Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আরও চারদিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

আরও চারদিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
ছবি: শাদরুল আবেদীন
শাদরুল আবেদীন
নিউজরুম এডিটর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে দেশের বিভিন্ন জেলায় জলাবদ্ধতার দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কয়েকটি জেলায় প্লাবিত হয়ে পানিবন্দী হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। সেখানে দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। এছাড়া পানির কারণে অনেক স্থানের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে, রাজধানীতে গতকয়েকদিন থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বষ্টির পরিমাণ অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেক কম ছিল। ফলে রাজধানীর তাপমত্রা কম থাকলেও ভ্যাপসা গরম অনুভব হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বৃষ্টির পরিমাণ সর্বোচ্চ ২১৬ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয় চট্টগ্রাম জেলার সিতাকুণ্ডে। আর ঢাকায় রেকর্ড করা হয় ২১ মিলিমিটার। যেখানে রাজধানীতে এর পরিমাণ ১৯৫ মিলিমিটার কম।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীতে আকাশ মেঘলা ছিল। তুলনামূলক রোদের দেখাই খুব কম পাওয়া গেছে। বেলা বাড়ার পর পর গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। তবে কিছু সময় পর এ বৃষ্টি থেমে যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562863760918.jpg

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। আগামী ১৩ জুলাই (শনিবার) থেকে ১৫ জুলাইয়ের (সোমবার) মধ্যে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে। এখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় তিন থেকে চারদিন পর আবারও বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। আরও এক থেকে দেড় মাস এভাবেই চলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে এখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বিরাজ করছে। তবে বৃষ্টির প্রবণতা কমে গেলে তা বেড়ে ৩৫ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। আর এ সময় তাপমাত্রা কমলেও ভ্যাপসা গরম অনুভব হয়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562863780921.jpg

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশে সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। তাই ময়মনসিংহ, বরিশাল, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃাষ্ট অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশের রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ঢাকা ও পাশ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- আকাশ মেঘলা থাকবে। হালকা তেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562863801299.jpg

নদীবন্দরের সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে- রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালি, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গা ইস্যুতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সেমিনারে আলোচকরা/ ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনে ভূমিকা রাখতে শিক্ষাবিদ, গবেষক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের ‘অ্যাশ সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ননেন্স এন্ড ইনোভেশন’ সেন্টারে অনুষ্ঠিত সেমিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

‘ইন্টারন্যাশনাল রোহিঙ্গা অ্যাওয়ারনেস কনফারেন্স’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করেন বোস্টনস্থ অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুল্লাহ শিবলী, ড. ডেভিড ড্যাপাইচ ও সমাজকর্মী নাসরিন শিবলী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563639147560.gif

রোহিঙ্গা ইস্যু কিভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলছে সেমিনারে তা উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্য বিড়ম্বিত, অমানবিক সহিংসতার শিকার এই মানুষগুলোকে আশ্রয় না দিলে তাদের আর যাওয়ার কোনো জায়গা ছিল না।’

মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসেনি। কফি আনান কমিশনের সুপারিশ থেকে শুরু করে কোনো পদক্ষেপই তারা বাস্তবায়ন করেনি। রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার আস্থা ও নিরাপত্তা সৃষ্টিকারী কোনো অনুকূল পরিবেশই তারা সৃষ্টি করতে পারেনি। পরিবর্তে মিয়ানমার বিষয়টি নিয়ে ব্লেইম গেম খেলছে।’

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যা সম্ভব তার সব সবকিছুই বাংলাদেশ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পদক্ষেপের পাশাপাশি শিক্ষাবিদ, গবেষক ও বিশ্বের খ্যাতনামা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই ও স্থায়ী প্রত্যাবাসন নিশ্চিত হয়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563639181228.gif

সেমিনারে অন্য আলোচকদের মধ্যে ছিলেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের নিউইয়র্কস্থ কার্যালয়ের পরিচালক নিনেথ কেলি ও হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার কর্মসূচির সিনিয়র ইকোনমিস্ট ও প্রফেসর ইমেরিটাস ডেভিড ড্যাপাইচ।

অনুষ্ঠানটির মডারেটর ছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও হার্ভার্ডের অ্যাশ সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নন্যান্স এর পরিচালক এন্থনি সাইচ।

নিনেথ কেলি রোহিঙ্গা সঙ্কটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জনগণের উদারতা, সহানভূতি ও মানবিকতার প্রশংসা করেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি একটি ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন দৃশ্যপট তুলে ধরেন।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) দেশীয় প্রতিনিধি ডা. এডউইন স্যালভাদর।

তিনি বলেছেন, ‘এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একযোগে কাজ করবে।’

শনিবার (২০ জুলাই) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের নিজ বাসভবনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারা প্রতিবেদন দেবেন যার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে ডিএসসিসি।

সাঈদ খোকন বলেন, ‘ডেঙ্গু কখনো বাইরের ময়লায় বা ড্রেনে হয় না। এটা হয় পরিষ্কার সাদা পানিতে। তাই এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার ৩৩ হাজার বাড়িতে ডেঙ্গু মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করি এবং এটি ধ্বংস করার উপায় শিখিয়ে দিয়ে আসা সত্ত্বেও দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে পরে সেই বাড়িতে পরিদর্শনে গেলে পূর্বের সেই একই পরিস্থিতি দেখতে পাই যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- অন্যান্যের মধ্যে হেলথ ইমার্জেন্সির দল প্রধান হাম্মাম এল সাক্কা, আইভিডি ইম্যুনাইজেশন ভ্যাক্সিন ডেভেলপমেন্টর রাজেন্দ্র বোহরা, ঢাকার বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র