Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বাস-চালকের কাগজপত্র ছাড়া টার্মিনাল ছাড়বে না বাস: আইজিপি

বাস-চালকের কাগজপত্র ছাড়া টার্মিনাল ছাড়বে না বাস: আইজিপি
লিশ সদর দফতরে সকল মহানগর ও রেঞ্জের পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে ভিডিও কনফারেন্স, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদে টার্মিনাল হতে বাস ছাড়ার পূর্বেই চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, অন্যান্য কাগজপত্র ও পরিবহনের ফিটনেস পরীক্ষা করতে নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক(আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

রোববার (২৬ মে) দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে সকল মহানগর ও রেঞ্জের পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেয়ার সময় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘টার্মিনাল হতে বাস ছাড়ার পূর্বে ড্রাইভারের ড্রাইভিং লাইসেন্স, অন্যান্য কাগজপত্র ও ফিটনেস পরীক্ষা করতে হবে। বাসের চালকের সঠিক কাগজপত্র ছাড়া টার্মিনাল ত্যাগ করবে না বাস। পাশাপাশি বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহণ বন্ধের নির্দেশ দেন। এসব বিষয় বাস্তবায়ন করার জন্য পুলিশকে শক্ত অবস্থায় মাঠে থাকতে হবে।

আইজিপি আরও বলেন, ‘মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহে সিসিটিভি স্থাপন, ট্রাক, পিকআপ এবং পণ্যবাহী ট্রাকে যাত্রী পরিবহণ রোধ এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য ব্যতীত মহাসড়কে যানবাহন থামানো যাবে না।

এ বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া এন্ড পিআর) সোহেল রানা জানান, ওই সব নির্দেশনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ঈদের কেনাকাটা নির্বিঘ্ন করতে মার্কেট ও শপিংমলে ভোররাত পর্যন্ত পোশাকে ও সাদা পোশাকে বিশেষ নিরাপত্তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি।

ভিডিও কনফারেন্সে মহানগর সদর দফতরসমূহে উপ-পুলিশ কমিশনার ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা এবং রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে রেঞ্জ এর অধীন জেলা পুলিশ সুপার ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গান্ধী আশ্রমের ঝর্ণা ধারা চৌধুরী আর নেই

গান্ধী আশ্রমের ঝর্ণা ধারা চৌধুরী আর নেই
ঝর্ণা ধারা চৌধুরী, ছবি: সংগৃহীত

একুশে পদক, রোকেয়া পদক ও ভারতের পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সচিব ঝর্ণা ধারা চৌধুরী আর নেই। মুত্যৃকালে তাঁর বয়স ছিল ৮০ বছর।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৬টায় স্কয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

এর আগে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানিয়েছে আশ্রম কর্তৃপক্ষ।

ঝর্ণা ধারা চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ গ্রামে প্রতিষ্ঠিত গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সেবামূলক এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রাহা নব কুমার বলেন, ‘ঝর্ণা ধারা চৌধুরী দীর্ঘদিন থেকে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। পরে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে রাজধানীতে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে আজ ভোরে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান।’

ঝর্ণাধারা ১৯৩৮ সালের ১৫ অক্টোবর লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। মানব সেবায় নিয়োজিত এই নারী সংসার জীবনে যাননি। গান্ধী আশ্রমের সমাজকর্মী হিসেবে ছুটে চলেন গ্রাম থেকে গ্রামে
কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ঝর্ণা ধারা চৌধুরী ২০১৩ সালে ভারতের রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী খেতাবে ভূষিত হন।

সমাজসেবক হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক বাজাজ পুরস্কার ১৯৯৮, শান্তি পুরস্কার ২০০০, অনন্যা ২০০১, দুর্বার নেটওয়ার্ক পুরস্কার ২০০৩, কীর্তিমতি নারী পুরস্কার ২০১০, একুশে পদক ২০১৫, বেগম রোকেয়া পদক ২০১৩, সাদা মনের মানুষ পদক ২০০৭ এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পদক পেয়েছেন।

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর দিবস উদযাপন

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর দিবস উদযাপন
প্রতীকী স্বাক্ষর করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রানসিস্কোতে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন স্বাক্ষরিত হয় জাতিসংঘ সনদ। দিনটি স্মরণে এবং ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবে বুধবার (২৬ জুন) এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।

সনদ স্বাক্ষরের দিনটির প্রতি সম্মান জানিয়ে অনুষ্ঠানে প্রতীকী স্বাক্ষর করেন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের পক্ষে প্রতীকী স্বাক্ষর
করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

প্রতীকী স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে জাতিসংঘের ছয়টি দাফতরিক ভাষায় জাতিসংঘ সনদের মুখবন্ধ সম্বলিত একটি পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানটিতে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সনদ স্বাক্ষরের সেই ঐতিহাসিক দিনের (১৯৪৫ সালের ২৬ জুন) তথ্য সম্বলিত একটি ভিডিও চিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য দেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সভাপতি মিস মারিয়া ফার্নান্দে এসপিনোসা গার্সেজ এবং জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপনের বিশেষ উপদেষ্টা ফ্যাবরিজিও হচ্চাইল্ড ড্রামমন্ড।

a
বক্তব্য রাখছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সভাপতি মিস মারিয়া ফার্নান্দে এসপিনোসা গার্সেজ, ছবি: সংগৃহীত

 

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে সাধারণ পরিষদ সভাপতি বলেন, ‘‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজও আমরা সান ফ্রানসিস্কোর সেই দিনটির শক্তিকে অনুভব করতে পারি। আজ আমরা এখানে প্রতীকী স্বাক্ষর করলাম। এজেন্ডা ২০৩০ এবং প্যারিস চুক্তিসহ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করা অন্যান্য চুক্তি ও কনভেনশন যেমন অভিবাসন, সমুদ্র সম্পদ ও আইন, খাদ্য নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, স্বাস্থ্য অথবা নারীর ক্ষমতায়ন
ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের প্রতিজ্ঞাগুলো অটুট রাখতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের সপ্তাহেও আমরা দূরদর্শী ও বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেব।”

বহুপক্ষবাদ এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামী বছর জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপনে এগিয়ে আসতে সদস্য দেশেগুলোর প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র