Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রাজস্ব বৃদ্ধির ২০ উৎস চিহ্নিত করে অর্থনীতি সমিতির ছায়া বাজেট

রাজস্ব বৃদ্ধির ২০ উৎস চিহ্নিত করে অর্থনীতি সমিতির ছায়া বাজেট
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেট
বার্তা২৪.কম
রাজশাহী


  • Font increase
  • Font Decrease

 

কোনো প্রকার বৈদেশিক ঋণ ছাড়াই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ১২ লাখ ৪০ হাজার ৯০ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি।

শনিবার (২৫ মে) দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি রেস্টেুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই বাজেট পেশ করা হয়।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের রাজস্ব আয় থেকে আসবে ১০ লাখ ২০ হাজার ৫১০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেট বরাদ্দের ৮১ শতাংশ। আর বাকি ১৯ শতাংশ ঘাটতির অর্থায়নে যোগান দেবে সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্ব।

অর্থনীতি সমিতির প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০টি নতুন উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম- বিদেশি নাগরিকদের ওপর করারোপ, সেবা থেকে প্রাপ্ত কর, সম্পদ কর, বিমান পরিবহন ও ভ্রমণ কর। এছাড়া  এই প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি ও শিক্ষাখাতের বিশেষ বরাদ্দে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির রাজশাহীর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন খান বলেন, সরকার ধনীদের তুলনায় গরিব শ্রেণির ওপর পরোক্ষ করের বোঝা চাপিয়ে রেখেছে। এই বৈষম্য কমাতে হবে। করদাতা সংখ্যার বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তারা বলেন, দেশে ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে অন্তত দুই কোটি কর দেয়ার যোগ্য। কিন্তু কর দেন মাত্র ২২লাখ। এ অবস্থা উত্তরণে সরকারকে আরও আন্তরিক হওয়া আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,  আসন্ন বাজেটে  সরকারের আয়ের উৎস নিয়ে প্রস্তাব হলো-অর্থপাচার রোধ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং কালো টাকা উদ্ধার থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা আহরণ করতে হবে। শিক্ষা ও প্রযুক্তিখাতে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের বরাদ্দ ছিল ৬৭ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা।

কিন্তু এই খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনীতি সমিতি আসন্ন বাজেটে তা  দুই লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। স্বাস্থ্যখাতেও গত অর্থবছরের তুলনায় এবার চার গুণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে ৫ দশমিক ৬৪ গুণ বৃদ্ধির পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানজিল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু নোমান ও  রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর দিবস উদযাপন

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর দিবস উদযাপন
প্রতীকী স্বাক্ষর করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রানসিস্কোতে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন স্বাক্ষরিত হয় জাতিসংঘ সনদ। দিনটি স্মরণে এবং ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবে বুধবার (২৬ জুন) এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।

সনদ স্বাক্ষরের দিনটির প্রতি সম্মান জানিয়ে অনুষ্ঠানে প্রতীকী স্বাক্ষর করেন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের পক্ষে প্রতীকী স্বাক্ষর
করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

প্রতীকী স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে জাতিসংঘের ছয়টি দাফতরিক ভাষায় জাতিসংঘ সনদের মুখবন্ধ সম্বলিত একটি পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানটিতে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সনদ স্বাক্ষরের সেই ঐতিহাসিক দিনের (১৯৪৫ সালের ২৬ জুন) তথ্য সম্বলিত একটি ভিডিও চিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য দেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সভাপতি মিস মারিয়া ফার্নান্দে এসপিনোসা গার্সেজ এবং জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপনের বিশেষ উপদেষ্টা ফ্যাবরিজিও হচ্চাইল্ড ড্রামমন্ড।

a
বক্তব্য রাখছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সভাপতি মিস মারিয়া ফার্নান্দে এসপিনোসা গার্সেজ, ছবি: সংগৃহীত

 

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে সাধারণ পরিষদ সভাপতি বলেন, ‘‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজও আমরা সান ফ্রানসিস্কোর সেই দিনটির শক্তিকে অনুভব করতে পারি। আজ আমরা এখানে প্রতীকী স্বাক্ষর করলাম। এজেন্ডা ২০৩০ এবং প্যারিস চুক্তিসহ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করা অন্যান্য চুক্তি ও কনভেনশন যেমন অভিবাসন, সমুদ্র সম্পদ ও আইন, খাদ্য নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, স্বাস্থ্য অথবা নারীর ক্ষমতায়ন
ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের প্রতিজ্ঞাগুলো অটুট রাখতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের সপ্তাহেও আমরা দূরদর্শী ও বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেব।”

বহুপক্ষবাদ এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামী বছর জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপনে এগিয়ে আসতে সদস্য দেশেগুলোর প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

 

যে কারণে খুন করা হয় রিফাতকে

যে কারণে খুন করা হয় রিফাতকে
বাঁয়ে রিফাত শরীফ, ডানে ঘাতক নয়ন, ছবি: সংগৃহীত

বরগুনায় দিনদুপুরে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার বিষয়টি বুধবার (২৬ জুন) দেশব্যাপী আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়েছে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও চিত্র। ভিডিওতে দেখা যায় যায়, সাব্বির আহমেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজি নামে দুই যুবক ধারালো দা দিয়ে শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফ (২৫) নামে এক যুবককে এলোপাতাড়ি কোপাচ্ছেন। আর রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি স্বামীকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। বার বার চেষ্টা করেও সন্ত্রাসীদের ঠেকাতে পারেননি মিন্নি।

আরও পড়ুন: ঘাতক নয়নকে আটকাতে বরগুনার মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট

নিহত রিফাত বরগুনার সদর উপজেলার ৬ নম্বর বুড়িরচর ইউনিয়নের দুলাল শরীফের ছেলে।

নিহতের স্বজনরা জানান, দুই মাস আগে রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে হয়। পরে মিন্নিকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করেন বরগুনা পৌরসভার ধানসিঁড়ি এলাকার আবুবকর সিদ্দিকের ছেলে নয়ন। এ নিয়ে রিফাত ও নয়নের মধ্যে একাধিকবার ঝগড়া হয়। পরে মিন্নির ফেসবুক আইডি হ্যাক করে বেশ কিছু ছবি দিয়ে অপত্তিকর পোস্ট দেন নয়ন। এনিয়ে রিফাতের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয় নয়নের। বুধবার দুপুরে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে মিন্নি ও রিফাতকে পেয়ে নয়ন ও তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে যায়। এরপর স্থানীয়রা রিফাতকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় রিফাত।

আরও পড়ুন: আপ্রাণ চেষ্টা করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না স্ত্রী

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মাদ হোসেন জানান, নয়ন ও তার সহযোগীদের ধরতে সদর থানা পুলিশ, গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ এবং জেলা পুলিশের সদস্যরা মাঠে রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র