Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বনায়নে গুরুত্বারোপ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বনায়নে গুরুত্বারোপ
বৃক্ষরোপনে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০১৮ চূড়ান্তকরণে অনুষ্ঠিত জাতীয় কমিটির বৈঠক, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় সারাদেশে বনায়ন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি। তিনি পতিত জমির পাশাপাশি নদীর তীর, রাস্তার পাশে এবং বাড়ির ছাদ ও ব্যালকনিসহ সর্বত্র গাছ লাগিয়ে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

রোববার (২৬ মে) সচিবালয়ে নিজ দফতরে বৃক্ষরোপনে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০১৮ চূড়ান্তকরণে অনুষ্ঠিত জাতীয় কমিটির বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, সংসদ সদস্য শামীমা আক্তার খানম, পরিবেশ সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ, পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরী, কালের কণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার নিখিল ভদ্র প্রমুখ।

বৈঠকে পুরস্কার ও পদকপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্তকরণ শেষে মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে বলেন, বাড়ির আঙিনা, ছাদ, সড়ক, অফিস-আদালতের যেখানে পরিত্যক্ত জায়গা আছে, সেখানেই গাছ লাগাতে হবে। বনজ, ফলজ ও ভেষজ সকল ধরনের গাছ লাগালে আমাদের পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে উপকূলেই সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, উপকূলীয় অঞ্চালে সবুজ বনায়নে ঝড়, জলোচ্ছাস থেকে দেশের মানুষকে বাঁচায়, দেশকে বাঁচায়। তাই দেশকে বাঁচাতে হলে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। তিনি লবণাক্ত এলাকাসহ প্রতিকূল পরিবেশে যারা বৃক্ষরোপন করছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে স্মরণকালের ভয়াবহ শিডিউল বিপর্যয়

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে স্মরণকালের ভয়াবহ শিডিউল বিপর্যয়
রাজশাহী স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী থেকে রাতের ট্রেনে ঢাকায় ফিরে যারা অফিসে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাদের হাজিরা খাতায় পড়েছে লাল দাগ। বরং স্টেশনে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্টেশনে বসে কামড় খেয়েছেন মশার।

কেউ কেউ টিকিট কেটেও ভিড় ঠেলে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন ট্রেনে। কারণ স্মরণকালের ভয়াবহ শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ট্রেনগুলো। বিরতিহীন বনলতা ছাড়া আন্তঃনগর সকল ট্রেন চলছে ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা বিলম্বে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈদের আগে থেকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে চলছে অচলাবস্থা। যার ধকল ঈদের পরও কাটেনি, বরং বেড়েছে। শনিবার (১৭ আগস্ট) রাত ১১টা ২০ মিনিটের ধূমকেতু এক্সপ্রেস রাজশাহী স্টেশন ছেড়েছে রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টায়। আর রোববার সকাল ৭টার সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ছেড়েছে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে।

আরও পড়ুন: ৭ বছর পর পরিবারের কাছে পাচার হওয়া খাদিজা

রোববার দুপুরে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, স্টেশনে ছোট-বড় ব্যাগ-বস্তাভর্তি মালামাল নিয়ে বসে থাকা যাত্রীদের চোখেমুখে রাজ্যের ক্লান্তির ছাপ। সকাল ৭টার সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে স্টেশনে আসার পর সহস্রাধিক যাত্রী হুড়মুড়িয়ে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566135947998.jpg

ছুটি শেষে ঢাকা ফিরছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাফসানি সাদিক। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘সকার ৭টায় সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্টেশনে বসে আছি। ট্রেনের কোনো খবর নেই। ফলে ব্যাগপত্র নিয়ে স্টেশনে ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছি।’

৮ ঘণ্টা দেরিতে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া ধূমকেতু এক্সপ্রেসের যাত্রী ফজলে রাব্বী মোবাইলে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। শনিবার রাতের ট্রেনে আগেই টিকিট নিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল রাতের রওয়ানা হয়ে সকালে ঢাকা পৌছে অফিসে যোগ দেব। কিন্তু তা পারিনি। এখন দুপুর প্রায় ১টা বাজে, তবুও পথে আছি।’

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর ‘মুত্যু’

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা এএএম শাহ নেওয়াজ বলেন, ‘ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ছাড়তে হচ্ছে প্রতিটি ট্রেন। ট্রেনের ভেতর যাত্রীদের ব্যাপক চাপ। ছাদও ফাঁকা যাচ্ছে না। ফলে গতির চেয়ে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথাই আগে ভাবতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনের গতি কমিয়ে আনা হয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়ে ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। নির্ধারিত সময়ে আসতেও পারছে না। আমার দায়িত্ব পালনকালে এমন শিডিউল বিপর্যয় দেখিনি।’

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) খোন্দকার শহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ঈদের আগে বন্যায় উত্তরাঞ্চলের রেললাইন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তা কাটিয়ে ওঠার আগেই ঈদের চাপ। যাত্রীরা টিকিট না পেলেও ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান। ফলে যাত্রীদের চাপে শিডিউল বিপর্যয় বেড়েছে। সিঙ্গেল লাইন যতোদিন ডাবল না হবে, ততোদিন ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় কমবেশি থাকবেই।’

অতিরিক্ত ডিআইজি পদে ২০ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতিসহ বদলি

অতিরিক্ত ডিআইজি পদে ২০ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতিসহ বদলি
বাংলাদেশ পুলিশ, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ২০ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক পদায়ন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৮ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ অধিশাখা-১ এর উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতির এই আদেশ দেওয়া হয়।

অন্য আরেকটি প্রজ্ঞাপনে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ২০ কর্মকর্তাগনদের জনস্বার্থে বিভিন্নস্থানে বদলি বা পদায়ন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নৌ-পুলিশের চলতি দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার তানভীর হায়দার চৌধুরীকে পদোন্নতি দিয়ে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার এসএম ফজলুর রহমানকে একই ইউনিটে অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি কামরুল আহসানকে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশের বিশেষ শাখা এসবি’র বিশেষ পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিমকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার, এসবি’র বিশেষ পুলিশ সুপার আইনুল বারীকে এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশণার হাবিবুর রহমান খানকে খুলনার পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদকে রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি, নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেনকে রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার গোলাম রউফ খানকে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলামকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার, পুলিশ হেড কোয়ার্টাসের এআইজি শামীম বেগমকে টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার সালমা বেগমকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদকে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার এ কে এম এহসান উল্লাহকে বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার, টিঅ্যান্ডআইএম-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তবারক উল্লাহকে একই শাখায় অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলামকে নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার এস এম মোস্তাক আহমেদকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবিরকে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র