Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পাসপোর্টবিহীন পাইলট: ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআই বরখাস্ত

পাসপোর্টবিহীন পাইলট: ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআই বরখাস্ত
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজের পাইলট পাসপোর্ট ছাড়া কাতার যাওয়ার ঘটনায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার ( ৮ জুন) বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইসমাইল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট ফজল মাহমুদ পাসপোর্ট ছাড়া কাতারে গিয়ে সেখানকার ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে আটক হন। এ ঘটনার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। যেহেতু পাইলট ফজল মাহমুদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজের পাইলট সেই জন্য বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও বৃদ্ধি পায়।

পরে এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্নে ওঠে। এ জন্য পাসপোর্ট না দেখেই পাইলট ফজল মাহমুদকে কাতারে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ঘটনায় ইমিগ্রেশনের এসআই কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: পাসপোর্ট ছাড়াই বিমানের পাইলট কাতারে, তদন্ত কমিটি গঠন

ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘পাইলট ফজল মাহমুদ ইমিগ্রেশন পুলিশকে বলেছিল তার পাসপোর্ট রয়েছে। তিনি সিনিয়র পাইলট হওয়ায়, তার কথায় ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশ্বাস করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু তার পরও তার পাসপোর্ট না দেখে ওই পাইলটকে ইমিগ্রেশন পার করতে দেওয়ায় এসআই কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে সদর দফতরে রিপোর্ট দিয়েছি।’

এদিকে সাবংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি পাইলট ভুল করে পাসপোর্ট নেননি। যেহেতু এটি প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান ছিল, সেহেতু পাইলটের ভুল করা উচিত হয়নি।’

‘পাইলট ভুল করেই এটা করেছেন। বিমানবন্দরে দুই-তিন জায়গায় চেক হয়। তবে এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা রয়েছে। আমাদের ইমিগ্রেশন পুলিশের গাফিলতির কারণে পুলিশ প্রধান ইতোমধ্যে তাকে সাসপেন্ড করেছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে আসছে ‘প্যাডি সাইলো’

কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে আসছে ‘প্যাডি সাইলো’
মাঠে ব্যস্ত কৃষক, পুরনো ছবি

কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সারাদেশে ‘প্যাডি সাইলো’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এই পদ্ধতি চালু হলে কৃষক সরাসরি তাদের পণ্য এনে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে টাকা নিয়ে চলে যেতে পারবেন। এজন্য সারাদেশে ২০০টি ‘প্যাডি সাইলো’ চালু করার পরিকল্পনা আগামী একনেক সভায় উঠবে বলে কমিটিকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এছাড়া, সারাবছর খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করে সংসদীয় কমিটি। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে সংসদ ভবনে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে ভেজালমুক্ত খাদ্য গ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকাসহ সারাদেশে সারাবছর সার্বক্ষণিকভাবে খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার করার পরামর্শ দেয় কমিটি। এরই মধ্যে ভেজালবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। ক্ষতিকর কেমিক্যালের অপব্যবহার রোধ, পাস্তুরিত তরল দুধের নিরাপত্তা রক্ষা ও বিএসটিআই -এর পরীক্ষায় নিম্নমানের পণ্যসমূহ বাজার হতে প্রত্যাহার ও জব্দকরণের কাজ চলমান রয়েছে বলেও কমিটিকে জানানো হয়। এছাড়া, 'ক্যালসিয়াম কার্বাইড' -এর অপব্যবহার রোধকল্পে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতিকে মরণব্যাধি ক্যানসারসহ অন্যান্য জটিল রোগ থেকে রক্ষাকল্পে ভেজালমুক্ত খাদ্য গ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনসচেতনতা ও সমন্বিত কর্মপ্রচেষ্টার বিকল্প নেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আইন ও গৃহীত পদক্ষেপের আলোকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাসমূহকে সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি। বৈঠকে আইন ও সংস্থাসমূহকে আরো শক্তিশালীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

খাদ্যখাতে দুর্নীতি সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এ খাতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দুর্নীতি শতভাগ দূরীকরণের ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রবণতা রোধ ও নিম্ন আয়ের জনগণকে খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সারাদেশে পরিচালিত ওএমএস কার্যক্রম আরো স্বচ্ছতার সাথে পরিচালনার স্বার্থে নজরদারী ও তদারকী জোরদারকরণেও নির্দেশনা প্রদান করে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। 

বৈঠকে দেশে চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের সবাইকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।

মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার, নুরুল ইসলাম নাহিদ, হাজী মো. সেলিম, মো. আতিউর রহমান আতিক, ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, আতাউর রহমান খান ও আঞ্জুম সুলতানা অংশগ্রহণ করেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বালিশ-কাণ্ড আমাদের ইমেজকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে: গণপূর্তমন্ত্রী

বালিশ-কাণ্ড আমাদের ইমেজকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে: গণপূর্তমন্ত্রী
গণপূর্ত অধিদপ্তরের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, কোন রাজনৈতিক প্রভাবে কাজ করবেন না। এরপর যদি কিছু হয় আমি আপনাদের পাশে আছি।

তিনি বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধিকাংশ কর্মকর্তারাই সততা, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এর ভেতরে কিছু ব্যত্যয়ও ঘটেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঘটনা আমাদের ইমেজকে ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের উদ্দেশে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের বিশেষায়িত পদ এবং শিক্ষা যাতে কোনভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে বিষয়টি সতর্কতার সাথে মনে রাখতে হবে। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আপনাদের সুখ-দুঃখকে ভাগাভাগি করে নিতে প্রস্তুত আছি।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, কোন কোন জেলায় আমাদের প্রকৌশলীরা বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়েন। যতদিন আমি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আছি, আমাদের একজন কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক বা অন্য কোন ক্ষমতা দেখিয়ে প্রভাবান্বিত বা হয়রানি করতে চাইলে আমাকে জানাবেন, আমি আপনাদের পাশে দাঁড়াব। টেন্ডার এবং অন্যান্য কর্মকাণ্ডে কাজ শেষ না করে দ্রুত বিল দিতে হবে, জোরপূর্বক তার লোককে টেন্ডার দিতে বাধ্য করা হবে-এই প্রবণতা কোনভাবেই প্রধানমন্ত্রীর নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং আমি নিজে এটাকে কোনভাবে অনুমোদন করব না। আপনাদের ভীত সন্ত্রস্ত্র হবার কোন কারণ নেই।

মন্ত্রী আরও বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধিকাংশ কর্মকর্তারাই সততা, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এর ভেতরে কিছু ব্যত্যয়ও ঘটেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঘটনা আমাদের ইমেজকে ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আমি সবখানেই বলি রূপপুর প্রকল্পের একটি ঘটনা দিয়ে গোটা অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না। অনেক সময় কেউ কেউ অতি লোভী হয়ে গোটা ডিপার্টমেন্টের ভাবমূর্তি ধ্বংস করার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশে শ ম রেজাউল করিম বলেন, আমি অতীতে এমপি-মন্ত্রী ছিলাম না। কিন্তু আমার জীবনে আন্দোলন, সংগ্রাম ও লড়াইয়ের কারণে মার্শাল ল’ সরকারের আমলে জেল খাটতে হয়েছে। আমি কিন্তু কোনদিন মুচলেকা দিয়ে বের হইনি। এই শক্ত অবস্থানে থাকা আত্মবিশ্বাসী মানুষ আমি। টিম ওয়ার্কে আপনারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উইং। আপনাদের এটাকে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, এ দেশটা ৩০ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া। এ দেশের জন্য অনেক মানুষ জীবন দিয়েছেন। বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের জন্য জাতির জনক পাকিস্তানের সঙ্গে সমঝোতা করেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্তত ১৯ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন, কিন্তু একবারের জন্যও তিনি শঙ্কিত হয়ে আমাদের অধিকার প্রশ্নে ছাড় দেননি। কর্তব্য পালনে আমি চাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। অনিয়মের পরিসর থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে। আপনারা মর্যাদাপূর্ণ পদ পান, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পান, বেতন-ভাতা পান। কোনভাবেই যেন চিহ্নিত না হন যে, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সঙ্গে আপনারা সম্পৃক্ত। এক-দুই জনের জন্য কেন বদনামের বোঝা আমাদের কাঁধে আসবে। তাদের উদ্দেশে বলছি, আসুন আমরা আত্মশুদ্ধি করি, আত্মসমালোচনা করি। আমারা ভুল-ত্রুটিকে শুধরে নেই। তাহলে এই ডিপার্টমেন্টের ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল হবে।

রেজাউল করিম বলেন, দেশটা আমাদের সবার। এ দেশ গড়ায় আপনাদের সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার। উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। তাই উন্নয়নে আপনারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। আপনাদের সুখ-দুঃখ, মাঠ পর্যায়ের সমস্যা, প্রতিকূলতা, দাবি-দাওয়া আমাদের সামনে পেশ করুন। আইনের পরিসরের মধ্যে আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। প্রয়োজনে বিধি-বিধান পরিবর্তনের চেষ্টা করব। আশা করি সাধ্যের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আপনাদের সব প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হব।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ১৮ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী গণপূর্ত অধিদপ্তরের এ বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র