Alexa

সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি

সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি

সিলেটে ব্যস্ত দর্জিবাড়ি/ছবি: আবু বকর

পবিত্র ঈদুল ফিতরের  আর ১০ দিন বাকি। সিলেটের দর্জিপাড়ায় যেন সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অর্ডার নেয়া। ফলে শেষ  ‍মুহূর্তে দর্জি বাড়িতে ছুটছেন ফ্যাশন প্রিয়রা। ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জির দোকানগুলোতে।

সিলেটের বিভিন্ন বিপণিবিতানের গড়ে ওঠা দোকানগুলোতে সেলাই মেশিনের  শব্দে মুখর। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই। দর্জি  বাড়ি এখন মহাব্যস্ত। এ ব্যস্ততা চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। এখন সিলেটের ফ্যাশন সচেতন তরুণীরা ছুটছেন জিন্দাবাজারের শুকরিয়া, সিটি শপিংসিটি, প্লাজাসহ বিভিন্ন মার্কেটের গড়ে ওঠা দর্জির দোকানে। আবার ছেলেদের শার্ট-প্যান্ট তৈরির যোগান দিচ্ছে স্থানীয় নামকরা সব টেইলার্স। সাথে পাঞ্জাবি তৈরির দোকানগুলোতেও ভিড় বেড়েছে।

সিলেট মধুবন মার্কেটের ন্যাশনাল টেইলার্স এর মালিক ছাব্বির আহমদ জানান, শবে বরাতের পর থেকেই এই সব পোশাক তৈরির অর্ডার নেয়া শুরু হয়েছে। ২০  রমজান থেকে ২২ রমজানের মধ্যে সব ধরনের অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দেবেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558868461306.jpg

তিনি জানান, দর্জি দোকানের কারিগরদের এখন নির্ঘুম রাত কাটছে। রাত জেগে তৈরি করছেন নিত্য নতুন ডিজাইনের সব জামা-কাপড়।

সিলেটের বিভিন্ন পাড়ামহল্লার আনাচে-কানাচে গড়ে উঠা টেইলার্স গুলোতেও ব্যস্ততা। নগরীর হাওয়াপাড়ার রমনী টেইলার্সের সাহিদা বেগম জানান, তার কারিগর কম। মাত্র তিনজন কারিগর দিয়ে ঈদের মৌসুম পার করতে হচ্ছে তাকে। এরজন্য তিনি আর নতুন করে অর্ডার নিচ্ছেন না।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দর্জি দোকানগুলো ঘুরে জানা যায়, প্রতিটি দর্জি কারিগররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদের প্রচুর কাজ জমে আছে দোকানগুলোতে। তাই কথা বলার সময়টুকুও নেই তাদের।

দক্ষিণ সুরমার জালালপুর বাজারের ইত্যাদি টেইলার্সের কারিগর সাইফুল জানান, মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলেও গরমের দাপটও রয়েছে। তাই সুতি কাপড়ের পোশাক তৈরির অর্ডার বেশি হচ্ছে।

সিলেট নগরীর মধুবন সুপার মার্কেট, আলহামরা শপিং সিটি, করিমউল্লাহ মার্কেট, ওয়েস্টওয়ার্ল্ড শপিং সিটি, ব্লুওয়াটার শপিং সিটিসহ সবকটা মার্কেটের সব ছোট বড় দর্জি দোকানগুলোতে কাপড় সেলাইয়ের ধুম পড়েছে।

দর্জি দোকানি রাজন দাস জানান, মেয়েদের পোশাকে এবার তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। ঈদ উপলক্ষে কাজ বাড়লেও তাদের মজুরি এখনও বাড়েনি।

 

আপনার মতামত লিখুন :