Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লিটনের জন্য মোসাদ্দেকের মায়ের আক্ষেপ!

লিটনের জন্য মোসাদ্দেকের মায়ের আক্ষেপ!
মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের মা হোসনে আরা বেগম
উবায়দুল হক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ময়মনসিংহ


  • Font increase
  • Font Decrease

মাথা ঠাণ্ডা রেখে কিভাবে জাদুকরী ইনিংস উপহার দিয়ে দলকে জয় এনে দিতে হয় তার উজ্জ্বল উদাহরণ ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সাকিব আল হাসানের ইনিংস।

চলতি বিশ্বকাপের আসরে পর পর দুই সেঞ্চুরি যেমন উপহার দিয়েছেন তেমনি বাংলাদেশের ক্রিকেটকে কাঙ্ক্ষিত জয়ও এনে দিয়েছেন তিনি।

সাকিবের এ ব্যাটিং শৈলী উপভোগ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তরুণ অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের মা হোসনে আরা বেগম। নিজের ছেলে মোসাদ্দেকের ব্যাটিং ধামাকা দেখার সুযোগ না হলেও সাকিব ও লিটন দাসের মারকুটে ইনিংস মন ভরিয়ে দিয়েছে তার।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/18/1560809223495.jpg
বার্তা২৪.কম’র সঙ্গে সেই কথাই বলছিলেন মোসাদ্দেকের মমতাময়ী মা। তিনি বলেন, মোসাদ্দেক বাংলাদেশের প্রয়োজনে সবসময় সেরা খেলাটাই খেলে থাকে। সাউথ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও লড়াই করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও প্রয়োজন পড়লে ঠিকই জ্বলে উঠতো আমার ছেলে।

সোমবার (১৭ জুন) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন হোসনে আরা বেগম। টিভি সেটের সামনে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ‘বাঁচা-মরার’ ম্যাচটি উপভোগ করেছেন তিনি। তবে তার আক্ষেপ মাত্র ৬ রান দূরে থেকে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই লিটন দাসের সেঞ্চুরি না হওয়ায়।

হোসনে আরা বেগম বলেন, লিটন পর পর তিন বলে তিন ছক্কা হাঁকিয়েছে। দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ভালো লাগতো ছেলেটা যদি বিশ্বকাপের আসরে প্রথম ম্যাচেই সেঞ্চুরি পেতো!

মোসাদ্দেকের মা স্মরণ করিয়ে দিলেন ডাবলিনে নিজের সন্তান মোসাদ্দেকের ব্যাটিং তাণ্ডবের কথা। ‘মোসাদ্দেক ২৪ বলে ৫২ রান করে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে শিরোপা এনে দিয়েছিল। আসলে আমার ছেলে যখনই সুযোগ পায় তখনই ২২ গজের ক্রিজে হেসে ওঠে ওর ব্যাট। সামনের দিনগুলোতেও ব্যাটে-বলে নৈপুণ্য ছড়াবে মোসাদ্দেক,’ বিশ্বাস তার মায়ের।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র