Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে খুলনার ঈদ বাজার

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে খুলনার ঈদ বাজার
খুলনায় কেনাকাটায় ঢল নেমেছে, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি। রোজার শেষে এ মূহুর্তে জমে উঠেছে খুলনার ঈদ বাজার। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে খুলনা বিপণি বিতান ও মার্কেট এলাকা। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় হওয়ায় দম ফেলার ফুসরত নেই বিক্রেতাদের।

সোমবার (৩ মে) খুলনা নগরীর নিউ মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স, জলিল মার্কেট, হকার্স মার্কেট, শিববাড়ী মোড়ের শোরুম, সোনাডাঙ্গার শো রুম, ডাকবাংলা মোড়, রেলওয়ে মার্কেট, পিকচার প্যালেস মোড়, বড় বাজার, মশিউর রহমান মার্কেট, কবি কাজী নজরুল ইসলাম মার্কেট, দরবেশ চেম্বার, নান্নু সুপার মার্কেট, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মার্কেট, হাজী মালেক চেম্বার, নূর চেম্বার, এশা চেম্বার, আড়ং, অঞ্জনস ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি মার্কেট এলাকা ও বিপণি বিতানগুলোতে ঈদের আমেজ বইছে। সব ধরনের ক্রেতা সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠেছে দোকানপাট। শেষ মূহুর্তে বেচাকেনায় যেন ধুম পড়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559570512861.jpg
ঈদ বাজারে মানুষের ঢল, ছবি: বার্তা২৪

 

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকাল থেকেই প্রচণ্ড গরম আর রোদ উপেক্ষা করে মার্কেটমুখী ক্রেতাদের চাপ বাড়তে থাকে। ঈদ কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতাদের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। দুপুরের পর থেকে প্রায় প্রতিটি মার্কেট ও বিপণি বিতান এলাকায় ক্রেতা বাড়তে থাকায় পা ফেলার স্থান নেই।

নগরীর শপিং কমপ্লেক্সের লেটেস্ট কর্নারের স্বত্বাধিকারী লিমন শেখ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই ক্রেতাদের চাপ বাড়ছে। এ বছর রোজার প্রথম দিকে বিক্রি ভাল না হলেও শেষের এ সময়টায় আশানুরূপ বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি ঈদের আগে চাঁদ রাতের কেনাবেচায় লাভ হবে অনেক।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559570541433.jpg
শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত খুলনা নগরবাসী, ছবি: বার্তা২৪

 

ব্যবসায়ী এসারত হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে অনেক। প্রচণ্ড গরম আবার গতকালের বৃষ্টির জন্য অনেকে কেনাকাটা করতে পারেননি। যে কারণে আজ ক্রেতা সমাগম বেশি। এখন যারা আসছেন তারা খালি হাতে ফিরছেন না, কেনাকাটা করতেই আসছেন।

পিকচার প্যালেসের এ্যাপেক্স গ্যালারির ম্যানেজার সুজন ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এবারের ঈদ বাজার শুরু থেকেই কলকাতামুখী হওয়ায় বিক্রি হওয়ায় চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু শেষ দিকে এসে বেশ বিক্রি বেড়েছে। এখনও তো চাঁদ রাত বাকি। আমাদের ক্ষতি পুষিয়ে যাবে এ বিক্রিতে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559570581549.jpg
ঈদে নতুন পাঞ্জাবির সঙ্গে টুপি না হলেই নয়, ছবি: বার্তা২৪

 

ক্রেতারা বলছেন, রোজার শেষে ছুটি পেয়ে কেনাকাটা করতে আসতে হয়েছে। মাসের শুরুতে বেতন বোনাসের পাওয়ার পরই অনেকে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন।

গোপালগঞ্জ থেকে খুলনায় পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে আসা প্রভাষক রাজু আহমেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রোজার শুরুতে কাজের চাপে ঈদের কেনাকাটা করতে পারিনি। ছুটি পেয়ে খুলনায় এসে কেনাকাটা করছি। মার্কেটে অনেক ভিড়, কিন্তু উপায় নেই। এখন কেনাকাটা না করলে আর সময় পাবনা।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559570625061.jpg
শেষ মুহূর্তে কেনাকাটা করছেন নারীরা, ছবি: বার্তা২৪

 

নগরীর ডাকবাংলার ফুটপাত থেকে কেনাকাটা করতে আসা ভ্যানচালক রওশন গাজী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রোজার সারা মাস ভ্যান চালায়ে যা কামাইসি, তাই দিয়া সবার জন্য কিনসি। আমার মা আর বৌ’র জন্য শাড়ি কিনসি। আমার জন্য লুঙ্গি কিনসি আর দুই বাচ্চার জামা কিনসি। আর তো সময় নাই, কাইল দিন বাদেই ঈদ।

ক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারে এজন্য খুলনায় কেএমপি’র পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিটি মার্কেটেই পর্যাপ্ত পুলিশ টহল দিচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559570663828.jpg
জুতার দোকানে ছেলেদের ভিড়, ছবি: বার্তা২৪

 

মার্কেট এলাকায় টহল দেয়ার সময় কনস্টেবল আনারুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘প্রতিটি বিপণি কেন্দ্রের আশপাশে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশা করছি ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত ক্রেতারা কোনো সমস্যা ছাড়াই কেনাকাটা করতে পারবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

ঘাতক নয়নকে আটকাতে বরগুনার মোরে মোরে চেকপোস্ট

ঘাতক নয়নকে আটকাতে বরগুনার মোরে মোরে চেকপোস্ট
স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় শরীফকে, ছবি: বার্তা২৪.কম

বরগুনায় স্ত্রীর সামনে স্বামী শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় পর থেকে ঘাতক নয়ন ও তার সহযোগীদের হন্যে হয়ে খুঁজছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সদস্যরা।

পুলিশ বলছে, নয়ন যেন বরগুনা জেলার সীমানা থেকে বের হয়ে যেতে না পারে, সেজন্য রাস্তার মোরে মোরে পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরগুনা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

আরও পড়ুন: আপ্রাণ চেষ্টা করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না স্ত্রী



রাজধানীতে গড়ে উঠা সীসা বার উচ্ছেদের দাবি

রাজধানীতে গড়ে উঠা সীসা বার উচ্ছেদের দাবি
বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসে প্রেসক্লাবে মানববন্ধনে স্কুলছাত্ররা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস বা বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসে রাজধানী ঢাকায় গড়ে উঠা অবৈধ সীসা বার উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে মাদকবিরোধী সংগঠন ‘প্রত্যাশা’।

বুধবার ( ২৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘মাদক কে না বলুন’ শীর্ষক মানববন্ধন এ দাবি জানায় সংগঠনটি। সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।

‘প্রত্যাশা’র সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য বিরোধী ফেডারেশনের মহাসচিব আশরাফুল আলম কাজল, সংগঠনটির নির্বাহী সদস্য গোলাম কাদের, আব্দুল রাজ্জাক, মনিরউদ্দিন প্রমুখ। এ সময় বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561565422611.jpg

মানববন্ধনে ফেডারেশনের মহাসচিব আশরাফুল আলম কাজল বলেন, ‘দেশে মাদকের ব্যবহার যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তা খুবই উদ্বেগজনক। এখনই এর লাগাম টেনে ধরতে না পারলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে গড়ে তোলা অসম্ভব হবে।’

হেলাল আহমেদ বলেন, ‘সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর নতুন করে প্রাইভেট ক্লাব, অভিজাত শপিংমলসহ বিভিন্ন স্থাপনায় বারের লাইসেন্স প্রদান করছে। এটি বর্তমান সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ও প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে যে অঙ্গীকার করেছেন, তা বস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র