Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রংপুরে ভারতীয় হাই কমিশনের ইয়োগা ওরিয়েন্টেশন

রংপুরে ভারতীয় হাই কমিশনের ইয়োগা ওরিয়েন্টেশন
ওরিয়েন্টেশনের উদ্বোধনীতে বক্তব্য দেন মেয়র মো. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

ইয়োগার গুরুত্ব, উপকারিতা, প্রয়োজনীয়তা ও সমাজে এর ইতিবাচক চিন্তাধারা নিয়ে রংপুরে ইয়োগা ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে রংপুর চেম্বার ভবনে আরসিসিআই মিলনায়তনে ভারতীয় হাই কমিশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী সঞ্জীব কুমার ভাটির সভাপতিত্বে ওরিয়েন্টেশনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য, রংপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু ও ইয়োগা জোনের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক এবি বাবেল প্রমুখ।

সমাজের নেতিবাচক দিক থেকে যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষদের কল্যাণময় ইতিবাচক চিন্তাধারায় নিয়ে আসার জন্য ইয়োগা চর্চাই সর্বোত্তম দাবি করেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা।

তারা বলেন, প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ইয়োগা চর্চা করে নিয়মিত ও পরিমিত খাদ্যাভাস, নিয়ম, সংযম, প্রাণায়াম, আসন, মুদ্রা, শুদ্ধিক্রিয়া ইত্যাদি অনুশীলন করলে ডায়াবেটিক, মানসিক চাপ, মাইগ্রেন, মাথাব্যথা, চোখের সমস্যা, আর্থারাইটিস, ব্যথা, পেঠের সমস্যা, হৃদরোগ, লিভার সমস্যা, অতিরিক্ত ওজন, স্থূলতা, ফুসফুস জনিত সমস্যা, কিডনি রোগ, পাইলস্ রোগসহ নানাবিধ রোগের খুব সহজেই প্রাকৃতিকভাবে নিরাময় সম্ভব।

আগামি ২১ জুন আন্তর্জাতিক ইয়োগা দিবস। এ দিবস উপলক্ষে ইয়োগা জোন ও রংপুর চেম্বার অব কমার্সের সহযোগিতায় ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করা হয়। এতে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার ২৫০ জন অংশ নেন।

উদ্বোধনী আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীদের ইয়োগার আসন, প্রাণায়াম, ধ্যান, মুদ্রা ইত্যাদি অনুশীলন করানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র