Alexa

সিলেটে উন্নয়ন বিড়ম্বনায় ঈদের কেনাকাটা

সিলেটে উন্নয়ন বিড়ম্বনায় ঈদের কেনাকাটা

রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি চলছে, দুর্ভোগে জনসাধারণ

ঈদের কেনাকাটা করতে এসে উন্নয়ন বিড়ম্বনায় পড়ছেন সাধারণ লোকজন। নগরীর শপিংমলগুলোর সামনে দিনরাত চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। ফুটপাতগুলোও অরক্ষিত। এ নিয়ে ঈদের শপিং করতে আসা বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন পড়ছেন চরম বিপাকে।

নগরীর বন্দরাবাজার থেকে জিন্দাবাজার সড়ক ব্যস্ততম একটি সড়ক। বন্দরাবাজার কোর্ট পয়েন্টে নেমে অনেকেই পায়ে হেটে জিন্দাবাজারের বিভিন্ন বিপণী বিতানগুলোতে শপিং করতে যান। গত তিন মাস ধরে এই সড়কে যানচলাচল বক্সকালভার্ড নির্মাণের জন্য বন্ধ ছিল। সম্প্রতি সড়কটি খুলে দিলেও সড়কের দুপাশের ফুটপাত দখল করে রেখেছে হকাররা। অন্যদিকে একপাশে এখনো ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জন সাধারণের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/27/1558956668726.jpg

জিন্দাবাজার থেকে চৌহাট্টা সড়কে গত ৪/৫ দিন ধরে সড়কের একপাশ খুঁড়ে মাটির নিচ দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইন সঞ্চালনের কাজ চলছে। এজন্য দিনে রাতে সমানতালে চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। ফলে রাস্তার ওপরে মাটি তুলে রাখায় পথচারীদের চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। একই অবস্থা আম্বরখানা থেকে চৌহাট্টা সড়কেরও।

সিলেটের বিশ্বনাথ থেকে শপিং করতে আসা আব্দুল কাদির জানান, আলহামরা শপিং সিটি থেকে কেনাকাটা করে পায়ে হেটে কাজি ম্যানশন যেতে চেয়েছিলাম। স্ত্রী ও সন্তানদের শপিং সেন্টার থেকে বের করে নিয়ে এসে যেন বিপাকে পড়েছি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/27/1558956688732.jpg

তিনি বলেন ‘সিটি করপোরেশন যেন রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির সময় পেলনা।’

শুকরিয়া শপিংমলে কেনাকাটা করতে আসা কলেজ শিক্ষক শারমিন সুমি বলেন, ‘এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। বের হলে ফুটপাত নেই, সড়ক খুঁড়ে মাটি তোলার কারণে পথচলাও কঠিন হয়ে পড়েছে।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের চীফ ইঞ্জিনিয়ার (ভারপ্রাপ্ত) নূর আজিজুর রহমান জানান, কাজের একটি নির্দিষ্ট সময় বেধে দেয়া আছে। এজন্য ঠিকাদাররা দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন। তবুও যাতে জন দুর্ভোগ না বাড়ে আমরা তদারকিতে রেখেছি।

এ ব্যাপারে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানান, পুরো নগরীতে উন্নয়ন কাজ চলছে, কারণ একটি কাজ সম্পন্ন না হলে অন্যটি আটকে থাকে। এজন্য একটু দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ করছেন ঠিকাদাররা। তবে যে সব জায়গায় সড়কে মাটি তুলে রাখা হয়েছে তা দ্রুত অপসারণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মেয়র নগরবাসীর সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :