Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপস করব না: তুরিন আফরোজ

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপস করব না: তুরিন আফরোজ
বক্তব্য রাখছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেছেন, আমার মানচিত্র বাংলাদেশ, আমার পতাকা লাল-সবুজ, আমার নেতা বঙ্গবন্ধু, আমার জীবনের একমাত্র বাস্তবতা একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ। আর তাই মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে আমি কোন আপস করব না।

শনিবার (১৫ জুন) প্রেসক্লাবে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা' নামক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে একথা বলেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান ঘোষণা করে তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেবার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

তিনি উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই দেশ আপনাদের দেশ, আপনাদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশ। আমরা যে যেখানে যে পদে আসীন হয়েছি, যে সুবিধাই নিচ্ছি না কেন তা আপনাদের জন্য সম্ভব হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন না করলে বাঙালির দৌড় হতো বড়োজোর পাকিস্তানিদের খানসামা হওয়া পর্যন্ত। কাজেই কেউ যদি আপনাদের বিন্দুমাত্র অসম্মানের চেষ্টা করেন তিনি যেই হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন। যেমনটি আপনারা গর্জে উঠেছিলেন পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে।’

মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানকারীদের হুঁশিয়ার করে ব্যারিস্টার তুরিন বলেন, ‘এই দেশ মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ–এই ধ্রুব সত্যটি মানতে আপনাদের কষ্ট হলে দয়া করে পাকিস্তান চলে যান। সেখানে আপনাদের পূর্ব পুরুষরা ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেবে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের দেশে থেকে তাদেরকে অপমান করা বরদাশত করা হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে সাংবিধানিক স্বীকৃতি থাকলেও মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি নেই, অথচ আফ্রিকার অনেক পিছিয়ে পড়া দেশেও সেটা রয়েছে। বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক। তাই তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি এখন সময়ের দাবি।’

মো. রুস্তম আলী মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন কামাল আহমেদ। গোল টেবিল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডা. এম এ হাসান, ম.হামিদ, তারেক আলী, অধ্যাপক এম এম আকাশসহ একাত্তরের রনাজ্ঞনের মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন :

কুকুর কামড়ানোর দেশে পরিণত হয়েছে মিয়ানমার

কুকুর কামড়ানোর দেশে পরিণত হয়েছে মিয়ানমার
মিয়ানমারের রাস্তা কুকুর/ছবি: সংগৃহীত

কুকুরে কমড়ানো রোগে আক্রান্তদের মধ্যে বিশ্বে অন্যতম শীর্ষ স্থানে রয়েছে মিয়ানমার। দেশটিতে প্রতিবছর প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ মানুষকে কুকুর কামড়ায়।

মিয়ানমারের স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইউ মিন্ট সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য দিয়ে  বলেছেন, ১৫০ টিরও বেশি দেশের জলাতঙ্ক রোগের হিসেব পর্যালোচনা করে দেখা গেছে মিয়ানমারে কুকুরে কামড়ানোর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিশ্বের মধ্যে মিয়ানমারে এ রোগের আক্রান্তের হার বেশ উপরে।

মিয়ানমারের স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ১৮ জুলাই দেশটির সংসদে জানান, কুকুর কামড়ের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। ২০১৭ সালে এক লাখ ৮০ হাজার মানুষকে কুকুর কামড়িয়েছিলো। ২০১৮ সালে তা বেড়ে এক লাখ ৯২ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। চলতি বছরের প্রথম ৫ মাসে ৬০ হাজার মানুষকে কুকুরে কামড়েছে।

তবে, প্রতিবছর মিয়ানমার জলাতঙ্ক রোগের টিকা কিনছে। ফলে এ রোগে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার হ্রাস পাচ্ছে।

২০১১ সালে জলাতঙ্ক রোগে ১৪৫ জন মারা গিয়েছিল। সেখানে ২০১৮ সালে ৭১ এবং চলতি বছর ৪০ জন মারা গেছেন। জলাতঙ্ক রোগের জন্য ২০১৮-১৯ সালে ১৫ বিলিয়ন মিয়ানমার মুদ্রার ভ্যাকসিন কিনতে হয়েছে বলে তিনি জানান।

মিয়ানমারের স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন,  শুধুমাত্র ভ্যাকসিন কিনেই জলাতঙ্ক  নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না এবং মৃত্যুও কমাবে না। দেশবাপী  ছড়িয়ে পড়া কুকুরদের সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে।

জানা যায়, দেশটিতে ৬০ লাখ কুকুর রয়েছে। এরমধ্যে বেওয়ারিশ কুকুর ২০ লাখের বেশি। আর পোষা কুকুর রয়েছে ৪০ লাখ। মিয়ানমারে প্রতি ১০ জন ব্যক্তির জন্য একটা করে পোষা কুকুর রয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী  আরও বলেন, জরুরিভিত্তিতে কুকুরদের খোঁজা করা দরকার। কারণ কুকুর না কমলে এ সংকট বাড়তেই থাকবে। এ জন্য সরকারি সংস্থাগুলোর  সহযোগিতা এবং জনসাধারণের সচেতনতা প্রয়োজন।

কুকুর কামড়ালে মানুষকে তাড়াতাড়ি চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন মিয়ানমারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 

প্রিয়া সাহা বিশেষ মতলবে এমন উদ্ভট বলেছেন

প্রিয়া সাহা বিশেষ মতলবে এমন উদ্ভট বলেছেন
আমেরিকার হার্ভাড কেনেডি স্কুলে বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.এ কে আব্দুল মোমেন

প্রিয়া সাহা বিশেষ মতলবে এমন উদ্ভট বলেছেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন।

শনিবার (২০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাম্পকে দেয়া প্রিয়া সাহার নালিশের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এ অভিযোগ প্রতাখ্যান করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তার এ বক্তব্যের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে মোমেন বলেন, প্রিয়া সাহা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যে অভিযোগ করেছেন, তা একেবারেই মিথ্যা। বিশেষ মতলবে এমন উদ্ভট কথা বলেছেন তিনি।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই প্রিয়া সাহা এই ধরনের বানোয়াট ও কল্পিত অভিযোগ করেছেন।

মোমেন আরও বলেন, এ ধরনের অভিযোগে প্রকারান্তরে শান্তিপূর্ণ সমাজে বিশৃঙ্খলা উসকে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তা কখনও হতে দেবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন যাদের সহ্য হচ্ছে না, সেই গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য পূরণেই প্রিয়া সাহা এই অভিযোগ করেছেন। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র