সাংবাদিকতার মূল জায়গা হচ্ছে শিখতে চাওয়া

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার জনক ও বার্তা২৪.কম-এর এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন/ ছবি: বার্তা২৪.কম

বাংলাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার জনক ও বার্তা২৪.কম-এর এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

তরুণ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বাংলাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার জনক ও বার্তা২৪.কম-এর এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন বলেছেন, ‘সাংবাদিকতার মূল জায়গা হচ্ছে শিখতে চাওয়া। এখন তরুণ সাংবাদিকদের মধ্যে দেখা যায়, আমি সব শিখে ফেলেছি ভাব, আসলে তা না। আমাদের প্রতি মুহূর্তে শেখা উচিত। যার যত শেখার আগ্রহ, সে তত উন্নতি করবে। আমরা যে যত খাটাখাটনি করব, তার ভবিষ্যৎ তত ভালো।’

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘টেলিভিশন সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রশিক্ষণকালে রিপোর্টারদের মানসিকভাবে চিন্তামুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়ে আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমাদের সময়ে ডিআরইউ‘র মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো, তবে তা সীমিত আকারে। আমার মনে হয়, প্রশিক্ষণ নিতে আসা রিপোর্টারদের মেন্টাল্লি ফ্রি রাখা উচিত। ৩/৪টা অ্যাসাইনমেন্ট মাথায় নিয়ে প্রশিক্ষণ ভালো হবে না। এটাকে রীতিমত ক্লাস হিসেবে নিতে হবে। এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে রিপোর্টারদের ফ্রি রাখতে হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561034213625.jpg

ডিআরইউ প্রতিষ্ঠার স্মৃতি তুলে ধরে আলমগীর হোসেন বলেন, ডিআরইউতে আমি তিন বার কমিটিতে ছিলাম, তখন ছোট্ট পরিসর ছিল। শাহজাহান সরদারের পর আমি সভাপতি হলাম। ছোট জায়গা, তখন ওখানে বস্তি ছিল। লাখ লাখ টাকা সংগ্রহ করলাম। বস্তিবাসীদের বললাম, আপনাদের ২০ থেকে ২৫ হাজার করে টাকা দিচ্ছি, আপনারা অন্য কোথাও ঘর তৈরি করতে পারবেন। এখন ডিআরইউ একটা আকৃতি নিয়েছে। এক হাজার ৮০০ সদস্য প্রতিষ্ঠানটির।’

সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন শুনি, বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণের জন্য গণমাধ্যমে কোনো আমন্ত্রণ এলে রিপোর্টারদের না পাঠিয়ে এডিটররা নিজে চলে যান। আমার মনে হয়, যারা সাংবাদিকতায় আরও বেশি সময় দিতে পারবেন তাদের দক্ষ বানানোর জন্য পাঠানো উচিত।’

গণমাধ্যমের সংকট তুলে ধরে বার্তা২৪.কম’র এডিটর ইন চিফ বলেন, ‘বর্তমানে গণমাধ্যমে নানা সংকট চলছে। প্রথম সারির পত্রিকার গলা সমান বিজ্ঞাপন কিন্তু নিউজ নেই। এরপরও তারা সাংবাদিক ছাঁটাই করছে। সিনিয়রদের ছাঁটাই করে অল্প টাকায় সাংবাদিক নিচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন :