Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যের কারাদণ্ড

দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যের কারাদণ্ড
দণ্ডপ্রাপ্ত দালাল চক্রের সদস্যরা, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও পঙ্গু হাসপাতালের সামনে থেকে দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন র‌্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এদের মধ্যে ইলিয়াস হোসেনের (৩৩) তিন মাস, মো.শাওন মৃধার (২৫) এক মাস, ওমর ফারুক (২০) এক মাস, জহিরুল ইসলাম জনির (২২) এক মাস, মো. ফয়েজুল্লার (৩৩) এক মাস, মো. রেজাউল করিমের (৪৬) এক মাস এবং মো. দুলালের (৩০) পনের দিন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) র‍্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র রাজধানীর আগারগাঁও হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এর মাধ্যমে তারা অসহায় রোগীদের নিকট থেকে চিকিৎসার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে র‍্যাব-২ অভিযান পরিচালনা করে।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযান শেষে র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ৭ দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ছিনতাইয়ে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে কুপিয়ে হত্যা

ছিনতাইয়ে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে কুপিয়ে হত্যা
ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত কলেজছাত্র ফারদিন ইসনা আশারিয়া রাব্বী/ ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফারদিন ইসনা আশারিয়া রাব্বীকে (১৯) হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত যুবলীগ কর্মী রওনক (২৩)। শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, শনিবার বিকালে রাজশাহী মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতের বিচারক সেলিম রেজার আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তার জবানবন্দি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে তিনি একাই অংশ নিয়েছিলেন। মাদকের অর্থ যোগাড় করতে রওনক ছিনতাই করতেন।

আরএমপি’র মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, আদালতে ঘাতক রওনক জানান- মাদকের টাকা জোগাড় করতে গত ৬ আগস্ট ভোরে উঠে রাস্তার ধারে ওঁৎপেতে ছিলেন তিনি। বাড়ি ফেরার জন্য স্টেশনে ট্রেন ধরতে ভোরে মেস থেকে বের হন রাজশাহী সিটি কলেজের ছাত্র ফারদিন আশারিয়া রাব্বী। ঐ সময় ‘আমরু কনফেকশনারী’ এর কাছাকাছি গেলে রওনক ধারালে অস্ত্র দেখিয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে ভয় দেখিয়ে মোবাইল ও মানিব্যাগ দিয়ে দিতে বলে।

রওনক আদালতে আরও জানান, তবে রাব্বী তাকে কৌশলে মাটিতে ফেলে দিয়ে চিৎকার শুরু করলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে রওনক রাব্বীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেছন দিক থেকে কোপ দেয়। এতে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে মানিব্যাগ ও মোবাইল না নিয়েই দ্রুত পালিয়ে যায় ঘাতক রওনক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566060037670.gif
ছিনতাইকরা রওনক/ ছবি: সংগৃহীত

 

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রওনক আদালতে আরও জানান, তিনি আগে থেকে রাব্বীকে চিনতেন না। নেশায় আসক্ত হওয়ায় তিনি যেকোনো উপায়ে কিছু টাকা যোগাড় করতে পথে ওঁৎ পেতে বসেছিলেন। ঐ সময় রাব্বীকে পেয়ে তার ওপর হামলা করেন।

জানা যায়, গত ৬ আগস্ট ভোরে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে রাস্তায় খুন হন কলেজছাত্র ফারদিন আশারিয়া রাব্বী। তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মমিনপুর গ্রামে। ঘটনার একদিন পর ৮ আগস্ট পুলিশ সন্দেহভাজন হত্যাকারী হিসেবে মাদকাসক্ত ও ছিনতাইকারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত রওনককে গ্রেফতার করে।

রওনক রাজশাহীর মহানগরীর হেতেমখাঁ এলাকার মৃত কুদরত আলীর ছেলে। স্থানীয়রা তাকে যুবলীগের কর্মী হিসেবে চেনে। তিনি যুবলীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তবে যুবলীগ নেতারা দাবি করেছেন- মিছিল-মিটিংয়ে গেলেও রওনকের যুবলীগে কোন পদ-পদবি নেই।

১২ দিন ধরে নিখোঁজ পোশাক কারখানার কর্মকর্তা

১২ দিন ধরে নিখোঁজ পোশাক কারখানার কর্মকর্তা
মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল। ছবি: সংগৃহীত

মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল (৪০) নামে এক পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ১২ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বাসিন্দা ও গাজীপুর সদরে অবস্থিত স্টাইপ কাফ লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানার প্রোডাকশন এক্সিকিউটিভ অফিসার।

জানা যায়, বুলবুল গত ৫ আগস্ট ভোরে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশে উপজেলার পুখুরিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বের হন। তার স্ত্রী পান্না বেগম সেদিন দুপুরে তাকে ফোন দিয়ে মোবাইল বন্ধ পান।

পরে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও বুলবুলের সন্ধান পায়নি তার পরিবারের লোকজন। এ ব্যাপারে গত ১৫ আগস্ট বুলবুলের বড় ভাই মজিবর রহমান গফরগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান জানান, নিখোঁজ বুলবুল ও সংশ্লিষ্ট সকলের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে অবস্থান জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র