Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রংপুরে ৮১ ভাগ স্কুলের পাশে বিক্রি হয় তামাকপণ্য

রংপুরে ৮১ ভাগ স্কুলের পাশে বিক্রি হয় তামাকপণ্য
রংপুরে স্কুল ও খেলার মাঠের পাশেই অবাধে বিক্রি হচ্ছে তামাকপণ্য, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর বিভাগের আট জেলায় শতকরা ৮১ ভাগ স্কুল ও খেলার মাঠের ১০০ মিটারের মধ্যে সিগারেটসহ তামাকপণ্য বিক্রি হয়। এসব স্কুলের পাশে ক্ষুদ্র মুদির দোকান রয়েছে ৪৮ ভাগ। আর রাস্তার পাশে তামাক পণ্যের দোকান ৯ ভাগ এবং ভ্যানের ওপর ফেরি করে তামাকপণ্য বিক্রি করা ৪২ ভাগ দোকান পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৭ মে) দুপুরে রংপুর লার্নি এন্ড রিসার্চ সেন্টারে ‘বিগ টোব্যাকো টিনি টার্গেট’ এর ‘গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন ও করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

শিশুদের প্রতি তামাক কোম্পানির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য ২০১৭ সালে ‘ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিড্স’ এর সহায়তায় ঢাকা আহছানিয়া মিশন, অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট, ইপসা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং উবিনিগ যৌথভাবে এই গবেষণা জরিপটি পরিচালনা করে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, রংপুর বিভাগে ৯৭ ভাগ তামাকপণ্যের দোকানে শিশুদের দৃষ্টি সমান্তরালে (আনুমানিক ১ মিটার) তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শিত হচ্ছে। চকলেট এবং খেলনার পাশে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করতে দেখা যায় ৮৯ শতাংশ তামাকপণ্যের দোকানে।

রংপুর বিভাগের স্কুল ও খেলার মাঠের পাশে ৯২ শতাংশ তামাকপণ্যের দোকানে তামাকের বিজ্ঞাপন পরিলক্ষিত হয়েছে। এর মধ্যে ৯৭ ভাগ স্টিকার/ডামি প্যাকেট/ফেস্টুন/ফ্লায়ারস এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়েছে। আর ৩ ভাগ পরিলক্ষিত হয়েছে পোস্টারের বিজ্ঞাপন। এছাড়া রংপুর বিভাগের ১০০ ভাগ দোকানে একক শলাকা সিগারেট বিক্রি হয় বলে গবেষণার ফলাফলে দেখানো হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/27/1558954583093.jpg
‘ক্যাম্পেইন ফর ট্যোবাকো ফ্রি কিড্স’র সহযোগিতায় রাজশাহীর উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ভেলপমেন্ট-এসিডি’ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রংপুর অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার উপ-পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকগণ ছাত্রদের জন্য মডেল। কিন্তু প্রায়ই আমরা লক্ষ্য করছি, তারা ছাত্রদের সামনে প্রকাশ্যে পান, সিগারেট, জর্দ্দা ও গুল সেবন করেন। এটি শিক্ষার্থীদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আমি শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করছি।’

রংপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রোকসানা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহরিনা দিলরুবা, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির রংপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. আতিয়ার রহমান প্রামাণিক, রংপুর সিটি করপোরেশনের স্কুল পরিদর্শক শ্রী দেবব্রত কুমার শর্মা, এসিডির পরিচালক (প্রোগ্রাম) শারমিন সুবরীনা, এসিডির অ্যাডভোকেসি মো. শরিফুল ইসলাম শামীম।

গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন এসিডির প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শাহীনুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর দিবস উদযাপন

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর দিবস উদযাপন
প্রতীকী স্বাক্ষর করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রানসিস্কোতে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন স্বাক্ষরিত হয় জাতিসংঘ সনদ। দিনটি স্মরণে এবং ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবে বুধবার (২৬ জুন) এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।

সনদ স্বাক্ষরের দিনটির প্রতি সম্মান জানিয়ে অনুষ্ঠানে প্রতীকী স্বাক্ষর করেন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের পক্ষে প্রতীকী স্বাক্ষর
করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

প্রতীকী স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে জাতিসংঘের ছয়টি দাফতরিক ভাষায় জাতিসংঘ সনদের মুখবন্ধ সম্বলিত একটি পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানটিতে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সনদ স্বাক্ষরের সেই ঐতিহাসিক দিনের (১৯৪৫ সালের ২৬ জুন) তথ্য সম্বলিত একটি ভিডিও চিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য দেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সভাপতি মিস মারিয়া ফার্নান্দে এসপিনোসা গার্সেজ এবং জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপনের বিশেষ উপদেষ্টা ফ্যাবরিজিও হচ্চাইল্ড ড্রামমন্ড।

a
বক্তব্য রাখছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সভাপতি মিস মারিয়া ফার্নান্দে এসপিনোসা গার্সেজ, ছবি: সংগৃহীত

 

জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে সাধারণ পরিষদ সভাপতি বলেন, ‘‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজও আমরা সান ফ্রানসিস্কোর সেই দিনটির শক্তিকে অনুভব করতে পারি। আজ আমরা এখানে প্রতীকী স্বাক্ষর করলাম। এজেন্ডা ২০৩০ এবং প্যারিস চুক্তিসহ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করা অন্যান্য চুক্তি ও কনভেনশন যেমন অভিবাসন, সমুদ্র সম্পদ ও আইন, খাদ্য নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, স্বাস্থ্য অথবা নারীর ক্ষমতায়ন
ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের প্রতিজ্ঞাগুলো অটুট রাখতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের সপ্তাহেও আমরা দূরদর্শী ও বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেব।”

বহুপক্ষবাদ এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামী বছর জাতিসংঘের পঁচাত্তর বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপনে এগিয়ে আসতে সদস্য দেশেগুলোর প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

 

যে কারণে খুন করা হয় রিফাতকে

যে কারণে খুন করা হয় রিফাতকে
বাঁয়ে রিফাত শরীফ, ডানে ঘাতক নয়ন, ছবি: সংগৃহীত

বরগুনায় দিনদুপুরে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার বিষয়টি বুধবার (২৬ জুন) দেশব্যাপী আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়েছে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও চিত্র। ভিডিওতে দেখা যায় যায়, সাব্বির আহমেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজি নামে দুই যুবক ধারালো দা দিয়ে শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফ (২৫) নামে এক যুবককে এলোপাতাড়ি কোপাচ্ছেন। আর রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি স্বামীকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। বার বার চেষ্টা করেও সন্ত্রাসীদের ঠেকাতে পারেননি মিন্নি।

আরও পড়ুন: ঘাতক নয়নকে আটকাতে বরগুনার মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট

নিহত রিফাত বরগুনার সদর উপজেলার ৬ নম্বর বুড়িরচর ইউনিয়নের দুলাল শরীফের ছেলে।

নিহতের স্বজনরা জানান, দুই মাস আগে রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে হয়। পরে মিন্নিকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করেন বরগুনা পৌরসভার ধানসিঁড়ি এলাকার আবুবকর সিদ্দিকের ছেলে নয়ন। এ নিয়ে রিফাত ও নয়নের মধ্যে একাধিকবার ঝগড়া হয়। পরে মিন্নির ফেসবুক আইডি হ্যাক করে বেশ কিছু ছবি দিয়ে অপত্তিকর পোস্ট দেন নয়ন। এনিয়ে রিফাতের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয় নয়নের। বুধবার দুপুরে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে মিন্নি ও রিফাতকে পেয়ে নয়ন ও তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে যায়। এরপর স্থানীয়রা রিফাতকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় রিফাত।

আরও পড়ুন: আপ্রাণ চেষ্টা করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না স্ত্রী

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মাদ হোসেন জানান, নয়ন ও তার সহযোগীদের ধরতে সদর থানা পুলিশ, গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ এবং জেলা পুলিশের সদস্যরা মাঠে রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র