Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রংপুরে হোটেল-রেস্টুরেন্টে ধর্মঘট প্রত্যাহার

রংপুরে হোটেল-রেস্টুরেন্টে ধর্মঘট প্রত্যাহার
রংপুর জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে রেস্তোরাঁ ও বেকারি মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা আদায়ের প্রতিবাদে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও বেকারি মালিকরা।

রোববার (২৬ মে) বিকেলে বার্তা২৪.কমকে ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মজিদ খোকন।

এদিকে ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া ধর্মঘটে রংপুর মহানগরীর কোথাও হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বেকারি খোলা রাখতে দেখা যায়নি। এতে করে বিকেলের পর থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা ক্রেতাদের শূন্যহাতে ফিরে যেতে হয়েছে।

রমজান মাসে ব্যবসায়ীদের এমন ধর্মঘটে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে জনমনে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, অভিযানের নামে অস্বাভাবিক হারে প্রশাসনের জরিমানা আদায় এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টার প্রতিবাদেই এই ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল।

এদিকে রোববার (২৬ মে) দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে রেস্তোরাঁ ও বেকারি মালিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব বলেন, খাবারের মান উন্নত করার লক্ষ্যে সকল হোটেল রেস্তোরাঁ ও বেকারি দোকান মালিকদের আরও আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ অভিযান টিমদের সহনশীলভাবে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন।

রংপুর জেলা হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মজিদ খোকন বলেন, ‘আমরা জেলা প্রশাসন ও র‌্যাব-১৩’র অধিনায়কের সঙ্গে সভা করেছি। তাদের কাছ থেকে আমরা সন্তোষমূলক আশ্বাস পেয়েই ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামীকাল সোমবার (২৭ মে) থেকে আগের মতো সকল হোটেল রেস্তোরাঁ, বেকারি ও ইফতারের দোকানগুলো খোলা রাখা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খাদে, চালক-হেলপারের মৃত্যু

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খাদে, চালক-হেলপারের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে চালক-হেলপারের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) সকালে উপজেলার লেংরা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী মাহমুদ বার্তা২৪.কমকে জানান, ট্রাকটি সম্ভবত উত্তরাঞ্চল থেকে আসছিলো। লেংরা বাজার এলাকায় আসার পর ময়মনসিংহ শহরগামী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে চালক ও হেলপার ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

ওসি আরও জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

ভারতে গ্রেফতার গোদাগাড়ীর জঙ্গি শাহীন

ভারতে গ্রেফতার গোদাগাড়ীর জঙ্গি শাহীন
জঙ্গি শাহীন। ছবি: সংগৃহীত

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদ বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ একটি দল। মঙ্গলবার (২৫ জুন) তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে জানিয়েছে- তারা স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবে কাজ করত। কলকাতায় তারা বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই বাংলার প্রশাসন এখন তৎপর।

কলকাতায় গ্রেফতার চার জঙ্গির মধ্যে তিনজনই বাংলাদেশি। এর মধ্যে আল-আমিন ওরফে শাহীন (২৩) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ছেলে। শাহীনের বাবা পৌর এলাকার বুজরুক রাজারামপুর গ্রামের রিকশাচালক রফিকুল ইসলাম।

শাহীন ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের কারও সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগও নেই বলে জানিয়েছেন তার মা।

শাহীনের মা সাহের বানু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘গতবছরের (২০১৮ সাল) জুন মাসের দিকে শাহীনকে ধরতে বাড়িতে পুলিশ আসে। কিন্তু আমার ছেলে ওই সময় বাড়িতে ছিল না। পরে তারা শাহীনের মোবাইল নম্বর ও ছবি নিয়ে যায়।’

সাহের বানু বলেন, ‘পুলিশ বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর আমরা তাকে মোবাইলে যোগাযোগ করেও কোনো খোঁজ পাইনি। পরে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার বন্ধু-বান্ধব বা যাদের সঙ্গে সে মিশত, তারাও কেউ শাহীনের খোঁজ দিতে পারেনি।’

শাহীনের মা জানান, তার ছেলে গোদাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও গোদাগাড়ী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে। পরে সে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হয়। নিখোঁজের সময় শাহীন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।

শাহীনের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০১৭ সালে রাজারামপুর গ্রামের আমিজুল ইসলাম রনিকে ক্রসফায়ারে দেয় পুলিশ। রনির সঙ্গে আমার ছেলে মিশত। তবে রনি এবং আমার ছেলে কোনো খারাপ কাজে জড়িত ছিল কিনা তা জানি না। রনি মারা যাওয়ার পর শাহীনও এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। এক বছর হল শাহীনের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই।’

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘শাহীনকে গ্রেফতার করতে আমরা তার বাড়ি এবং ওই এলাকায় কয়েক দফা সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছি। তবে সে খুব চতুর। বড় কোনো পর্যায়ে তার যোগাযোগ ছিল। আগে থেকে সে সরে পড়ত।’

ওসি আরও বলেন, ‘গত এক বছর ধরে তার আর কোনো সন্ধান মিলছিল না। মূলত সে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। গতকাল মঙ্গলবার (২৫ জুন) সে কলকাতায় গ্রেফতার হয় বলে শুনেছি।’

প্রসঙ্গত, ভারতের শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা থেকে মঙ্গলবার জিয়াউর রহমান ওরফে মহসিন এবং মামুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে আল-আমিন ওরফে শাহীন এবং রবিউল আলমকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য দুই বাংলাদেশি জঙ্গি জিয়াউর রহমানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং মামুনুর রশিদের বাড়ি রংপুরে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র