Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাজধানীতে পাকিস্তানি-ভারতীয় কাপড়ে আগ্রহ ক্রেতাদের

রাজধানীতে পাকিস্তানি-ভারতীয় কাপড়ে আগ্রহ ক্রেতাদের
জমে উঠেছে রাজধানীর বিপণী বিতানগুলো, ছবি: সৈয়দ মেহেদী হাসান
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠছে রাজধানীর বিপণী বিতানগুলো। শিশু,বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই ছুটছেন এক মার্কেট থেকে আরেক মার্কেটে। মার্কেটের পাশাপাশি ফুটপাতেও সমানতালে চলছে বেচাবিক্রি। বরাবরের মতো দাম নিয়ে পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করেছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

তবে বিক্রেতারা বলছেন, অন্যান্যবার দেশীয় কাপড়ে চাহিদা থাকলেও এবার তা দখল করে নিয়েছে পাকিস্তানি ও ভারতীয় কাপড়। শনিবার (২৫ মে) নয়াপল্টনের সিটি হার্ট শপিং কমপ্লেক্স, পলওয়েল এবং মৌচাকের মৌচাক এবং ফরচুন মার্কেট ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558785444658.jpgদুপুরে সিটি হার্ট শপিং কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, থ্রি পিস ও শাড়ি দোকানের পাশাপাশি বাচ্চাদের কাপড় এবং জুতার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি। কাপড়ের দোকানে ছেলে মেয়েকে নিয়ে এসেছেন লাইক আহমেদ।

কুষ্টিয়ার এ বাসিন্দা ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরি করেন। তিনি বার্তা২৪.কম-কে বলেন, সাড়ে ১১টার দিকে শপিং করতে এসেছি। এবার হালকা দামের একটি থ্রি পিস ও একটি শাড়ি কিনেছি। ছেলের জন্য শার্ট ও প্যান্ট আর নিজের জন্য টি-শার্ট কিনেছি।

তিনি বলেন, এবারের ঈদে বাজেট পনেরো হাজার টাকা। এই টাকায় অনেক কিছু কিনতে হবে। তাই যাচাই-বাছাই করে একটু কম দাম পেলেই কিনছি। কিন্তু এবার জামা কাপড়ের দাম অনেক বেশি। আরেক ক্রেতা সাদিয়া জামানও পরিবার নিয়ে এসেছেন ঈদবাজার করতে। তিনিও জানালেন, কাপড়ের বাড়তি দামের কথা।

তাদের সঙ্গে কথা শেষে কয়েক পা ফেলতেই দেখা গেল বুটিক কাপড়ের দোকান ‘মমতা’। সেখানেও উপচে পড়া ভিড় ক্রেতাদের। ওই বুটিকের দোকান মালিক মো. মামুন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘লোকজন আসছে, বেচা-কেনাও ভালো হচ্ছে। তবে গতবারের মত নয়।’ 

তিনি বলেন, আমার দোকানে ১৫ বছরের বেশি মেয়েদের কাপড় রয়েছে। সর্বনিন্ম এক হাজার ১০০ টাকা থেকে ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত কাপড় রয়েছে।তার পাশের দোকান ইকরা এন্টারপ্রাইজের মালিক মাহবুল আলম। ঈদের বেচাবিক্রি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এবার বেচা-কেনা খারাপ হচ্ছে না। তবে প্রত্যাশা অনুসারে হচ্ছে না। এবার পাকিস্তানি আর ভারতীয় কাপড়েই বেশি আগ্রহ ক্রেতাদের। বিক্রিও হচ্ছে বেশি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558785587927.jpgসেন্টাল টার্চ নামের অপর এক দোকানের মালিক মো. শাহদাত হোসাইন বলেন, কাস্টমার আসছেন, দেখছেন, কেনা-বেচাও হচ্ছে। তবে বড়দের চেয়ে এবার বাচ্চাদের কাপড় বিক্রি বেশি হচ্ছে। একই কথা জানালেন, কচি এন্টারপ্রাইজের মালিক এলমানও। তিনি বলেন, বেচা-কেনা ভালই হচ্ছে। তার দোকানে ছেলেদের সবধরনের জিন্স প্যান্ট ও টি-শার্ট রয়েছে। দামও কম।

তবে পলওয়েল মাকের্টের পাঞ্জাবী, টি-শার্ট ও শার্টের দোকান ফারাবী ট্রেডাসের মালিকের দাবি তাদের ব্যবসা নেই। তিনি বলেন, ওভার অল ব্যবসা খারাপ হওয়ার কেনা বেচাও কম। তাছাড়া আগামী সপ্তাহ পরই ৯দিনের ছুটি। সবাই গ্রামের বাড়ি চলে যাবে। আশা ছিল এখনি কেনা-বেচা হবে কিন্তু কাস্টমার নেই।  

মেন্স ক্লাব জুতার দোকানদার জাহাঙ্গীর আলম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার পর কিছু কেনা বেচা হয়েছিল। কিন্তু শনিবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় দোকান খুলেছি এখন পর্যন্ত কেবল একজোড়া জুতা বিক্রি হয়েছে। এখন সময় দুপুর দেড়টা। মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, এবার ছোটদের কাপড়ের দোকানেই ভিড় বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558785483481.jpgতানজিনা এন্টারপ্রাইজ, সোনিয়ার বস্ত্র বিতানসহ বাচ্চাদের কাপড়ের দোকানগুলোতেই ভিড় ক্রেতাদের। একই অবস্থা ফরচুন ও মৌচাক মার্কেটেও। বাড়তি দাম নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ বিষয়ে অধিকাংশ দোকানদার বলেন, তারা এবার তুলনামূলক কম লাভেই বিক্রি করছেন পণ্য। দামও ক্রেতাদের হাতের নাগালেই রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

আ'লীগের উপদেষ্টা পরিষদে আতাউর রহমান আতা

আ'লীগের উপদেষ্টা পরিষদে আতাউর রহমান আতা
আতাউর রহমান আতা, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনীত হয়েছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আতা। ২০০১ সালে নাট্যক্ষেত্রে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছিলেন তিনি।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দলের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আতাউর রহমানকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে আতাউর রহমানের জন্ম। স্কুলজীবনেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে আবদুল্লাহ আল মামুনসহ আতাউর রহমান প্রথম মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন। ১৯৭২ সালে ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ এর মাধ্যমে তার নাট্য নির্দেশনা শুরু। পরে নিজের দল ও অন্য দলের হয়ে অসংখ্য নাটকে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঞ্চ নাটকের নির্দেশনার পাশাপাশি আতাউর রহমান অভিনয়ও করছেন সমানতালে। এ ছাড়া নাট্য বিষয়ক বই, নাট্যসমালোচনা, উপস্থাপনা, শিক্ষকতা, টেলিভিশন নাট্যকার, প্রবন্ধকার, বক্তা সব ক্ষেত্রেই রয়েছে আতাউর রহমানের সরব পদচারণা।

বরিশালে কমছে ডেঙ্গু রোগী

বরিশালে কমছে ডেঙ্গু রোগী
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্তরা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরিশালে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সেই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও কমছে রোগী ভর্তির সংখ্যা। ঈদুল আজহা ঘিরে এ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তুলনামূলক বাড়েনি।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে ৩৭ জন ‍পুরুষ, ১৫ জন মহিলা ও ৯ জন শিশু। সব মিলিয়ে বর্তমানে শেবাচিমে ২৬০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যার মধ্যে ১৪৬ জন পুরুষ, ৫৬ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু রয়েছে।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম পরিচালক ডাক্তার মোঃ বাকির হোসেন।

এ সময় তিনি জানান, গত তিন থেকে চার দিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী শেবাচিম হাসপাতালে তুলনামূলক কম ভর্তি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও আশাবাদী ঐ পরিচালক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566039735609.gif

শেবাচিমে ডেঙ্গু রোগীর ভর্তি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, শুক্রবারের ৫০ জন, বৃহস্পতিবার ৬৭ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছিল। এর আগে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টায় গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ জন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হতো।

এদিকে শনিবার সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী। শুক্রবার সকালের হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ৯১ জন ও বৃহস্পতিবার ১১৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

ঈদের পরে ১৪ আগস্ট হাসপাতালে ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। ১৫ আগস্ট ছিল ২৯৯ এবং ১৬ আগস্ট তা কমে দাঁড়ায় ২৫৮ জনে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত এক মাসে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত এক হাজার ১৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯১২ জন। আর মৃত্যু হয়েছে শিশুসহ চার জন রোগীর।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র