জঙ্গিবাদে বিশ্বাসী লোকজন এখনো রয়েছে: মনিরুল ইসলাম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান ও ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান ও ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদ দমন করা সম্ভব হলেও জঙ্গিবাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী লোকজন এখনো রয়েছে বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান ও ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

সোমবার (১ জুলাই) সকালে হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা স্থলের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা শেষে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, জঙ্গিবাদের যে সাংগঠনিক কাঠামো তা আমরা বিভিন্ন অভিযানে ভেঙে দিয়েছি। তবে জঙ্গিদের আমরা দমন করতে পারলেও, জঙ্গিবাদ মতাদর্শে বিশ্বাস করে কিংবা উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ ব্যক্তি এখনো সমাজে বিদ্যমান। তারা অনুকূল পরিবেশ পেলে কিংবা কখনো সক্ষমতা অর্জন করলে  আবারও ঝুঁকি হয়ে উঠবে সবার জন্য।

তিনি বলেন, সেই ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে তাদের সক্ষমতার মাত্রার উপর। তবে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কখনো কখনো জঙ্গিরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করে। কিন্তু সেটা যাতে না পারে সেজন্য আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নাগরিক উদ্যোগের মাধ্যমে জঙ্গিবাদের যে মতাদর্শ- তা রোধ করে জঙ্গি হামলা ঠেকানো সম্ভব।

মনিরুল বলেন, আজকের এইদিনে তিন বছর আগে হোলি আর্টিজানে নৃশংস জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছিল। হামলায় দুই পুলিশ সদস্যসহ ২২ জন নিহত হয়েছিলেন। তাদের আত্ম মাগফেরাত কামনা করছি।

হোলি আর্টিজানে হামলার পর তিন বছরে বাংলাদেশে জঙ্গিদের অবস্থা সস্পর্কে মনিরুল ইসলাম বলে, হোলি আর্টিজান হামলার পরপরই শোলাকিয়া ঈদ জামায়াতে হামলার চেষ্টা হয়। একই কায়দায় আরও কয়েকটি সহিংস ও নৃশংস হামলার পরিকল্পনা ছিল। তবে আমরা আমাদের ইনটেলিজেন্স তথ্যের মাধ্যমে, প্রি অ্যাক্টিভ অপারেশনের মাধ্যমে, প্রো অ্যাক্টিভ ইনভেস্টিগেশনের মাধ্যমে তাদের সে পরিকল্পনাগুলো নস্যাৎ করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই, এই হামলার সঙ্গে যারা নব্য জেএমবি'র জড়িত ছিল তারা সকলেই নিহত হয়েছে। অনেকে অভিযানে নিহত ও জীবিত গ্রেফতার হয়েছে। আমরা আশা করছি দ্রুত বিচার কাজ শেষ হবে।

আপনার মতামত লিখুন :