Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দেয়াললিখন-গাছে পেরেক মারলে বিজ্ঞাপনদাতার জরিমানা

দেয়াললিখন-গাছে পেরেক মারলে বিজ্ঞাপনদাতার জরিমানা
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানালেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘দেয়ালে কেউ কিছু লিখলে বা গাছে পেড়েক মেরে বিজ্ঞাপন দিলে ওই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হবে। এরইমধ্যে ডিএনসিসি'র সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছি।’

মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়ামে এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্যা চিলড্রেন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউশন অব প্লানার্স এবং সিএন্ডএ ফাউন্ডেশন ‘শিশুদের স্বপ্নের শহর’ শীর্ষক এই সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বক্তব্য দেন নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব, বিআইপি'র সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মদ আদিল খান প্রমুখ।

মেয়র বলেন, ঢাকা শহরে যে গাছ লাগানো আছে, সেই গাছের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। পেরেক দিয়ে গাছে লাগানো হয়েছে- এখানে কোচিং করানো হয়। এভাবে গাছগুলো নষ্ট করা হচ্ছে।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা প্রতিবাদ করো। এখন থেকে গাছের মধ্যে যদি কোনো সাইনবোর্ড থাকে, সেই সাইনবোর্ডের ছবি তুলে সিটি করপোরেশনে পাঠিয়ে দাও। যারা বিজ্ঞাপন দেবে তাদের জরিমানা করা হবে।

DNCC Myor

মেয়র বলেন, বিভিন্ন দেওয়ালে দেখা যায়- এখানে উইপোকার ওষুধ দেওয়া হয়। এখানে কোচিং করানো হয়। ঢাকা শহরকে নিজেরো কেন নষ্ট করছি! এসব যারা লেখেন তাদের দেখলে আপনারা আমাদের জানান। আমি নির্দেশনা দিয়েছি, যারা এ ধরনের বিজ্ঞাপন দেবে তাদের জরিমানা করা হবে। ঢাকা শহরে যত বিজ্ঞাপন আছে, বিজ্ঞাপনদাতাদের ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে।

মেয়র জানান, আগারগাঁও নতুন রাস্তায় ৯ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার সাইকেল লেন করা হচ্ছে। এরইমধ্যে কাজ শুরু হয়ে গেছে। সাইকেল লেন থাকবে সজুব বেষ্টনীতে ঘেরা। এছাড়া শিশুবান্ধব নগরী গড়তে নগর অ্যাপের ফলো মি অপশনের মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি আগারগাঁওয়ে পৃথক সাইকেল লেনসহ সড়ক করা হবে।

শিগগিরই ডিএনসিসি’র পরিচ্ছন্নতায় প্রযুক্তির ব্যবহার চালু হচ্ছে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, স্মার্ট সিটিতে স্মার্ট পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমরা ঝাঁড়ু দেওয়ার কাজে প্রযুক্তির ব্যবহার করতে চাই। শিগগিরই সেই প্রযুক্তি নির্ভর ঝাঁড়ু চালু হবে।

নগর অ্যাপ সম্পর্কে নগরপিতা বলেন, আমরা শিগগিরই নগর অ্যাপ সচল করছি। এই অ্যাপে ‘ফলো মি’ নামে একটা বাটন থাকবে। সেই ‘ফলো মি’-তে বাচ্চারা চাইলে তার পাঁচজন অভিভাবক বা নিকট জনকে অ্যাড করতে পারবে। কেউ সমস্যায় পড়লে ‘ফলো মি’ অপশনে চাপলেই ওই পাঁচজনের কাছে ম্যাসেজ চলে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) দেশীয় প্রতিনিধি ডা. এডউইন স্যালভাদর।

তিনি বলেছেন, ‘এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একযোগে কাজ করবে।’

শনিবার (২০ জুলাই) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের নিজ বাসভবনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারা প্রতিবেদন দেবেন যার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে ডিএসসিসি।

সাঈদ খোকন বলেন, ‘ডেঙ্গু কখনো বাইরের ময়লায় বা ড্রেনে হয় না। এটা হয় পরিষ্কার সাদা পানিতে। তাই এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার ৩৩ হাজার বাড়িতে ডেঙ্গু মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করি এবং এটি ধ্বংস করার উপায় শিখিয়ে দিয়ে আসা সত্ত্বেও দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে পরে সেই বাড়িতে পরিদর্শনে গেলে পূর্বের সেই একই পরিস্থিতি দেখতে পাই যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- অন্যান্যের মধ্যে হেলথ ইমার্জেন্সির দল প্রধান হাম্মাম এল সাক্কা, আইভিডি ইম্যুনাইজেশন ভ্যাক্সিন ডেভেলপমেন্টর রাজেন্দ্র বোহরা, ঢাকার বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো চক্রান্ত রুখে দিন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো চক্রান্ত রুখে দিন
ছবি: সংগৃহীত

দেশে হঠাৎ করে সাম্প্রদায়িক উস্কানি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের পরিকল্পিত চক্রান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ মোর্চার নেতৃবৃন্দ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো চক্রান্ত রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

শনিবার (২০ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে মোর্চার নেতৃবৃন্দরা এ আহ্বান জানান।

তারা বলেন, গত কিছুদিন ধরে হঠাৎ করেই দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলার একটি চাপা ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাম্প্রদায়িক উস্কানি সৃষ্টি করে পরিকল্পিত অশান্তি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অপচেষ্টা আমরা লক্ষ্য করছি। প্রিয়া সাহা কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ-বিরোধী বক্তব্য এবং বাংলাদেশে বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপের আহ্বান, সেসব চক্রান্তেরই বহিঃপ্রকাশ বলে আমরা মনে করি।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে এবং এখনো ঘটছে- এ বিষয়টি কেউ অস্বীকার করেনি। কিন্তু তার যে সংখ্যাগত পরিসংখ্যান প্রিয়া সাহা উপস্থাপন করেছেন, তা মিথ্যা। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমরা বরাবরই সোচ্চার। বাংলাদেশ সরকারও এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে আমরা মনে করি।

তারা বলেন- আমরা মনে করি, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং দেশত্যাগের যে সমস্ত ঘটনা এখানে ঘটেছে, দেশের প্রচলিত আইনেই তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এসব বিচারের দাবিতে দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সকল শক্তিকেই ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে। কিন্তু এ বিষয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে বিদেশি কোনো বহিঃশক্তির কাছে দেশের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ কামনা করা রীতিমতো রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল। যিনি এ কাজ করেছেন, তিনি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত অপরাধ করেছেন।

নেতৃবৃন্দদের মতে, বাংলাদেশের সকল অভ্যন্তরীণ বিষয় সমাধানের মালিক একমাত্র বাংলাদেশ ও তার জনগণ। কোনো নিকটতম প্রতিবেশী কিংবা দূরতম কোনো রাষ্ট্র আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর কর্তৃপক্ষ নয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, দৈনিক আমাদের নতুনের সংযুক্ত সম্পাদক ও কবি অসীম সাহা, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ মোর্চা আহ্বায়ক ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুজ জাহের, গৌরব ৭১-এর উপদেষ্টা কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি ও সভাপতি এস এম মনিরুল ইসলাম মনি, ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের (বোয়ান) সভাপতি ড. কানিজ আকলিমা সুলতানা, বিবার্তা.নেটের সম্পাদক বাণী ইয়াসমিন হাসি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জয়নাব বিনতে হোসেন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র