থেকেই ঠিক হয়ে যাওয়া।

২. টিভি দেখার সময় বারবার শব্দ বাড়িয়ে দেওয়া। টিভি থেকে কিছুটা দূরে বসে আসলে শব্দ শুনতে সমস্যা হওয়া।

৩. তিন ফিট দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের কথা শুনতে সমস্যা হওয়া।

কীভাবে এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে?

কানের ক্ষতিকে দূরে রাখার বিষয়টি খুব জটিল কিছু নয়। ইয়ারফোন বা হেডফোনে গান শোনার সময় শব্দের মাত্রা কমিয়ে রাখতে হবে। উচ্চমাত্রার শব্দ কানের ভেতরের স্পর্শকাতর হেয়ার সেলস (Hair cells) এ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই গান শুনতে হলেও শব্দ অর্ধেক কমিয়ে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে '60:60' রুলস মেনে চলতে হবে অবশ্য। শব্দের মাত্রা ৬০ শতাংশের বেশি ও সময় ৬০ মিনিটের বেশি একদম নয়।

এছাড়া ইয়ারফোন বা হেডফোন যেটাই ব্যবহার করা হোক না কেন, সবসময় মানসম্মত পণ্য ব্যবহার করতে হবে। কমদামী পণ্যে বাড়তি শব্দ তৈরি হয়। যা কানের জন্য ক্ষতিকর।

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি যেভাবে স্বাস্থ্যহানি ঘটাচ্ছে!

আরও পড়ুন: চোখের ওপর চাপ কমাবেন কীভাবে?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র