Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লাইনচ্যুত তিন বগি উদ্ধার, ১০ ট্রেনের যাত্রা বাতিল

লাইনচ্যুত তিন বগি উদ্ধার, ১০ ট্রেনের যাত্রা বাতিল
ছবি. বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রাজশাহী


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীর চারঘাটে লাইনচ্যুত হওয়া তেলবাহী ট্রেনের উদ্ধার কাজে তেমন অগ্রগতি নেই। বুধবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে রিলিফ ট্রেন উদ্ধারকাজ শুরু করে। তবে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বেলা ১১টা পর্যন্ত মাত্র তিনটি বগি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

বাকি রয়েছে আরো ৬টি বগি যেগুলো খুবই নাজুক অবস্থায় রয়েছে। তাই উদ্ধার কাজ করতে হচ্ছে অতি সাবধনতার সঙ্গে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, সারাদিন যদি বৃষ্টি না হয়, তবে সন্ধ্যা নাগাদ কাজ শেষ হবে। আর বৃষ্টি হলে উদ্ধারকাজে আরো বিলম্ব হতে পারে। উদ্ধারকাজ শেষে করা হবে লাইন মেরামতের কাজ। সেক্ষেত্রে আজ বৃহস্পতিবার রাতেও রাজশাহী-ঢাকা রুটের সব ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হতে পারে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সুপারিন্টেনডেন্ট আবদুল করিম বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, বগিগুলো তেলবাহী হওয়ায় উদ্ধারকাজে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। বুধবার রাতে উদ্ধারকাজ শুরু করা হলেও টানা বৃষ্টির কারণে তেমন অগ্রগতি হয়নি। ভোররাতেও ঘটনাস্থলে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকে বৃষ্টি না থাকায় উদ্ধার কাজে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

রাজশাহীতে ট্রেন লাইনচ্যুত: সহকারী প্রকৌশলী বরখাস্ত

তিনি আরো জানান, যেভাবে এখন উদ্ধারকাজ চলছে, তাতে সন্ধ্যা নাগাদ উদ্ধারকাজ শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ফের যদি বৃষ্টি শুরু হয়, সেক্ষেত্রে আরো বিলম্ব হবে। বগিগুলো উদ্ধারকাজ শেষে রেললাইন মেরামতের কাজ করা হবে। অনেক স্থানে স্লিপার ভেঙে গেছে। সেগুলো মেরামত করতে আরো সময় লাগবে। এখনই কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562827162608.jpg

এদিকে, বুধবার রাতে ঢাকা-রাজশাহী রুটের সব ট্রেনের যাত্রা বাতিল ঘোষণা করা হয়। রাত ১১টা ২০ মিনিটে ধূমকেতু ও বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস, খুলনাগামী সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। রাজশাহী থেকে ঈশ্বরদী, রাজশাহী থেকে সিরাজগঞ্জগামী লোকাল ট্রেনগুলোও রাজশাহী স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, বিকেল সাড়ে ৩টায় গোপালগঞ্জগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ও বিকেল ৪টায় ঢাকাগামী আন্তঃনগর পদ্মা এক্সপ্রেসের যাত্রাও বাতিল করা হয়েছে। এসব ট্রেনের আগাম টিকিট নেওয়া যাত্রীরা স্টেশনে এসে টিকিটের টাকা ফেরত নিতে পারবেন।

তবে রাতের ঢাকাগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হবে কিনা সেই ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আর বুধবার বিকেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস নাটোরের আব্দুলপুর স্টেশনে এবং বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস রাজশাহীর বাঘার আড়ানী স্টেশনে যাত্রী নিয়ে আটকা পড়েছে।

ট্রেন লাইনচ্যুত: ঢাকা-রাজশাহী রুটের সব ট্রেনের যাত্রা বাতিল

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক খোন্দকার শহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের যে কোনো দুর্ঘটনায় ঈশ্বরদী থেকে রিলিফ ট্রেন পাঠিয়ে থাকি আমরা। তারা দ্রুত গতিতে কাজ করেন। তাদের উদ্ধারকাজের ব্যাপারে কোনো সন্দেহ থাকার প্রশ্ন নেই। সমস্যা দুটি—প্রথমত এটি তেলবাহী ট্রেনের বগি। আর দ্বিতীয়ত, ভারী বর্ষণ। বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটছে। তবে আমাদের টিম দ্রুত কাজ শেষ করে লাইন ক্লিয়ার করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562827182390.jpg

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় রাজশাহী থেকে যেসব ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হচ্ছে, সেগুলোতে টিকিট কেনা যাত্রীরা স্টেশনে এসে টিকিট দেখিয়ে অর্থ ফেরত নিতে পারবেন। এজন্য আমরা সব ব্যবস্থা করে রেখেছি।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, খুলনা থেকে বুধবার সকালে তেলবাহী একটি ট্রেন ছেড়ে আসে। বিকেলে ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে রাজশাহী অভিমুখে যাত্রা করে ট্রেনটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চারঘাটের হলিদাগাছী স্টেশনের কাছে দীঘলকান্দি এলাকায় ট্রেনের নয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়। খবর পেয়ে সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে একটি রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে যায়। রাত সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয় উদ্ধারকারজ। ওই সময় দুর্ঘটনার শিকার ট্রেনটি সামনের বগিগুলো নিয়ে রাজশাহীর হরিয়ান স্টেশনে চলে যায়।

এদিকে, দুর্ঘটনার পর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আর ঘটনা তদন্তে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান পরিবহন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কমিটির সদস্যদের প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রতিবেদন পাওয়ার আগে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের কোনো কর্মকর্তাই দুর্ঘটনার কারণ জানাতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যার প্রভাবে নিত্যপণ্যের বাজার চড়া

বন্যার প্রভাবে নিত্যপণ্যের বাজার চড়া
নিত্যপণ্যের বাজার/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ও টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর নিত্যপণ্যে বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। চড়া বাজারে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে সবজির বড় মোকাম উত্তরাঞ্চল। আর উত্তরাঞ্চলের বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধার পাশাপাশি জামালপুরসহ দেশের অনেক জেলা এখন বন্যা কবলিত। এরমধ্যে কোন কোন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি এতটাই মারাত্মক যে স্থানীয় প্রশাসক সেসব এলাকাকে দুর্গত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফলে চাহিদামতো পণ্যে সরবরাহ নেই। এ জন্য বাজার চড়া।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বললে এসব জানান তারা। চড়া বাজারেও ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। সবার অভিযোগ, কাঁচা বাজারের সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563522560490.jpg

ক্রেতারা বলছেন, কারওয়ান বাজার পাইকারি হওয়াতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দাম বাড়লে কিছু কেনাকাটা করা যায়, তবে  খুচরা বাজারের পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে থাকে। 

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা পেঁপে, বরবটি, পটল, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স, করলা, কচু ও করলা প্রতিকেজি ১০টা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। শষার দাম বেড়ে প্রতিকেজি হয়েছে ৮০ টাকা, গাঁজর ৬০ টাকা আর পাকা টমেটো ১০০ টাকা। কাকরোল ৪০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা। মাঝারি সাইজের মিষ্টি কুমড়ার প্রতিপিচ ৫০ টাকা আর লাউয়ের দাম ৬০ টাকা। তবে দাম সহনীয় রয়েছে আলুতে । এখনও প্রতিকেজি দাম রয়েছে ২০ টাকা।

থেমে নেই আদা, রসুন আর পেঁয়াজের দাম। প্রকার ভেদে প্রতিকেজি আদার দাম ১৬০ টাকা আর রসুনের দাম কেজিতে ১৫০ টাকা। তবে ইন্ডিয়ান পেঁয়াজের আমদানি ভালো থাকায় দাম ছিল কিছুটা স্থিতিশীল। প্রতিকেজি ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৫ টাকা দরে। দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563522573699.jpg

পান্থপথ থেকে আসা জাহেদুল নামের এক ক্রেতা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, প্রত্যেকটা সবজির দামই বেশি। তারপরও একটি কথা স্বীকার করতে হয়ে, কারওয়ান বাজারের তুলানায় অন্য এলাকার সবজির বাজার মারাত্মক রকমের বেশি। এখানে ১০ টাকা কেজিতে বেড়েছে তো খুচরা বাজার কিংবা আবাসিক এলাকার বাজারগুলোতে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। যদি ৬০ টাকার কমে এক কেজি সবজি আশা করাই যায় না।

বন্যায় সবজির আমদানি কম থাকায় দাম বেড়েছে বলে জানিয়ে আল আমিন নামে এক সবজি বিক্রেতা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যে সব এলাকা থেকে সবজি আসে, মূলত এসব এলাকায় বন্যা। মানুষ নিজেই পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে। আর সবজি গেছে নষ্ট হয়ে। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় সবজির আমদানি অনেক কম। আবার নতুন সবজি বাজারে আসলে তখন হয়তো দাম কিছুটা কমবে।

আরেক সবজি বিক্রেতা মজিবর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, গতকাল ম্যাজিস্ট্রেট এসে বাজারে সবজির দাম নির্ধারণ করে দিয়ে গেছেন। কিন্তু আজ প্রতি কেজিতে ১০/২০ টাকা করে বেড়েছে। এখন আমাদের কী করার আছে? আমরা কালকের রেটে বিক্রি করলে আজ লোকসানে বিক্রি করতে হবে।

এদিকে, বন্যার কারণ দেখিয়ে মাছের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা । ভারি বর্ষণে পুকুর নদ নদী প্লাবিত হওয়ায় মাছের আমদানিতে পড়েছে ভাটা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মাছে দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা।

তবে স্থীতিশীল রয়েছে মাংসের বাজার । বরাবরের মতই প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। আর লাল মুরগী বিক্রি হয়েছে ২২০টাকায়।

 

মাছ চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তির ধারণা দিতে মৎস মেলা

মাছ চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তির ধারণা দিতে মৎস মেলা
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে চলছে জাতীয় মৎস মেলা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

'মাছ চাষে গড়ব দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজধানীতে চলছে জাতীয় মৎস্য মেলা। মাছ চাষিদের আধুনিক কলা-কৌশল প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিতেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও মেলায় প্রদর্শন করা হচ্ছে বিলুপ্ত হওয়া বিভিন্ন জাতের মাছ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, এবারের মেলায় উন্নত জাতের বিভিন্ন ধরনের মাছের পোনা নিয়ে আসা হয়েছে। যা খুব কম সময়ে বড় হয়। তার মধ্যে আছে টেংরা, কৈ, মেনি, পাবদা, রুই, রাজপুটি, কুচিয়া, শোল, ভেটকি প্রভৃতি মাছ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563521064037.gif

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মেরিন ফিশারিজ এন্ড টেকনোলজি কক্সবাজার স্টেশনের সায়েন্টিফিক অফিসার জাকিয়া হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, ‘জাতীয় মৎস্য মেলায় ১১ থেকে ১২টি নতুন প্রজাতির মাছ নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া বিলুপ্ত হওয়া দেশি তিন জাতের মাছ প্রদর্শন করা হচ্ছে। সেগুলো হলো- গুতুম, মহাশোল ও বৈরালি মাছ।

মেলা উপলক্ষে আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিঃ মৎস মেলায় নিয়ে এসেছে শোল মাছের নতুন জাত, যা ১০০ ভাগ ফিডিং পদ্ধতিতে চাষ করা যাবে। যা সামনের বছর থেকে বাজারে পাওয়া যাবে। এছাড়া তেলাপিয়ার দুটি জাত এবারের মেলায় প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যে ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম হতে পারে।

সেফ একুয়া ফার্মিং ফর ইকোনমিক এন্ড ট্রেড ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় মেলায় দেখানো হচ্ছে কিভাবে চাষিরা চিংড়ি চাষে ট্রেডিশনাল পদ্ধতি বাদ দিয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করলে হেক্টরপ্রতি গলদা ও বাগদা চিংড়ির অনেক বেশি উৎপাদন করতে পারবেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563521078736.gif

মেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী শাহারিয়ার আলম বার্তা টোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘এ ধরনের মেলা শহরের পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। গ্রাম পর্যায়ে এই মেলা আরও বেশি হলে মাঠ পর্যায়ের মৎস চাষিরা বেশি উপকৃত হবেন।’

মৎস্য অধিদফতরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল খালেক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলে অনেক বেশি পরিমাণে মাছের উৎপাদন করতে পারবেন চাষিরা। এবারের মৎস্য মেলায় সরকারি-বেসরকারি ৩৬টি স্টল রয়েছে। আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত মেলা চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই মেলা।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র