Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চীনা বিপ্লবের বীরদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

চীনা বিপ্লবের বীরদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বীরদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চীনা বিপ্লবের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় তিয়েন আনমেন স্কয়ারে চীনা বিপ্লবের বীরদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি।

পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর চীনের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীরদের প্রতি সম্মান জানানোর অংশ হিসেবে তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী এখানে পৌঁছলে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল তাঁকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।

আরও পড়ুন: চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা

এ সময় দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় এবং বিউগলে করুন সুর বেজে ওঠে। পরে প্রধানমন্ত্রী গ্রেট হল অব পিপলে চীনের ন্যাশনাল পিপল’স কংগ্রেস (এনপিসি) চেয়ারম্যান লি ঝাং শু’র সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।

উল্লেখ্য, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) অ্যানুয়াল মিটিংয়ে যোগাদান সহ চীনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য লি কেকিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গত ১ জুলাই পাঁচদিনের সরকারি সফরে চীনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যার প্রভাবে নিত্যপণ্যের বাজার চড়া

বন্যার প্রভাবে নিত্যপণ্যের বাজার চড়া
নিত্যপণ্যের বাজার/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ও টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর নিত্যপণ্যে বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। চড়া বাজারে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে সবজির বড় মোকাম উত্তরাঞ্চল। আর উত্তরাঞ্চলের বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধার পাশাপাশি জামালপুরসহ দেশের অনেক জেলা এখন বন্যা কবলিত। এরমধ্যে কোন কোন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি এতটাই মারাত্মক যে স্থানীয় প্রশাসক সেসব এলাকাকে দুর্গত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফলে চাহিদামতো পণ্যে সরবরাহ নেই। এ জন্য বাজার চড়া।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বললে এসব জানান তারা। চড়া বাজারেও ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। সবার অভিযোগ, কাঁচা বাজারের সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563522560490.jpg

ক্রেতারা বলছেন, কারওয়ান বাজার পাইকারি হওয়াতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দাম বাড়লে কিছু কেনাকাটা করা যায়, তবে খুচরা বাজারের পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে থাকে। 

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা পেঁপে, বরবটি, পটল, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স, করলা, কচু ও করলা প্রতিকেজি ১০টা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। শষার দাম বেড়ে প্রতিকেজি হয়েছে ৮০ টাকা, গাঁজর ৬০ টাকা আর পাকা টমেটো ১০০ টাকা। কাকরোল ৪০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা। মাঝারি সাইজের মিষ্টি কুমড়ার প্রতিপিচ ৫০ টাকা আর লাউয়ের দাম ৬০ টাকা। তবে দাম সহনীয় রয়েছে আলুতে। এখনও প্রতিকেজি দাম রয়েছে ২০ টাকা।

থেমে নেই আদা, রসুন আর পেঁয়াজের দাম। প্রকার ভেদে প্রতিকেজি আদার দাম ১৬০ টাকা আর রসুনের দাম কেজিতে ১৫০ টাকা। তবে ইন্ডিয়ান পেঁয়াজের আমদানি ভালো থাকায় দাম ছিল কিছুটা স্থিতিশীল। প্রতিকেজি ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৫ টাকা দরে। দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563522573699.jpg

পান্থপথ থেকে আসা জাহেদুল নামের এক ক্রেতা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, প্রত্যেকটা সবজির দামই বেশি। তারপরও একটি কথা স্বীকার করতে হয়ে, কারওয়ান বাজারের তুলানায় অন্য এলাকার সবজির বাজার মারাত্মক রকমের বেশি। এখানে ১০ টাকা কেজিতে বেড়েছে তো খুচরা বাজার কিংবা আবাসিক এলাকার বাজারগুলোতে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। ৬০ টাকার কমে এক কেজি সবজি আশা করাই যায় না।

বন্যায় সবজির আমদানি কম থাকায় দাম বেড়েছে বলে জানিয়ে আল আমিন নামে এক সবজি বিক্রেতা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যে সব এলাকা থেকে সবজি আসে, মূলত এসব এলাকায় বন্যা। মানুষ নিজেই পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে। আর সবজি গেছে নষ্ট হয়ে। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় সবজির আমদানি অনেক কম। আবার নতুন সবজি বাজারে আসলে তখন হয়তো দাম কিছুটা কমবে।

আরেক সবজি বিক্রেতা মজিবর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, গতকাল ম্যাজিস্ট্রেট এসে বাজারে সবজির দাম নির্ধারণ করে দিয়ে গেছেন। কিন্তু আজ প্রতি কেজিতে ১০/২০ টাকা করে বেড়েছে। এখন আমাদের কী করার আছে? আমরা কালকের রেটে বিক্রি করলে আজ লোকসানে বিক্রি করতে হবে।

এদিকে, বন্যার কারণ দেখিয়ে মাছের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ভারি বর্ষণে পুকুর নদ নদী প্লাবিত হওয়ায় মাছের আমদানিতে পড়েছে ভাটা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মাছে দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা।

তবে স্থীতিশীল রয়েছে মাংসের বাজার। বরাবরের মতই প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। আর লাল মুরগী বিক্রি হয়েছে ২২০টাকায়।

 

মাছ চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তির ধারণা দিতে মৎস মেলা

মাছ চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তির ধারণা দিতে মৎস মেলা
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে চলছে জাতীয় মৎস মেলা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

'মাছ চাষে গড়ব দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজধানীতে চলছে জাতীয় মৎস্য মেলা। মাছ চাষিদের আধুনিক কলা-কৌশল প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিতেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও মেলায় প্রদর্শন করা হচ্ছে বিলুপ্ত হওয়া বিভিন্ন জাতের মাছ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, এবারের মেলায় উন্নত জাতের বিভিন্ন ধরনের মাছের পোনা নিয়ে আসা হয়েছে। যা খুব কম সময়ে বড় হয়। তার মধ্যে আছে টেংরা, কৈ, মেনি, পাবদা, রুই, রাজপুটি, কুচিয়া, শোল, ভেটকি প্রভৃতি মাছ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563521064037.gif

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মেরিন ফিশারিজ এন্ড টেকনোলজি কক্সবাজার স্টেশনের সায়েন্টিফিক অফিসার জাকিয়া হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, ‘জাতীয় মৎস্য মেলায় ১১ থেকে ১২টি নতুন প্রজাতির মাছ নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া বিলুপ্ত হওয়া দেশি তিন জাতের মাছ প্রদর্শন করা হচ্ছে। সেগুলো হলো- গুতুম, মহাশোল ও বৈরালি মাছ।

মেলা উপলক্ষে আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিঃ মৎস মেলায় নিয়ে এসেছে শোল মাছের নতুন জাত, যা ১০০ ভাগ ফিডিং পদ্ধতিতে চাষ করা যাবে। যা সামনের বছর থেকে বাজারে পাওয়া যাবে। এছাড়া তেলাপিয়ার দুটি জাত এবারের মেলায় প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যে ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম হতে পারে।

সেফ একুয়া ফার্মিং ফর ইকোনমিক এন্ড ট্রেড ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় মেলায় দেখানো হচ্ছে কিভাবে চাষিরা চিংড়ি চাষে ট্রেডিশনাল পদ্ধতি বাদ দিয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করলে হেক্টরপ্রতি গলদা ও বাগদা চিংড়ির অনেক বেশি উৎপাদন করতে পারবেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563521078736.gif

মেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী শাহারিয়ার আলম বার্তা টোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘এ ধরনের মেলা শহরের পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। গ্রাম পর্যায়ে এই মেলা আরও বেশি হলে মাঠ পর্যায়ের মৎস চাষিরা বেশি উপকৃত হবেন।’

মৎস্য অধিদফতরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল খালেক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলে অনেক বেশি পরিমাণে মাছের উৎপাদন করতে পারবেন চাষিরা। এবারের মৎস্য মেলায় সরকারি-বেসরকারি ৩৬টি স্টল রয়েছে। আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত মেলা চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই মেলা।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র