Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৬ জুন) বিকেলে রংপুর জেলা পরিষদ হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনেন।

তাদের দাবি, রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) মেয়রের সাথে কোটি টাকার লেনদেন করে ওরিয়েন্টাল সিনেমা হল নিয়ে চলমান মামলা পরিচালনায় অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন চেয়ারম্যান। এতে জেলা পরিষদ প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার সম্পত্তি বেহাত হতে পারে। এছাড়াও পরিষদের বিভিন্ন উপজেলার গাছ নামমাত্র দামে বিক্রি করে চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সদস্য মোহসিনা বেগম বলেন, চেয়ারম্যান ছাফিয়া খানম গত দুই অর্থবছরে অসহায় দরিদ্রদের চিকিৎসা ও শিক্ষা অনুদান দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্নসাৎ করেছে। সড়কের দু'পাশ থেকে গাছ অপসারণের নামে সদস্যদের না জানিয়ে রাতারাতি গাছ কেটে তার মেয়ের জামাইকে দিয়ে বিক্রি করে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে রাজস্ব খাত থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হেরফের করেছেন। গত দুই অর্থবছরে এডিপি ৪০% কাজ বাস্তবায়িত করতে পারেননি। বরং প্রকল্পের টাকা ব্যাংকে জমা রেখে চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি করার পাশাপাশি মাসিক লভ্যাংশ নিচ্ছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের প্রত্যেকটি উন্নয়ন কাজে পরিষদ সদস্যদের সম্পৃক্ত থাকার বিধান আছে, কিন্তু চেয়ারম্যান তা মানেন না। সাতটি স্থায়ী কমিটি থাকার পরও তিনি কারো সুপারিশ বা পরামর্শ গ্রাহ্য করেন না। নিয়মিত মাসিক সভা না করেই নিজের মন মত করে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

সংবাদ সম্মলনে পরিষদের সদস্য সিরাজুল হক প্রামানিক, পারভীন আকতার, সৈয়দ দিলনাহার, রিয়াজুল, রফিকুল ইসলাম, সেলিনা খাতুন, রফিকুর রহমান, ফিরোজ হোসেন, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিষদ সদস্যরা বলেন, আমরা জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নির্বাচিত হয়েছি, কিন্তু চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারিতায় পরিষদ আজ অকার্যকর।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানমের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কিনা সিদ্ধান্ত অক্টোবরে

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কিনা সিদ্ধান্ত অক্টোবরে
সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট বলেছেন, ‘চলতি বছর অক্টোবরে আইসিসির বিচারকরা ঠিক করবেন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করবেন কিনা।’

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সফররত আইসিসি প্রতিনিধিদলের প্রধান জেমস স্টুয়ার্ট।

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের ঘটনা জানতে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ঢাকায় আসে প্রতিনিধিদলটি। তিন দিনের এ সফরে তারা রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে জানতে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এর আগে এই প্রতিনিধিদলটি পররাষ্ট্র, আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। বুধবার প্রতিনিধিদলটি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী এলাকা পরিদর্শন করে।

জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, আমরা আইসিসিতে তথ্য উপাত্ত জমা দেবো। আইসিসি নির্ধারণ করবে অফিসিয়ালি তদন্ত করবে কি-না।  এটার সম্পূর্ণ এখতিয়ার আইসিসি ও বিচারকের। মিয়ানমার আইসিসির সদস্য না হওয়া সত্তেও একটি অপরাধ অন্য প্রান্তে সংগঠিত হয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তে ভুক্তভোগীরা আশ্রয় নিয়েছে। তাদের স্বার্থে এ বিচার শুরু হতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালত এখনও মিয়ানমার যায়নি। আমরা মিয়ানমারে যাওয়ার চেষ্টা করব। বিচারকার্য শুরু হলে মিয়ানমারকে আহ্বান জানাব যাতে বিচারকাজে অংশগ্রহণ করে। এভাবে প্রক্রিয়াটি চলতে থাকবে।

এ সময় তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিসির অফিসিয়ালি তদন্ত শুরুর আগে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটা সমঝোতা চুক্তি হওয়া উচিত বলেও জানান জেমস স্টুয়ার্ট।  

চার দফা দাবিতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

চার দফা দাবিতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
চার দফা দাবিতে মানববন্ধন নার্সিং শিক্ষার্থীরা, ছবি: সংগৃহীত

চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইন নার্সিংয়ের ইন্টার্ন ভাতা ও স্টাইপেন্ড বৃদ্ধিসহ চার দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ বেসিক গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করে তারা।

মানববন্ধনে নাসিং শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কারিকুলাম দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই কারিকুলামের বিভিন্ন ফাউন্ডেশন কোর্স সমূহ বিভিন্ন প্রফেশনাল কোর্সে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে কোর্সগুলো অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আর এতে বাংলাদেশ বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং কোর্স তার মান হারাবে বলে আমরা মনে করছি।

তারা আরও বলেন, এ বিষয়ে আমরা লিখিত ও মৌখিকভাবে একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করি। কিন্তু তারা আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো যৌক্তিক উত্তর আমাদের দেননি। অন্যদিকে বেসিক বিএসসি ইন নার্সিংয়ের কোর্স শেষে ৬ মাস ইন্টার্ন চালু রয়েছে। ২০১৪ সালে ৬ মাস ইন্টার্ন যুক্ত হয় এবং এর ভাতা নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার টাকা। বর্তমান সময়ে যেটা ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করা আমাদের সময় উপযোগী দাবি।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ বেসিক স্টুডেন্ট নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের অন্তর্ভুক্ত শতাধিক নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র