Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঈদ যাত্রায় সড়কে ঝরল ৭১ প্রাণ

ঈদ যাত্রায় সড়কে ঝরল ৭১ প্রাণ
বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ / পুরনো ছবি
মনি আচার্য্য
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

টানা ৭ দিন সড়ক, রেল ও নৌ পথের যাত্রার মাধ্যমে শেষ হল ঈদুল ফিতরের ঈদ যাত্রা। ঈদ যাত্রার শেষ দিকে এসে টাঙ্গাইল, যমুনা সেতু ও সিরাজগঞ্জে যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তবে সার্বিক বিবেচনায় এবারের ঈদ যাত্রা অন্য যেকোনো বারের তুলনায় স্বস্তিদায়ক হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কিন্তু ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক হলেও কমেনি সড়কের মৃত্যুর মিছিল। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঈদের দিনসহ গত সাত দিনে সারা দেশে ৭১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু ঈদের দিনই ১৯ জন মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সূত্রে মতে জানা গেছে, ৩০ তারিখ থেকে শুরু হওয়া ঈদ যাত্রায় এখন পর্যন্ত ৭১ জন মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। তবে এই সংখ্যা এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট নয়। নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/05/1559750142184.jpg

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এবারের ঈদ যাত্রায় ঢাকা বিভাগে ২১ জন, চট্টগ্রামে সাতজন, রাজশাহীতে ১৯ জন, খুলনায় নয়জন, সিলেটে আটজন, রংপুর পাঁচজন, ময়মনসিংহে একজন এবং বরিশাল বিভাগে একজন নিহত হয়েছে।

ঢাকা বিভাগ

এবারের ঈদ যাত্রায় ঢাকা বিভাগের সড়ক ও মহাসড়কে ২১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ফরিদপুরে ছয়জন, গোপালগঞ্জে তিনজন, টাঙ্গাইলে দুইজন, রাজবাড়ীতে একজন, নরসিংদীতে একজন, কিশোরগঞ্জে একজন, মুন্সিগঞ্জে একজন, মাদারীপুরে দুইজন, নারায়ণগঞ্জে একজন, গাজীপুরে একজন, সাভারে একজন এবং ধামরাইয়ে একজন নিহত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগ

ঈদ যাত্রায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামে একজন, চাঁদপুরে দুইজন, কুমিল্লাতে তিনজন এবং ফেনীতে একজন নিহত হয়েছেন।

রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহীতে এবারের ঈদ যাত্রায় ১৯ জন মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধুমাত্র সিরাজগঞ্জে ১৬ জন, নাটোরে দুইজন এবং বগুড়ায় একজন নিহত হয়েছেন।

খুলনা বিভাগ

খুলনা বিভাগে এবারের ঈদ যাত্রায় নয়জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঝিনাইদহে দুইজন, চুয়াডাঙ্গায় তিনজন, বাগেরহাট তিনজন এবং মাগুরায় একজন নিহত হয়েছেন।

রংপুর বিভাগ

রংপুরে এবারের ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন পাঁচজন মানুষ। এর মধ্যে লালমনিরহাটে তিনজন, গাইবান্ধা একজন এবং পঞ্চগড় একজন।

সিলেট বিভাগ

সিলেটে ঈদ যাত্রায় আটজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে সাতজন এবং মৌলভীবাজারে একজন নিহত হয়েছেন।

 https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/05/1559750328762.jpg

এছাড়া এবারের ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বশেষ তথ্য মতে ময়মনসিংহ বিভাগে একজন ও বরিশাল বিভাগে একজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনায় একজন ও বরিশাল বিভাগের পিরোজপুরে একজন নিহত হয়েছেন।

এত বিশাল সংখ্যায় নিহত হওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, রাস্তায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শৃঙ্খলা ফিরে আসেনি। ফলে প্রতিবারের ন্যায় এবারের ঈদ যাত্রায় মানুষের নিহত হওয়ার লম্বা লাইন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো.মোজাম্মেল হক চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মহাসড়ক সুন্দর হয়েছে আগের তুলনায়। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। তাই গতি বেড়েছে গাড়ির, কিন্তু গতি নিরাপদ করা হয়নি। তাই রাস্তায় ঈদ যাত্রায় এতো প্রাণহানি হয়েছে। গতি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গতিকে নিরাপদে রাখতে হবে। না হলে সড়ক দুর্ঘটনা এড়ানো কঠিন।’

আপনার মতামত লিখুন :

আ'লীগের উপদেষ্টা পরিষদে আতাউর রহমান আতা

আ'লীগের উপদেষ্টা পরিষদে আতাউর রহমান আতা
আতাউর রহমান আতা, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনীত হয়েছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আতা। ২০০১ সালে নাট্যক্ষেত্রে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছিলেন তিনি।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দলের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আতাউর রহমানকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে আতাউর রহমানের জন্ম। স্কুলজীবনেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে আবদুল্লাহ আল মামুনসহ আতাউর রহমান প্রথম মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন। ১৯৭২ সালে ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ এর মাধ্যমে তার নাট্য নির্দেশনা শুরু। পরে নিজের দল ও অন্য দলের হয়ে অসংখ্য নাটকে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঞ্চ নাটকের নির্দেশনার পাশাপাশি আতাউর রহমান অভিনয়ও করছেন সমানতালে। এ ছাড়া নাট্য বিষয়ক বই, নাট্যসমালোচনা, উপস্থাপনা, শিক্ষকতা, টেলিভিশন নাট্যকার, প্রবন্ধকার, বক্তা সব ক্ষেত্রেই রয়েছে আতাউর রহমানের সরব পদচারণা।

বরিশালে কমছে ডেঙ্গু রোগী

বরিশালে কমছে ডেঙ্গু রোগী
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্তরা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরিশালে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সেই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও কমছে রোগী ভর্তির সংখ্যা। ঈদুল আজহা ঘিরে এ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তুলনামূলক বাড়েনি।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে ৩৭ জন ‍পুরুষ, ১৫ জন মহিলা ও ৯ জন শিশু। সব মিলিয়ে বর্তমানে শেবাচিমে ২৬০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যার মধ্যে ১৪৬ জন পুরুষ, ৫৬ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু রয়েছে।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম পরিচালক ডাক্তার মোঃ বাকির হোসেন।

এ সময় তিনি জানান, গত তিন থেকে চার দিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী শেবাচিম হাসপাতালে তুলনামূলক কম ভর্তি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও আশাবাদী ঐ পরিচালক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566039735609.gif

শেবাচিমে ডেঙ্গু রোগীর ভর্তি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, শুক্রবারের ৫০ জন, বৃহস্পতিবার ৬৭ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছিল। এর আগে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টায় গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ জন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হতো।

এদিকে শনিবার সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী। শুক্রবার সকালের হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ৯১ জন ও বৃহস্পতিবার ১১৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

ঈদের পরে ১৪ আগস্ট হাসপাতালে ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। ১৫ আগস্ট ছিল ২৯৯ এবং ১৬ আগস্ট তা কমে দাঁড়ায় ২৫৮ জনে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত এক মাসে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত এক হাজার ১৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯১২ জন। আর মৃত্যু হয়েছে শিশুসহ চার জন রোগীর।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র