Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে বেড়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে বেড়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫
প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়া শিক্ষার্থীরা উল্লাসে মেতে উঠেছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রাজশাহী


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭২৯ জন শিক্ষার্থী।

গত বছর পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪ হাজার ১৩৮ জন শিক্ষার্থী। ফলে চলতি বছরের ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুই-ই বেড়েছে এই শিক্ষাবোর্ডে।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আনারুল হক প্রামাণিক।

তিনি জানান, চলতি বছরের ফলাফলে পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৮১ দশমিক ২১ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের হার ৭২ দশমিক ৩২ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা। ৩ হাজার ৫৪১ জন ছাত্র জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। আর ছাত্রীরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১৮৮ জন।

সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আনারুল আরও জানান, রাজশাহী বোর্ডের অধীনে এবার ৭৫৮টি কলেজ থেকে ১ লাখ ৫১ হাজার ১৩৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৫০ জন। ৭টি কলেজে পাসের হার শূন্য। ৩৪টি কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অকৃতকার্যদের মধ্যে এক বিষয়ে ফেল করেছে ২৬ হাজার ৮২৮ জন। যা মোট পরীক্ষার্থীর ১৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী- রাজশাহী বোর্ডের অধীনস্থ জেলাগুলোর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩৫ জন। নাটোর জেলায় পাসের হার ৭৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮৪ জন। নওগাঁ জেলায় পাসের হার ৬৯ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫২ জন।

পাবনা জেলায় পাসের হার ৭৪ দশমিক ২২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪২ জন। সিরাজগঞ্জ জেলায় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪৬ জন। বগুড়া জেলায় পাসের হার ৮১ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৪৩৭ জন। জয়পুরহাট জেলায় পাসের হার ৭২ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৯ জন।

এদিকে, ফল ঘোষণার পর রাজশাহীর বিভিন্ন কলেজ ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়া শিক্ষার্থীরা উল্লাসে মেতে উঠেছে। তারা ব্যান্ড বাজিয়ে উল্লাস করছে। অভিভাবকরা মিষ্টি হাতে কলেজে এসেছে। কৃতি শিক্ষার্থী ও কলেজের শিক্ষকদের মিষ্টি মুখ করাচ্ছে অভিভাবকরা।

আপনার মতামত লিখুন :

রাজশাহীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা, গ্রেফতার ৩

রাজশাহীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা, গ্রেফতার ৩
অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত তিনজন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহীতে স্কুল থেকে ফেরার পথে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে হামিদপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস শেষে স্কুল ছুটির পর নিজ বাড়িতে ফেরার পথে আমচত্বর থেকে ওই ছাত্রীকে তুলে নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে নগরীর নওদাপাড়ায় ফেলে রেখে যায় তারা।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- নগরীর আমচত্বর এলাকার ওয়েল্ডিং মিস্ত্রী আতিকুর রহমান, সহযোগী শিমুল ও অটোরিকশা চালক ফয়সাল।

নগরীর শাহ মখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রায়শ আমচত্বর এলাকার দোকানে কাজ করা ওয়েল্ডিং মিস্ত্রী আতিকুর ভুক্তভোগীকে বিরক্ত করতো। মাঝেমধ্যে প্রেমের প্রস্তাব দিতো।

বৃহস্পতিবারও সে প্রতিদিনের মতো দুপুর ২টার পর স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে আমচত্বর পৌঁছালে আতিকুর তার সহযোগি শিমুল ও অটোরিক্সা চালক ফয়সালের সহযোগীতায় জোরপূর্বক ভুক্তভোগীকে রাস্তা থেকে অটোতে তুলে নিয়ে চলে যায়।

ওসি আরও জানান, ওই ছাত্রী বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিষয়টি শাহমখদুম থানায় জানায়। মৌখিকভাবে জানানোর পর থেকেই পুলিশ তাকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। তবে সন্ধ্যার দিকে অপহরণকারী বখাটেরা ওই ছাত্রীকে আমচত্বর ফেলে রেখে চলে যায়। ছাত্রীর কাছ থেকে পরিচয় জেনে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের তিনজনকে আটক করে।

ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘রাতে ওই ছাত্রীর মা সাহেব জানবিবি বাদী হয়ে তিন যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। মামলা গ্রেফতার দেখিয়ে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।’

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা
খুলনায় নারী নেত্রীদের মতবিনিময় সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা। খুলনার নারী নেত্রীরা বলেছেন, স্বামী, সন্তান, সংসার, চাকরি সামলে নারীদের কাজ করতে হয়। তারপরও তারা এগিয়ে চলছে। তাই কোটা নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই নারীরা এগিয়ে যাবে। রাজনৈতিক দলের কমিটিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এক মঞ্চে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির তৃনমূলের নারী নেত্রীরা এসব কথা বলেন। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিএমএ সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. ফরিদ আহমেদ, নিমাই মন্ডল, জুবায়ের আহমেদ জবা, বিএনপি নেতা বিএম কামরুজ্জামান টুক, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, হোসনে আরা চম্পা, মহিলা দলের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট তসলিমা খাতুন ছন্দা, নারী নেত্রী শোভা রাণী হালদার প্রমুখ।

এতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নারী সংগঠনের অর্ধ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র