Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে পুরস্কৃত হবেন ডিসিরা

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে পুরস্কৃত হবেন ডিসিরা
সাংবাদিকদের মুখোমুখি ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বেশি সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করলে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের পঞ্চম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ভূমি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে ডিসিদের কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে বলেছি, প্রত্যেকে উদ্যোগী হয়ে সরকারি জমি আরও কীভাবে পুনরুদ্ধার করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য। যে যত বেশি জমি উদ্ধার করতে পারবে তাদেরকে আমি রিওয়ার্ড (পুরস্কার) দেব বলেছি।'

ভূমি ডিজিটালাইজড করার বিষয়ে তিনি বলেন, 'ভূমি নিয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজের পরিধি বেশি। সুতরাং এখানে আমরা জনগণকে সেবা দিতে চাচ্ছি। জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক সময় সমস্যা হয়। যাদের জমি অধিগ্রহণ হয় তাদের টাকা দেওয়া ও পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা হচ্ছে। সাত আট ধারার নোটিশ হয়ে যাবে তাদের লেজিটেমেট ক্লেইম থাকলে সেটা যাতে দিয়ে দেওয়া হয়, সেই অনুশাসন আরও ক্লিয়ার করে দিয়েছি। মামলা হলে সেটা পরে দেখা যাবে, কিন্তু সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না।'

তিনি বলেন, 'মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের পর্যবেক্ষণে যাওয়া ও ওয়ার্কশপ করার জন্য বলেছি। তারাও রেকর্ড রুমসহ বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে যে এসিল্যান্ড সেখানে আমরা নতুন ভবন করছি, সেখানে কিন্তু রেকর্ড রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিজিটালাইজেশনের কাজ কিন্তু চলছে।'

ল্যান্ড জোনিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, 'এটা ভূমি ডিজিটালাইজেশনের একটি অংশ। যত্রতত্র তিন ফসলা জমি, এখানে ওখানে করে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। ল্যান্ড জোনিং এনফোর্স করছি। ইতোমধ্যে প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এবং এটি প্রায় শেষ পর্যায়ে।'

তিনি আরও বলেন, 'আগের ব্রিটিশ কিছু আইন যেগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন, সেগুলোতে আমরা হাত দিয়েছি। ডিসিদের সে বিষয়গুলো আমি নজরে দিয়েছি। তাদের বলেছি, যাতে প্যানিক না হয়, মন্ত্রণালয় থেকে র‍্যানডম বেসিসে কিছু কিছু কাজ করব। স্বচ্ছতা রাখার জন্য কাজ করব। মন্ত্রণালয় সব কাজ মনিটরিং করছে এবং করবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

ছিনতাইয়ে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে কুপিয়ে হত্যা

ছিনতাইয়ে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে কুপিয়ে হত্যা
ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত কলেজছাত্র ফারদিন ইসনা আশারিয়া রাব্বী/ ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফারদিন ইসনা আশারিয়া রাব্বীকে (১৯) হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত যুবলীগ কর্মী রওনক (২৩)। শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, শনিবার বিকালে রাজশাহী মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতের বিচারক সেলিম রেজার আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তার জবানবন্দি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে তিনি একাই অংশ নিয়েছিলেন। মাদকের অর্থ যোগাড় করতে রওনক ছিনতাই করতেন।

আরএমপি’র মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, আদালতে ঘাতক রওনক জানান- মাদকের টাকা জোগাড় করতে গত ৬ আগস্ট ভোরে উঠে রাস্তার ধারে ওঁৎপেতে ছিলেন তিনি। বাড়ি ফেরার জন্য স্টেশনে ট্রেন ধরতে ভোরে মেস থেকে বের হন রাজশাহী সিটি কলেজের ছাত্র ফারদিন আশারিয়া রাব্বী। ঐ সময় ‘আমরু কনফেকশনারী’ এর কাছাকাছি গেলে রওনক ধারালে অস্ত্র দেখিয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে ভয় দেখিয়ে মোবাইল ও মানিব্যাগ দিয়ে দিতে বলে।

রওনক আদালতে আরও জানান, তবে রাব্বী তাকে কৌশলে মাটিতে ফেলে দিয়ে চিৎকার শুরু করলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে রওনক রাব্বীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেছন দিক থেকে কোপ দেয়। এতে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে মানিব্যাগ ও মোবাইল না নিয়েই দ্রুত পালিয়ে যায় ঘাতক রওনক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566060037670.gif
ছিনতাইকরা রওনক/ ছবি: সংগৃহীত

 

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রওনক আদালতে আরও জানান, তিনি আগে থেকে রাব্বীকে চিনতেন না। নেশায় আসক্ত হওয়ায় তিনি যেকোনো উপায়ে কিছু টাকা যোগাড় করতে পথে ওঁৎ পেতে বসেছিলেন। ঐ সময় রাব্বীকে পেয়ে তার ওপর হামলা করেন।

জানা যায়, গত ৬ আগস্ট ভোরে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে রাস্তায় খুন হন কলেজছাত্র ফারদিন আশারিয়া রাব্বী। তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মমিনপুর গ্রামে। ঘটনার একদিন পর ৮ আগস্ট পুলিশ সন্দেহভাজন হত্যাকারী হিসেবে মাদকাসক্ত ও ছিনতাইকারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত রওনককে গ্রেফতার করে।

রওনক রাজশাহীর মহানগরীর হেতেমখাঁ এলাকার মৃত কুদরত আলীর ছেলে। স্থানীয়রা তাকে যুবলীগের কর্মী হিসেবে চেনে। তিনি যুবলীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তবে যুবলীগ নেতারা দাবি করেছেন- মিছিল-মিটিংয়ে গেলেও রওনকের যুবলীগে কোন পদ-পদবি নেই।

১২ দিন ধরে নিখোঁজ পোশাক কারখানার কর্মকর্তা

১২ দিন ধরে নিখোঁজ পোশাক কারখানার কর্মকর্তা
মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল। ছবি: সংগৃহীত

মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল (৪০) নামে এক পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ১২ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বাসিন্দা ও গাজীপুর সদরে অবস্থিত স্টাইপ কাফ লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানার প্রোডাকশন এক্সিকিউটিভ অফিসার।

জানা যায়, বুলবুল গত ৫ আগস্ট ভোরে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশে উপজেলার পুখুরিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বের হন। তার স্ত্রী পান্না বেগম সেদিন দুপুরে তাকে ফোন দিয়ে মোবাইল বন্ধ পান।

পরে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও বুলবুলের সন্ধান পায়নি তার পরিবারের লোকজন। এ ব্যাপারে গত ১৫ আগস্ট বুলবুলের বড় ভাই মজিবর রহমান গফরগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান জানান, নিখোঁজ বুলবুল ও সংশ্লিষ্ট সকলের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে অবস্থান জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র