Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেয়র নাছিরের সঙ্গে রিভা গাঙ্গুলির সাক্ষাৎ

মেয়র নাছিরের সঙ্গে রিভা গাঙ্গুলির সাক্ষাৎ
চসিক মেয়র আ জ ম নাছিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস।

সোমবার (১৭ জুন) চসিক মেয়রের কার্যালয়ে গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। এ সময় দুজনের মধ্যে বেশকিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

মেয়র নাছির বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা এক অনবদ্য ইতিহাস। ভারত বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিল। বাংলাদেশের জন্য ভারতবাসীর এতটা ত্যাগ ও ভালোবাসা বিশ্বের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।

নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা জানাতে সিটি মেয়র বলেন, বিগত ১০ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্দরের সক্ষমতার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই উদ্যোগী হয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

বে টার্মিনাল, কন্টেইনার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বর্তমানে বন্দরে যে সক্ষমতা আছে তা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে হাইকমিশনারকে জানান মেয়র নাছির।

বর্তমান সরকারের গৃহীত প্রকল্প মাতারবাড়ী ডিপ সি-পোর্ট, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন ট্যানেলসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে চলমান উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়েও হাইকমিশনারকে অবহিত করের আ জ ম নাছির।

ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নে এগিয়ে যাক, ভারত সরকারও তা চায়। এতে ভারতের সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে পাশে থাকতে ভারত অঙ্গীকারাবদ্ধ। বাংলাদেশকে ভারত সবসময় বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসাবেই দেখে বলে দুই দেশের জনগণের মধ্যেও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ লক্ষ্য করা যায়।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারের মাধ্যমে ভারতের সেভেন সিস্টারসহ দুই দেশের জনগণের আর্থিক উন্নতি সম্ভব। চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলে শ্রমবাজার, কর্মসংস্থান, পুঁজি বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দুই দেশের জনগণের আর্থিক উন্নতি ঘটবে।

রিভা গাঙ্গুলি বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বের নির্দশন হিসেবে নমনীয় ঋণ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রামে এলইডি প্রকল্প উপহার দিয়েছে ভারত সরকার। এটা ভারত সরকারের গ্রাউন্ড ওয়ার্ক। শুধুমাত্র ঘর-গৃহস্থালির কাজেই নয়, এলইডি বাল্বের সাহায্যে আলোকিত হবে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের পথ-ঘাটও। এর ফলে দিনের যে সময়টিতে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি সেই সময় বিদ্যুতের চাহিদা কমিয়ে আনতে এই এলইডি বাতি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ভরতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, চসিক প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গাসহ মানব পাচারকারী চক্রের ১৩ সদস্য আটক

রোহিঙ্গাসহ মানব পাচারকারী চক্রের ১৩ সদস্য আটক
রোহিঙ্গাসহ মানব পাচারকারী চক্রের ১৩ সদস্য আটক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ র‍্যাব-১০ এর একটি বিশেষ অভিযানে দু’জন রোহিঙ্গাসহ মানব পাচারকারী চক্রের ১৩ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকায় র‍্যাব-১০ এর একটি বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

অভিযানে শেষে বিষয়ে র‍্যাব-১০ এর উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, ভুয়া কাগজপত্র, ভিসা ও পাসপোর্ট তৈরি করে বাংলাদেশি নাগরিক পরিচয়ে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর চেষ্টাকারী একটি চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আমাদের অভিযান এখনও চলমান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাজী নূর হোসেন বেপারি ঘাট এলাকায়। অভিযানে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি এই চক্রটি রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের জাল কাগজপত্র, ভিসা ও পাসপোর্ট তৈরি করে বাংলাদেশি নাগরিক পরিচয়ে দিয়ে মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে পাঠাত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563480724435.jpg

তিনি বলেন, অভিযানে ২ জন রোহিঙ্গাকেও আটক করা হয়েছে। তারা এই চক্রের মাধ্যমে নকল পাসপোর্ট বানিয়ে বিদেশে যেতে চেয়েছিল। অভিযানে ২৫১টি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পাচারকারী চক্রের সঙ্গে পাসপোর্ট অফিসের কেউ অথবা ইমিগ্রেশনের কেউ জড়িত আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হবে।

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র