Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঢাকায় ওভারব্রিজ পার হতে লাইনে দাঁড়াতে হয়!

ঢাকায় ওভারব্রিজ পার হতে লাইনে দাঁড়াতে হয়!
ওভারব্রিজ পার হতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে পথচারীরা। ছবি: বার্তা২৪.কম
মুহিববুল্লাহ মুহিব
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কক্সবাজার


  • Font increase
  • Font Decrease

পান্থপথ থেকে: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বড় শপিং মল এলাকাগুলোতে বেড়েছে নগরবাসীর আনাগোনা। তাই সড়ক জুড়ে রয়েছে তীব্র যানজট। আর এ যানজট সড়ক ছাড়িয়ে ওভারব্রিজগুলোতে দেখা গেছে।

রাজধানীর গ্রিন রোড, পান্থপথ, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকার কয়েকটি ওভারব্রিজে মানুষের চাপ দেখা গেছে। ব্রিজের দুই পাশে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে শত শত মানুষ। মূলত সড়কে যানজট থাকায় মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করছে। সড়ক পাড় হওয়ার সময় অধিকাংশ মানুষ ওভারব্রিজ ব্যবহার করছে। এতে মানুষের সংখ্যা বেশি থাকায় সেখানে জটলা বেঁধে আছে।

এদিকে প্রতি বছর ঈদ আসলেই রাজধানীবাসী তীব্র যানজটের ফাঁদে পড়ে। বেশিরভাগ সময় যানজট থাকলেও কোনো উৎসব আসলে তা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558777587060.jpg

গ্রিন রোড থেকে বসুন্ধরা সিটির দিকে যাচ্ছিলেন সামিয়া রহমান। সিএনজি যোগে যাওয়ার পথে সড়কে যানজট থাকায় নেমে পড়েন। ওভারব্রিজ দিয়ে পায়ে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ভিড়ের কারণে তাকে সেখানে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে।

তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘নিয়মিত যানজট থাকলেও ঈদে তা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে এবার অবাক হয়েছি ওভারব্রিজ পার হতে গিয়ে। ওভারব্রিজ পার হতে আমাকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে।’

কমলাপুরের একটি ওভারব্রিজ দিয়ে পার হচ্ছিলেন শহিদুল আলম শিমুল। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রাস্তায় জ্যামে পড়তে হয় জানি, কিন্তু ওভারব্রিজেও এখন জ্যাম পড়ে তা জানা ছিল না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558777618567.jpg

উল্লেখ্য, যানজটের কারণে বিশ্বের অচল শীর্ষ ১০টি নগরীর মধ্যে রাজধানী ঢাকা অনেক আগেই ঠাঁই করে নিয়েছে। সড়কের তুলনায় রাজধানীতে গাড়ির সংখ্যা অনেক বেশি। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানজটে নগরবাসীর জীবন বিভীষিকাময় হয়ে ওঠে। তবে এবার সেই যানজট ওভারব্রিজ গুলোতেও দেখা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

রাজধানীতে অপহরণ, দুর্গম চর থেকে উদ্ধার

রাজধানীতে অপহরণ, দুর্গম চর থেকে উদ্ধার
অপহৃতকে উদ্ধার করে র‍্যাব, ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর হতে প্রাইভেটকারসহ অপহরণের চারদিন পর দুর্গম চর এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব। এছাড়া অপহরণের সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) র‍্যাব সদর দফতরের সিনিয়র এএসপি মিজানুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মিজানুর রহমান বলেন, 'রাজধানী থেকে অপহরণের চারদিন পর, মাদারীপুরের শিবচর থানা এলাকার পদ্মার দুর্গম চরের কাশবন থেকে অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাছাড়া এ ঘটনার সংঘবদ্ধ অপহরণকারীচক্রের চার সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।'

এ বিষয়ে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

সেফহোম থেকে নতুন জীবন পেল মায়া তারা লতারা

সেফহোম থেকে নতুন জীবন পেল মায়া তারা লতারা
চাকরিপ্রাপ্ত সেফহোমের বাকপ্রতিবন্ধীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মায়া, তারা, লতা, আসমা, সকলেই বাকপ্রতিবন্ধী। কেউ কথা বলতে পারেন না। এমনকি কেউ কেউ আবার কানেও শুনতে পান না। কথা বলেন ইশারায়। রাজশাহী সেফহোমে থাকা মায়া ও আসমার মত আরও ১০ জন মেয়েকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সেফহোমের ব্যবস্থাপক লাইজু রাজ্জাক।

ফলে সেফহোমের বন্দী জীবন ছেড়ে নতুন পৃথিবীতে পা রাখছেন তারা। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ওদের বিদায় উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেফহোম কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠান শুরুর পর আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অতিথিদের অনেকের চোখই ভিজে ওঠে।

বেসরকারি সংস্থা ‘ইউসেফ বাংলাদেশে’র পক্ষ থেকে এই মেয়েদের সেলাইয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আর তাদের মাধ্যমেই স্কয়ার গ্রুপের টেক্সটাইল ডিভিশনে এদের চাকরির বন্দোবস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে অবস্থিত।

অনুষ্ঠানে ইউসেফ’র প্রশিক্ষক রউফুল ইসলাম বলেন, তারা এই ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবেন। প্রশিক্ষণ নেওয়া ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। এরা হলেন- মায়া সুলতানা (১৮), আসমা খাতুন (২০), নাসরিন খাতুন (২৪), তারা (২৫), সালমা (২১), তানিয়া (২৫), আলোকি (২৪), লতা (২৬), জাহানারা (৩০) ও হাজেরা (১৮)।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566518368316.jpg

তাদের বিদায় অনুষ্ঠানে সেফহোমের উপ-তত্ত্বাবধায়ক লাইজু রাজ্জাক শোনালেন কীভাবে তাদের চাকরির জোগাড় হলো। তিনি একদিন ইউসেফ বাংলাদেশের রাজশাহী কার্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখেন ‘চাকরির মেলা’ শিরোনামে একটি নোটিশ ঝুলছে। সেখানে গিয়ে তিনি বিস্তারিতভাবে সব তথ্য জানতে পারেন।

পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানার পর তারা মেয়েদের সেলাই প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করেন। উল্লেখ্য যে, এই চাকরির মেলায় প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ কোটা ছিল। পরবর্তিতে সেফহোমের ১৫ জন মেয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর নির্ধারিত সময়ে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান ‘স্কয়ার গ্রুপ’র কর্মকর্তারা আসেন পরীক্ষা নিতে। সেফহোমেই পরীক্ষা নেওয়া হয় তাদের কাজের। সে পরীক্ষায় পাস করেন ১০ জন এবং পাস করার সাথে সাথেই তাদের দেওয়া হয় নিয়োগপত্র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566518405236.jpg

প্রথম অবস্থায় তারা মাসে ছয় হাজার টাকা করে বেতন পাবেন। কাজে ভালো করলে পরের বছরই বেতন বেড়ে হবে ১২ হাজার। থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা তারাই করবে। এজন্য মাসে বেতন থেকে ২ হাজার টাকা কাটা যাবে।

সেফহোমের উপ-তত্ত্বাবধায়ক জানান, আগামী শনিবার তিনি এই মেয়েদের নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যাবেন। নিজ হাতে তাদের ব্যাংক হিসাব নম্বর খুলে দিয়ে আসবেন। যাওয়ার আগেই তাদের জন্য নতুন জমা বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যেকের জন্য একটা করে কম্বল, মশারি, এক জোড়া করে স্যান্ডেল ও একটি করে ব্যাগ কিনে দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের উদ্দেশ্যে সমাজসেবা অধিদফতরের রাজশাহী বিভাগীয় উপ-পরিচালক রাশেদুল কবীর বলেন, ‘তোমাদের হয়তো ঠিকমতো দেখাশোনা করতে পারিনি, তোমরা আমাকে ক্ষমা করে দিও’।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র