শিশুদের যৌন পেশায় যেতে বাধ্য করছে দালালরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

শিশুরা চাইলেও যৌন পেশায় যেতে পারে না। কিন্তু যারা এসব ব্যবসা করে তারা ১২ বছরের শিশুদের ১৮ বছরের সার্টিফিকেট দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সজ্ঞানে এই পেশায় যাওয়ার এফিডেভিট করিয়ে নিচ্ছে।

রোববার (২৩ জুন) দুপুরে সিরডাপ মিলনায়তনে আইএলও কনভেনশন ১৮২ ও অপশনাল প্রটোকল ২ এর উপর সিসেক (কমব্যাটিং কমার্শিয়াল সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন অব চিলড্রেন) পজিশন পেপারের গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন মো. শরফুদ্দিন খাঁন।

তিনি বলেন, কত সংখ্যক শিশু যৌন পেশায় জড়িত সেই সার্বিক তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি। নির্দিষ্ট স্থানে অনুসন্ধান করে যৌন পেশায় থাকা শিশুদের একটি সংখ্যা পাওয়া যায়। কিন্তু রাস্তা, বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশনে খোঁজ নিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি।

শিশুদের কাজের বয়সসীমা নির্ধারণের পাশাপাশি তাদের সেই সময়টিতে শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার জন্য উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব গাজীউদ্দিন মোহাম্মদ মনির বলেন, শিশুশ্রমের বিষয়টি নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আজ যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে সেগুলো নিয়ে আরও উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। ১২ বছরের শিশুদের যেমন সার্টিফিকেট দিয়ে ১৮ বছর বানিয়ে যৌন কর্মে লিপ্ত করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, তেমনটি ঘটনা ঘটছে বাল্য বিষয়ের ক্ষেত্রে। বাল্য বিয়ে এক ধরনের নির্যাতন। দবে আমরা ব্যবস্থা নিতে গেলে কাগজে কলমে দেখছি ১৮ বছর। এগুলো নিয়ে আরো কজ বরতে হবে।

টেরে ডেস হোমস নেদারল্যান্ডের কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদুল কবিরের সভাপতিত্বে সংলাপ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

সিসেক সিপের (সোশ্যাল অ্যান্ড ইকোনোমিক ইনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম) একটি প্রকল্প যা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৮, ৯ এবং ১০ নং ওয়ার্ড এলাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় এবং টেরে ডেস হোমস, নেদারল্যান্ডসের কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করছে।

ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স (বিটিএস) এই প্রকল্পে মনোসামাজিক সেবা প্রদান করে আসছে। ২০১৬ সাল থেকে এই প্রকল্প পথশিশুদের সুরক্ষা প্রদান এবং সমাজের মূল ধারায় সংযুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।