Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডিআইজি মিজানের ঘুষের অর্থ খুঁজছে পুলিশ

ডিআইজি মিজানের ঘুষের অর্থ খুঁজছে পুলিশ
ডিআইজি মিজান, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ডিআইজি মিজানুর রহমানের ঘুষের অর্থ অনুসন্ধানে নেমেছে পুলিশ। এজন্য সোমবার (১৭ জুন) তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে পুলিশ সদর দফতর।

কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মইনুর রহমান চৌধুরীকে (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন)। তদন্ত কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) শাহাবুদ্দীন কোরেশী ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মিয়া মাসুদ হোসেন।

ডিআইজি মিজানের ঘুষের অর্থ কোথায় আছে এবং এ ঘুষের উৎস কী তা জানতে অনুসন্ধান শুরু করেছে কমিটি। কমিটির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ডিআইজি মিজানের ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কতদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে হবে তা বেধে দেওয়া না হলেও কমিটিকে যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত শেষ করতে বলা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে দুদকের এক কর্মকর্তাকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন ডিআইজি মিজান। বিষয়টি জানাজানি হলে সব মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ঘুষ দাতা ও গ্রহীতার বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ (টিআইবি) বিভিন্ন সংস্থা ও সর্বস্তরের মানুষ। এই কর্মকর্তা এর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নির্যাতন করে সমালোচিত হন। ওই ঘটনায় গত বছর তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে যুক্ত করা হয়। তার নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটিরও প্রধান ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মইনুর রহমান চৌধুরী।

এদিকে, উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তার এহেন কর্মকাণ্ডে পুলিশের নীতিনির্ধারণী মহল বিব্রত বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। পুলিশ বাহিনীতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি চান না কেউ। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। এখনও তার বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতেও পুলিশ বাহিনী বদ্ধপরিকর।

আপনার মতামত লিখুন :

রাজধানীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন প্রতি ঘণ্টায় ৩ জন

রাজধানীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন প্রতি ঘণ্টায় ৩ জন
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চলতি বছরে এ পর্যন্ত পাঁচ হাজার ৬১৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। রাজধানীতে প্রতি বছরের মতো এবারও এ সময়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৭১ জন। গড়ে প্রতি ঘণ্টায় তিনজন করে।

ডেঙ্গুকে মহামারি বলতে না চাইলেও, কিছুটা অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

সরেজমিন দেখা যায়, শিশু ফারহান কেবল মুখে একটু কথা ফুটেছে। ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে গত সাত দিন ধরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে। হাতে সব সময়ের জন্য স্যালাইন চলছে। প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় রক্ত দিতে হচ্ছে।

1
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

ফারহানের বাবা থাকেন বিদেশে। শিশুটির এমন অবস্থা আর মানতে পারছে না মা শারমিন। শুধু ফারহান না, এমন সময় পার করতে হচ্ছে অনেক শিশু থেকে বৃদ্ধকে।

সরকারের স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর একাধিক হাসপাতালে এখন চার হাজার ৪৩৮ জন রোগী ভর্তি আছেন। শুধু জুন মাসেই ভর্তি হয়েছেন তিন হাজার ৫৩২ জন। এর মানে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়ছে রাজধানী জুড়ে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বলছে, একবার আক্রান্ত হলে ওই একই ব্যক্তি যদি দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হন, তখন তার ক্ষেত্রে রোগটি বেশি জটিল হতে পারে। গতবার যেহেতু একটু কম ছিল, সেহেতু এবার বৃদ্ধি পাবে এটাই স্বাভাবিক।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক মেডিসিন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বেশি। তবে মহামারি আকার ধারণ করেনি। প্রতিদিনই হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীরা আসছেন। এবারের সংখ্যাটা অনেক বেশি। এমন রোগী পাওয়া যাচ্ছে, যারা দ্বিতীয়বারের মতো, তৃতীয়বারের মতো আক্রান্ত হয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে এবারের ডেঙ্গু পরিস্থিতি আগের চাইতে উদ্বেগজনক।’

 

1
ডেঙ্গু রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

এদিকে ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলছেন, ‘ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সেটি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি, নিয়ন্ত্রণে আছে।’

যেহেতু মশার বংশবিস্তার কমাতে পারলেই এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে, তাই সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন, যে কোনো মূল্যে এডিস মশার বংশবিস্তার কমাতে হবে। এজন্য কোনোভাবেই বাসার আশেপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না।

ময়মনসিংহে হত্যা মামলার পলাতক আসামি আটক

ময়মনসিংহে হত্যা মামলার পলাতক আসামি আটক
নাহিদ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ময়মনসিংহে চাঞ্চল্যকর আবুল কাশেম (৩০) হত্যার চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি নাহিদকে (২৩) আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৪ এর একটি দল।

শনিবার (২০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে গাজীপুরের বাঘের বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাব-১৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. তফিকুল আলম জানান, নাহিদ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার রাতে তিনি বাঘের বাজার এলাকায় অবস্থান করছেন- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে, গত বছরের ২ এপ্রিল পূর্ব শত্রুতার জেরে ময়মনসিংহ সদরের চরসিরতা ইউনিয়নে জয়বাংলা বাজারে কাসেম নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবুল কালাম ২৩ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলার প্রধান আসামি আলমগীর ওই বছরের ১১ মে রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র