Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মতিঝিল থেকে নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

মতিঝিল থেকে নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের লোগো ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর মতিঝিলের একটি বাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবল বিউটি আক্তারের (২১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে মতিঝিলের এজিবির কলোনির একটি কক্ষ থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, পুলিশ সদস্য বিউটি রাজারবাগ পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। তিনি মতিঝিলের এজিবি কলোনিতে স্বামীসহ ভাড়া থাকতেন।

তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে লারি, বিউটি আক্তারের সঙ্গে তার স্বামী তরিকুল ইসলামের ঝগড়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরে তরিকুল বাথরুম থেকে বিউটি আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে তার স্বামী পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পুলিশ সদস্য বিউটি আক্তার কিভাবে মারা গেছেন বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

আপনার মতামত লিখুন :

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) দেশীয় প্রতিনিধি ডা. এডউইন স্যালভাদর।

তিনি বলেছেন, ‘এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একযোগে কাজ করবে।’

শনিবার (২০ জুলাই) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের নিজ বাসভবনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারা প্রতিবেদন দেবেন যার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে ডিএসসিসি।

সাঈদ খোকন বলেন, ‘ডেঙ্গু কখনো বাইরের ময়লায় বা ড্রেনে হয় না। এটা হয় পরিষ্কার সাদা পানিতে। তাই এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার ৩৩ হাজার বাড়িতে ডেঙ্গু মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করি এবং এটি ধ্বংস করার উপায় শিখিয়ে দিয়ে আসা সত্ত্বেও দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে পরে সেই বাড়িতে পরিদর্শনে গেলে পূর্বের সেই একই পরিস্থিতি দেখতে পাই যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- অন্যান্যের মধ্যে হেলথ ইমার্জেন্সির দল প্রধান হাম্মাম এল সাক্কা, আইভিডি ইম্যুনাইজেশন ভ্যাক্সিন ডেভেলপমেন্টর রাজেন্দ্র বোহরা, ঢাকার বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো চক্রান্ত রুখে দিন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো চক্রান্ত রুখে দিন
ছবি: সংগৃহীত

দেশে হঠাৎ করে সাম্প্রদায়িক উস্কানি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের পরিকল্পিত চক্রান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ মোর্চার নেতৃবৃন্দ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো চক্রান্ত রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

শনিবার (২০ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে মোর্চার নেতৃবৃন্দরা এ আহ্বান জানান।

তারা বলেন, গত কিছুদিন ধরে হঠাৎ করেই দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলার একটি চাপা ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাম্প্রদায়িক উস্কানি সৃষ্টি করে পরিকল্পিত অশান্তি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অপচেষ্টা আমরা লক্ষ্য করছি। প্রিয়া সাহা কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ-বিরোধী বক্তব্য এবং বাংলাদেশে বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপের আহ্বান, সেসব চক্রান্তেরই বহিঃপ্রকাশ বলে আমরা মনে করি।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে এবং এখনো ঘটছে- এ বিষয়টি কেউ অস্বীকার করেনি। কিন্তু তার যে সংখ্যাগত পরিসংখ্যান প্রিয়া সাহা উপস্থাপন করেছেন, তা মিথ্যা। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমরা বরাবরই সোচ্চার। বাংলাদেশ সরকারও এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে আমরা মনে করি।

তারা বলেন- আমরা মনে করি, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং দেশত্যাগের যে সমস্ত ঘটনা এখানে ঘটেছে, দেশের প্রচলিত আইনেই তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এসব বিচারের দাবিতে দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সকল শক্তিকেই ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে। কিন্তু এ বিষয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে বিদেশি কোনো বহিঃশক্তির কাছে দেশের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ কামনা করা রীতিমতো রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল। যিনি এ কাজ করেছেন, তিনি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত অপরাধ করেছেন।

নেতৃবৃন্দদের মতে, বাংলাদেশের সকল অভ্যন্তরীণ বিষয় সমাধানের মালিক একমাত্র বাংলাদেশ ও তার জনগণ। কোনো নিকটতম প্রতিবেশী কিংবা দূরতম কোনো রাষ্ট্র আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর কর্তৃপক্ষ নয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, দৈনিক আমাদের নতুনের সংযুক্ত সম্পাদক ও কবি অসীম সাহা, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ মোর্চা আহ্বায়ক ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুজ জাহের, গৌরব ৭১-এর উপদেষ্টা কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি ও সভাপতি এস এম মনিরুল ইসলাম মনি, ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের (বোয়ান) সভাপতি ড. কানিজ আকলিমা সুলতানা, বিবার্তা.নেটের সম্পাদক বাণী ইয়াসমিন হাসি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জয়নাব বিনতে হোসেন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র