Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

খুলনায় এসআই নিয়োগ পরীক্ষার হল থেকে ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক

খুলনায় এসআই নিয়োগ পরীক্ষার হল থেকে ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক
রিয়াজুল ইসলাম হাওলাদার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
খুলনা


  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার হল থেকে রিয়াজুল ইসলাম হাওলাদার (২৮) নামে এক ভুয়া পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (১৬ জুন) দুপুরে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন সরকারি বিএল কলেজের ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের তৃতীয় তলার ৩০৩ নং কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়।

এসআই নিয়োগ পরীক্ষা-২০১৯ এর লিখিত পরীক্ষার প্রকৃত পরীক্ষার্থী রাফসান ইসলামের (২৪) হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন রিয়াজুল। পরে অভিযান চালিয়ে হলের বাইরে থেকে প্রকৃত পরিক্ষার্থী রাফসানকেও আটক করা হয়। এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মো শাহাজাহান ভূইয়া ওরফে শামীম পলাতক আছে।

জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াজুল ইসলাম জানায়, পরীক্ষার্থী মো. রাফসানের সাথে পলাতক আসামী মো. শাহাজাহান ভূইয়া ওরফে শামীম (২৯) এর মাধ্যমে পরিচয় হয়। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে মো. রাফসান ইসলাম, মো. রিয়াজুল ইসলাম হাওলাদার এবং মো. শাহাজাহান ভূইয়া ওরফে শামীম এই তিন জনের মধ্যে রাফসানকে বহিরাগত ক্যাডেট এসআই নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯ এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার জন্য ছদ্মবেশ ধারণপূর্বক দেহবদল করে প্রার্থী সেজে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের লক্ষ্যে দুই লক্ষ টাকার চুক্তি হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী রিয়াজুল এসআই নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯ এর লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি, বাংলা রচনা ও কম্পোজিশন বিষয়ের পরীক্ষার্থী হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণপূর্বক দেহবদল করে প্রার্থী সেজে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

রিয়াজুলের স্বীকারোক্তির পর মূল পরীক্ষার্থী মো. রাফসান ইসলামকে কেন্দ্রের বাহিরে অপেক্ষারত অবস্থায় আটক করা হয়।

কেএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া এন্ড পিআর) শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু সন্ধ্যায় বার্তা২৪.কমকে বলেন, ভুয়া পরিক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দেয়ার মূল পরিকল্পনাকারী মো. শাহাজাহান ভূইয়া ওরফে শামীম পলাতক আছে। তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। এদের ৩ জনের নামেই দৌলতপুর থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র