Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ওদের কান্না থামছিল না

ওদের কান্না থামছিল না
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

মঞ্জুআরা বেগম। বয়স ষাটের কাছাকাছি। অকালে স্বামীকে হারিয়েছেন। তিন মেয়ে আর এক ছেলেকে নিয়ে বাপ-দাদার ভিটে-মাটিতে বসবাস করছিলেন। সরকারি জমি হওয়ায় হঠাৎ তাদের উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে থাকা মাথা গোঁজার জায়গা হারিয়ে এখন দিশেহারা এই বৃদ্ধা।

রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে জমি ফিরে পেতে বুকফাটা আহাজারিতে ভেঙে পড়েন তিনি। এতে সেখানে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বৃদ্ধা মঞ্জুআরা বেগমের মতোই কাঁদছিলেন নুরবান। দীর্ঘ দেড় ঘণ্টার মানববন্ধনে তাদের প্রতিবাদের ভাষাই ছিল শুধু কান্না। ওদের কান্না যেন থামছিল না। এমন আর্তনাদে নিজ ভিটে-মাটি ফিরে পাবার আশা ছিল সবার চোখে-মুখে।

জেলার কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছের সারাই আমবাগান এলাকা থেকে গত ২৯ জুন ৭০টি পরিবারকে অবৈধভাবে উচ্ছেদ করা হয় এমন অভিযোগে সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/08/1562594081934.jpg

পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের প্রতিবাদে ও নিজ ভিটে-মাটি ফিরে পেতে মানববন্ধন সমাবেশ করে ভুক্তভোগী অসহায় পরিবারগুলো।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া সাদিকুল ইসলাম, বাবুল মিয়া, শরিফুল, নুর ইসলাম, আব্দুর রহমান, আমেনা খাতুন, সালমা বেগম, নুরবানু বলেন, ‘হারাগাছের সারাই আমবাগান মৌজায় এক একর ৫১ শতক পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে ৭০টি পরিবারকে জোর পূর্বক উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। অথচ ওই জমি নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তারপরও আমাদেরকে অবৈধভাবে উচ্ছেদ করে ভূমিহীন করা হয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে আমাদের সম্পত্তি ফিরে পেতে চাই।’

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী ৭০টি পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক সদস্য অংশ নেন।

এই অভিযোগের ব্যাপারে জানতে রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসিব আহসানের মোবাইলে ফোন করা হলেও তা রিসিভ করেননি তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

পুরান ঢাকায় ভবন ধস: একজনের মরদেহ উদ্ধার

পুরান ঢাকায় ভবন ধস: একজনের মরদেহ উদ্ধার
পুরান ঢাকায় দোতলা ভবন ধসে পড়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলীতে দোতলা ভবন ধসের ঘটনায় নিখোঁজ দুইজনের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা রাসেল সিকদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, 'ভবন ধসের ঘটনায় নিখোঁজ দুইজনের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ আরেকজন ধ্বংসস্তুপের মধ্যে রয়েছে। উদ্ধার তৎপরতায় ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করছে।'

উল্লেখ্য, বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলীস্থ সুমনা হাসপাতালের পাশে ছয় নম্বর লেনের পুরনো একটি দোতলা ভবন ধসে পড়েছে।

আরও পড়ুন: পুরান ঢাকায় দোতলা ভবন ধস

এইচএসসি’র ফলাফলে রাজশাহী মহিলা কলেজের চমক

এইচএসসি’র ফলাফলে রাজশাহী মহিলা কলেজের চমক
রাজশাহী সরকারি কলেজ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজে এইচএসসির ফলাফলে চলতি বছর জিপিএ-৫ পাওয়ার হারে শিক্ষার্থীরা চমক দেখিয়েছে। এ বছর কলেজটির বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮২ জন। অথচ গত বছর কলেজটি থেকে মাত্র ১০ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

শিক্ষাবোর্ড সূত্র জানায়, সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এবার ১ হাজার ৩৮৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৩১৭ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করেছে ৬১৪ জন। ফেল করেছে ২৭ জন। মানবিকে পাস ও ফেলের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৩০ ও ৩৯। আর ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে পাস-ফেল যথাক্রমে ২৭৩ ও ২১ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া ১৮২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৯ জন বিজ্ঞান, ২১ জন মানবিক ও দুইজন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী।

গত বছর শুধু বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগ থেকে পাঁচজন করে মোট ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। সে বছর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের কেউ জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

এর আগে ২০১৭ সালে কলেজটি থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়। ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৭৭ জন। আর ২০১৫ সালে পেয়েছিল ৫৫ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দা নীলুফার ফেরদৌস এই ফলাফলে ভীষণ খুশি। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘আমাদের এবারের পাসের হার ৯৫ দশমিক ০৯ শতাংশ। এটা খারাপ না। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও এবার অনেক বেড়েছে। তাই আমরা খুশি।’ অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন আরও ভাল করা যায় সেই চেষ্টাই থাকবে।‘

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র