Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অনিহা-অসচেতনতায় ভূগছে যক্ষা রোগীরা

অনিহা-অসচেতনতায় ভূগছে যক্ষা রোগীরা
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ফরিদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

 

যেখানে অর্থকরীর কথা থাকে, সেখানে সামর্থ্যের কথাও থাকে। কিন্তু সরকারিভাবে ও বিভিন্ন এনজিও সংস্থার মাধ্যমে বিনামূল্যে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যক্ষা রোগীদের সেবা দিচ্ছে সরকার ও বিভিন্ন এনজিও সংস্থা। তারপর অনিহা-অসচেতনতা থেকে ভূগছে অধিকাংশ যক্ষা রোগী। তারা নিজের প্রতি একটু সচেতন হলেই সময় মতো চিকিৎসা  নিয়ে যক্ষা রোগের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে পারে।

রোববার (১৬ জুন) ফরিদপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের সভাকক্ষে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষা নিরোধ সমিতি ফরিদপুর শাখা।

সভায় যক্ষারোগ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, স্বাচিপের সভাপতি ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ জলিল।

তিনি বলেন, কায়েদী আজম থেকে শুরু করে কবি সুকান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে যক্ষা রোগ থেকে। আগে এক সময় অত্যন্ত ভয়াবহ রোগ ছিল যক্ষা। কিন্তু কালের বিবর্তনে বিজ্ঞানের বিকাশে প্রতিষেধক তৈরি হয়ে হয়েছে। এখন আর এই রোগ তেমন কোনো সমস্যা নয়। রোগের চিকিৎসা করে সুস্থ্য হওয়া সম্ভব। তবে সমস্যা হচ্ছে জনসচেতনতা। আমরা অনেক ক্ষেত্রে অবহেলা করি ঠিকমতো ওষুধ খাই না।

তিনি বলেন, এক নাগাড়ে ২/৩ সপ্তাহ কাশি থাকলে অবশ্যই কফ পরীক্ষা করে যক্ষার বিষয়ে জানতে হবে। সচেতনতার অভাবে নিজেও যক্ষায় ভূগছে আবার বছরে আরও দশজন যক্ষা রোগী তৈরি করছে। তাই এই রোগে সচেতনতার বিকল্প নেই।   

নাটাবের ফরিদপুরের সভাপতি বিশিষ্ট ওষুধ ব্যবসায়ী সৈয়দ নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে নাটাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফয়েজ আহম্মেদ, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক হাসানউজ্জামান, প্রবীন সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম মনি, প্রবীর কান্তি বালাসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র