Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এম‌পিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি

এম‌পিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট
বার্তা‌টো‌য়ে‌ন্টি‌ফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকা‌রি শিক্ষক‌দের অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন বন্ধ ক‌রে পূর্ণাঙ্গ ঈদ বোনাস ও এম‌পিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও এম‌পিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়া‌জো ফোরাম।

শুক্রবার (১২ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠন দু‌টির ব্যানারে মানববন্ধন করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562922169134.jpg

 

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম র‌নি ব‌লেন, 'আমরা শিক্ষকরা দেশের ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাই। আমা‌দের যে বেতন দেওয়া হয় তা খুবই সামান্য। এভাবে শিক্ষক সমাজ বেঁচে থাক‌তে পা‌রে না। প্রতি ঈদে হাহাকার ক‌রে শিক্ষক প‌রিবারগু‌লো। শিক্ষকরা এভাবে প্রতিদিন রাস্তায় এসে আন্দোলন কর‌তে পা‌রে না। আমা‌দের দা‌বিগু‌লো দ্রুত বাস্তবায়ন ক‌রে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা‌কে  অনতিবিলম্বে প্রতিষ্ঠিত করুন। অন্যথায় শিক্ষকরা আরো কঠোর অবস্থানে যাবে।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562922067763.jpg

 

এসময়  প্রয়োজনে গণভবন অথবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি দেওয়ার হুমকি দি‌য়ে তিনি ব‌লেন, 'আমা‌দের কথাগু‌লো যদি প্রধানমন্ত্রী না শুনেন, আমা‌দের হাহাকার যদি প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত না যায় প্রয়োজনে গণভবনের সামনে অবস্থান নেব আমরা।'

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি‌র মহাসচিব ‌মেজবাহুল ইসলাম প্রিন্স ব‌লেন, 'যেখানে এশিয়ার দেশগু‌লো‌তে শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ছয় শতাংশ দেওয়ার কথা, সেখানে আমা‌দের শিক্ষাখাতে বাজেট বরাদ্দ মাত্র ২ দশমিক ৪ শতাংশ। ছয় শতাংশ দেওয়া সম্ভব না হলেও কমপক্ষে আরো দুই শতাংশ বরাদ্দ দিলেই শিক্ষক‌দের সমস্যাগু‌লো সমাধান হবে। শিক্ষকরা আর রাস্তায় দাঁড়াবে না। এটা দেশের জন্য, জাতির জন্য লজ্জাজনক।'

মানববন্ধনে বক্তব্যে রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক হারুন অর র‌শিদ, মুন্সীগঞ্জ জেলার শিক্ষক‌দের সভাপতি রতন কুমার প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

গুজব রোধে হার্ডলাইনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

গুজব রোধে হার্ডলাইনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
প্রতীকী

রাজধানীসহ সারা দেশে ছেলেধরা সন্দেহে গুজব রটাচ্ছে একটি মহল। এসব ঘটনায় গত ১৩ দিনে ছেলেধরা সন্দেহে ১১ জনকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিকেরও বেশি মানুষ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ছেলেধরা সন্দেহে মানুষ হত্যা রোধে বসে নেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রত্যেক জেলার এসপি ও ডিসিকে গুজবের নামে মানুষ হত্যা বন্ধে শক্ত অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, এখন পর্যন্ত ছেলেধরা সন্দেহে সারা দেশে ৯টি মামলা ও ১৫টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এ ছাড়া বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনু হত্যার ঘটনায় ৪ জনসহ মোট ৮৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পাশাপাশি সাইবার জগতে যারা গুজব উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়িয়ে দিতে সক্রিয় আছে তাদের নজরদারিতে রেখেছে র্যা ব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুজব সম্পর্কিত প্রত্যেকটি বিষয় মনিটরিং করা হচ্ছে। মনিটরিংয়ের আওতায় আসছে ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউব ব্লগ; যাতে কোনভাবেই ছেলেধরা সংক্রান্ত কোন গুজব না ছড়িয়ে পড়ে। যে ব্যক্তি গুজব ছড়াবে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এদিকে গুজব প্রতিরোধে শুরু থেকেই পুলিশের গাফিলতি ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, গুজব রোধে যদি পুলিশের ভূমিকা দুর্বল থাকে বা কোন পুলিশ সদস্য গাফিলতি করেন, সরাসরি আমাকে ফোন দেবেন। আমি সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেব। গুজব প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রীর চোখে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

প্রধানমন্ত্রীর চোখে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা | ফাইল ছবি

যুক্তরাজ্যে সরকারি সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাঁ চেখে সোমবার লন্ডনের একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম লন্ডন থেকে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইহ্সানুল করিম বলেন, সোমবার বিকেলে লন্ডনের একটি হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর বাঁ চোখে অস্ত্রোপচার হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্থ আছেন।

প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী লন্ডন থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ডিজিটালি সই করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ১৯ জুলাই লন্ডনে পৌঁছানোর পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ফাইল স্বাক্ষর করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী লন্ডন থেকে দেশের বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন।

বাংলাদেশি দূতদের সম্মেলনে এবং অন্যান্য কর্মসূচিতে যোগ দিতে গত ১৯ জুলাই লন্ডনে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আগামী ৫ আগস্ট দেশে ফিরবেন।

সূত্র: বাসস

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র