পাসপোর্টবিহীন পাইলট: ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআই বরখাস্ত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজের পাইলট পাসপোর্ট ছাড়া কাতার যাওয়ার ঘটনায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার ( ৮ জুন) বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইসমাইল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট ফজল মাহমুদ পাসপোর্ট ছাড়া কাতারে গিয়ে সেখানকার ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে আটক হন। এ ঘটনার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। যেহেতু পাইলট ফজল মাহমুদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজের পাইলট সেই জন্য বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও বৃদ্ধি পায়।

পরে এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্নে ওঠে। এ জন্য পাসপোর্ট না দেখেই পাইলট ফজল মাহমুদকে কাতারে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ঘটনায় ইমিগ্রেশনের এসআই কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: পাসপোর্ট ছাড়াই বিমানের পাইলট কাতারে, তদন্ত কমিটি গঠন

ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘পাইলট ফজল মাহমুদ ইমিগ্রেশন পুলিশকে বলেছিল তার পাসপোর্ট রয়েছে। তিনি সিনিয়র পাইলট হওয়ায়, তার কথায় ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশ্বাস করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু তার পরও তার পাসপোর্ট না দেখে ওই পাইলটকে ইমিগ্রেশন পার করতে দেওয়ায় এসআই কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে সদর দফতরে রিপোর্ট দিয়েছি।’

এদিকে সাবংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি পাইলট ভুল করে পাসপোর্ট নেননি। যেহেতু এটি প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান ছিল, সেহেতু পাইলটের ভুল করা উচিত হয়নি।’

‘পাইলট ভুল করেই এটা করেছেন। বিমানবন্দরে দুই-তিন জায়গায় চেক হয়। তবে এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা রয়েছে। আমাদের ইমিগ্রেশন পুলিশের গাফিলতির কারণে পুলিশ প্রধান ইতোমধ্যে তাকে সাসপেন্ড করেছে।’

আপনার মতামত লিখুন :